Tuesday, August 22, 2017
Friday, August 18, 2017
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্ল...
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয়
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয় কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয় ১. ইয়া আল্লাহুঃ-এই পবিত্র নামটি সব সময় পাঠ করলে মৃতুর পর কবরে এ নূর চমকাবে। ২. ইয়া স...
Wednesday, August 16, 2017
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায়
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায় ১. পর্যাপ্ত পানি পান দেখুনঃ খালি পেটে পানি পানের সুফল কিডনির সুস্থতায় শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই...
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে ‘‘জেলা তথ্য বাতায়ন‘‘ নামে ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে সরকার । নিচে প্রত...
নোয়াখালী জেলা প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনবীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৩৪ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ...
Sunday, August 13, 2017
ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা
Tuesday, August 22, 2017
Friday, August 18, 2017
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে আবু উমামা (রা) নামক জনৈক আনসার সাহাবীকে দেখতে পান। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (আনসারীকে) জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আবু উমামা! আমি তোমাকে নামাযের সময় ব্যতীত মসজিদে উপবিষ্ট কেন দেখছি? তিনি বলেন, সীমাহীন দুশ্চিন্তা ও ঋণভারে জর্জরিত হওয়ার কারণে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (আমি এই অসময়ে মসজিদে উপনীত হয়ে তা থেকে আল্লাহর নিকট মুক্তি কামনা করছি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি কি তোমাকে এমন বাক্য শিক্ষা দিব না যা তুমি উচ্চারণ করলে আল্লাহ তোমার দুশ্চিন্তা দূরীভূত করবেন এবং তোমার কর্জ পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন। এতদশ্রবণে আমি বলিঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি সকাল ও সন্ধ্যায় এরূপ বলবেঃ اللهم انى اعوذ بك من الهم والحزن واعوذ بك من العجز والكسل واعوذ بك من الجبن و البخل واعوذبك من غلبة الدين وقهر الرجال- আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল হাম্মে ওয়াল হুযনে, ওয়া আউযু বিকা মিনাল আজযে ওয়াল-কাসালে, ওয়া আউযু বিকা মিনাল জুবনে ওয়াল বুখলে, ওয়া আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ-দায়নে ওয়া কাহরির রিজাল।” (অর্থাৎ ইয়া আল্লাহ! আমি তোমার নিকট যাবতীয় চিন্তা- ভাবনা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আমি তোমার নিকট দুর্বলতা ও অলসতা হতে আশ্রয় কামনা করছি, তোমার নিকট কাপুরুষতা ও কৃপণতা হতে নাজাত কামনা করছি এবং আমি তোমার নিকট ঋণভার ও মানুষের দুষ্ট প্রভাব হতে পরিত্রাণ চাচ্ছি।” আবু উমামা (রা) বলেন, অতঃপর আমি ঐরূপ আমল করি, যার ফলশ্রুতিতে আল্লাহ তা’য়ালা আমার চিন্তা- ভাবনা বিদূরিত করেন এবং ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন। ( সুনানে আবু দাউদ:হাদীস নং-১৫৫৫)
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয়
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয়
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয়
১. ইয়া আল্লাহুঃ-এই পবিত্র নামটি সব সময় পাঠ করলে মৃতুর পর কবরে এ নূর চমকাবে। ২. ইয়া সালামুঃ- অসুস্থ ব্যাক্তি এই পবিত্র নামটি পাঠ করলে রোগ মুক্ত হয়। ৩. ইয়া বারিওঃ- এই পবিত্র নামটি প্রত্যহ ৭ বার করে পড়লে কবর আযাব মাফ হয়। ৪. ইয়া গাফফারুঃ- এই পবিত্র নামটি জুমআর নামাজের পর (১০০) বার পাঠ করলে সকল অভাব দূর হয়ে যাবে এবং গোনাহ মাফ হয়ে যায়। ৫. ইয়া বাসেতুঃ- এই পবিত্র নামটি ফজরের নামাজের পরে পরলে কখনো কারো মুখাপেক্ষী হতে হয় না। ৬. ইয়া রাফেউঃ- এই প্রবিত্র নামটি রাতে ও দিনে শোবার সময় ১০০ বার পাঠ করলে সম্মান বৃদ্ধি পাবে এবং বিপদ থেকে মুক্ত পাবে। ৭. ইয়া ওয়াজেদুঃ- এই পবিত্র নামটি খাওয়ার সময় প্রথম লোকমায় পাঠ করলে আত্মার বল বৃদ্ধি পাবে। ৮. ইয়া মকাদ্দিমুঃ- এই পবিত্র নামটি পড়ে কোন প্রতিযোগিতায় গেলে তাহা সফল কাম হওয়া যায়। ৯. ইয়া মনায়েমুঃ- এই পবিত্র নামটি সর্বদা পাঠ করলে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায় ও সুখে থাকা যায়। ১০. ওয়াল্লাহু আলা কুল্লিশাইয়্যিন কাদির।
Wednesday, August 16, 2017
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায়
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায়
১. পর্যাপ্ত পানি পান দেখুনঃ খালি পেটে পানি পানের সুফল কিডনির সুস্থতায় শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক সাত-আট গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন। আবার যাঁরা বেশি দৈহিক পরিশ্রম করেন, তাঁদের প্রতিদিনের পানির চাহিদা আরো বেশি। ২. সংক্রমণ সাবধান প্রস্রাব কখনোই চেপে রাখবেন না। এতে সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে। যদি প্রস্রাবে সংক্রমণ হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। এ ছাড়া যাদের সংক্রমণের প্রবণতা রয়েছে তাদের প্রচুর পানি পান করা উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ৩. রোগ নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কিডনির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এ দুটি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। কিডনি ভালো আছে কি না তা জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। বিশেষ করে আপনার বয়স ৪০ বছরের বেশি হয়ে গেলে নিয়মিত বছরে অন্তত একবার ডায়াবেটিস ও ব্লাডপ্রেশার চেক করান। ৪. ওষুধ সাবধান বিভিন্ন ওষুধ কিডনির ক্ষতি করে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। ৫. পরীক্ষা কিডনি ভালো আছে কি না তা পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিন। এ জন্য বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে প্রস্রাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান। ৬. খাবার-পানীয় সাবধান দেখে নিনঃ সফট ড্রিংকস খাচ্ছেন? হতে পারে স্ট্রোক অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকেও কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে বাড়িতে রান্না খাবার ও পানীয় সবচেয়ে ভালো। বাইরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর খাবার ও কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন। খালি পেটে পানি পানের সুফল | জল চিকিৎসা জল চিকিৎসা নামে একটি পদ্ধতি চিকিৎসা জাপনী মেডিকেল সোটাইটি খুঁজে বের করেছে যা ১০০% সুস্থতা প্রদানে সক্ষম বলে তারা দাবি করেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চার গ্লাস পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু এই পানি পান করা কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? ভালো হলে কেন ভালো? কীভাবে উপকার পাওয়া যায় সকালে পানি পান করলে? আর কতটুকুই বা পানি পান করতে হবে? চিকিৎসকদের মতে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ভারতে প্রাচীন যোগগুরু বা ঋষিরা তাদের সাধনায় খালি পেটে পানি পানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে স্থান দিয়ে এসেছেন। জাপানেও চিকিৎসা পদ্ধতি খালি পেটে পানি পান। একটু নিয়ম মেনে করলে শরীরের জন্য আরও ভালো হবে। খালি পেটে পানি পান প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছু দিন এভাবে পানি খেলে বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত হয়ে যায় এবং উপকারিতাও টের পাওয়া যায়। পানি খাওয়ার অল্প কিছুণ অন্য কিছু মুখে না দেয়াই ভালো। এ উপায়ের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি পরিপাক ক্রিয়ার জন্য ভীষণ উপকারী। গবেষকেরা বলেছেন, সকালে খালি পেটে পানি কেবল পাকস্থলী পরিষ্কারই নয় শরীরের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। খালি পেটে পানি পানের সুফল প্রথমত, এ অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সাহায্য করে। পরিপাক ক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে উপকারে আসে। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখে। রক্ত থেকে টক্সিন ও বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এটি। এ ছাড়াও পানি নতুন রক্তকোষ এবং মাসল সেল জন্মানোর প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে। ওজন কমিয়ে রাখতেও উপকারী পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান। জল চিকিৎসা পদ্ধতি: ১. ঘুম থেকে উঠেই ১৬০ মিলি লিটারের গ্লাসের ৪ গ্লাস পানি পান করবেন। ২. পানি পানের ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোন খাবার খাবেন না। ৩. ৪৫ মিনিট পর নাস্তা করবেন এবং পানি পান করবেন। ৪. নাস্তা করার ১৫ মিনিট পর, দুপুরের এবং রাতের খাবারের ২ ঘন্টার ভিতরে কোন খাবার বা পানি পান করবেন না। ৫. যারা বয়ষ্ক বা অসুস্থ এবং ৪ গ্লাস পানি পান করতে অক্ষম প্রথম দিকে অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করে ধীরে ধীরে পরিমান বাড়াতে চেষ্টা করবেন। ৬. উপরের চিকিৎসা পদ্ধতিটি উল্লেখিত রোগ বা অসুখ সমূহের নিরাময় করবে এবং যাদের তা নেই তারও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে। কতদিন এই চিকিৎসা চলবে তা রোগ বা অসুখ ভেদে উল্লেখ করা হলো: ১. উচ্চ রক্তচাপ (৩০ দিন) ২. বুক জ্বালাপোড়া (১০ দিন) ৩. ডায়াবেটিস (৩০ দিন) ৪. কোষ্ঠকাঠিন্য (১০ দিন) ৫. ক্যান্সার (১৮০ দিন) ৬. যক্ষা (৯০ দিন) ৭. বাত ব্যথার রোগিরা উপরে চিকিৎসাটি প্রথম সপ্তাহে ৩ দিন, এবং দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন চালিয়ে যাবেন। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তবে প্রস্রাবের পরিমান পূর্বের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। এটি দৈনন্দিন জীবনের সাথে যোগ করলে অন্যান্য রোগ থেকেও সুস্থ থাকা যাবে। পানি পান করুন এবং সুস্থ ও কর্মঠ থাকুন। পানি পানকে প্রাত্যহিক জীবনযাপনের অংশ করে নিন, আগের থেকে নিজের শরীরকে লাগবে অনেক ফুরফুরে। চীনারা খাবারের সঙ্গে কিন্তু ঠান্ডা পানির বদলে গরম চা পান করে। খাওয়ার পরপরই ঠান্ডা পানি তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে তোলে। পরিপাক ক্রিয়াকেও করে তোলে ধীর। খাওয়ার পর তাই স্যুপ বা হালকা গরম পানি পানই অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিতভাবে খালি পেটে পানি পানের চর্চাটা চালিয়ে যেতে থাকুন। ফলাফল নিজেই অনুভব করতে পারবেন। আরো অনেকে খুজেছে দারিয়ে জল খেলে কি হয় পানি খেযে বুক ভালো পান মৌরির সুবিধা ত্রিফলার জল পানের গুনাবলী ত্রিফলা খাবার নিয়ম তামার গ্লাসে জল খেলে কি হয় ঠান্ডা পানি খাওয়ার উপকারিতা চুন খেযে চিরতা খাওয়ার পর পানি খাওয়া যাবে বীর্য পান এর উপকারিতা
১. পর্যাপ্ত পানি পান দেখুনঃ খালি পেটে পানি পানের সুফল কিডনির সুস্থতায় শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক সাত-আট গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন। আবার যাঁরা বেশি দৈহিক পরিশ্রম করেন, তাঁদের প্রতিদিনের পানির চাহিদা আরো বেশি। ২. সংক্রমণ সাবধান প্রস্রাব কখনোই চেপে রাখবেন না। এতে সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে। যদি প্রস্রাবে সংক্রমণ হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। এ ছাড়া যাদের সংক্রমণের প্রবণতা রয়েছে তাদের প্রচুর পানি পান করা উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ৩. রোগ নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কিডনির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এ দুটি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। কিডনি ভালো আছে কি না তা জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। বিশেষ করে আপনার বয়স ৪০ বছরের বেশি হয়ে গেলে নিয়মিত বছরে অন্তত একবার ডায়াবেটিস ও ব্লাডপ্রেশার চেক করান। ৪. ওষুধ সাবধান বিভিন্ন ওষুধ কিডনির ক্ষতি করে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। ৫. পরীক্ষা কিডনি ভালো আছে কি না তা পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিন। এ জন্য বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে প্রস্রাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান। ৬. খাবার-পানীয় সাবধান দেখে নিনঃ সফট ড্রিংকস খাচ্ছেন? হতে পারে স্ট্রোক অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকেও কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে বাড়িতে রান্না খাবার ও পানীয় সবচেয়ে ভালো। বাইরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর খাবার ও কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন। খালি পেটে পানি পানের সুফল | জল চিকিৎসা জল চিকিৎসা নামে একটি পদ্ধতি চিকিৎসা জাপনী মেডিকেল সোটাইটি খুঁজে বের করেছে যা ১০০% সুস্থতা প্রদানে সক্ষম বলে তারা দাবি করেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চার গ্লাস পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু এই পানি পান করা কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? ভালো হলে কেন ভালো? কীভাবে উপকার পাওয়া যায় সকালে পানি পান করলে? আর কতটুকুই বা পানি পান করতে হবে? চিকিৎসকদের মতে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ভারতে প্রাচীন যোগগুরু বা ঋষিরা তাদের সাধনায় খালি পেটে পানি পানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে স্থান দিয়ে এসেছেন। জাপানেও চিকিৎসা পদ্ধতি খালি পেটে পানি পান। একটু নিয়ম মেনে করলে শরীরের জন্য আরও ভালো হবে। খালি পেটে পানি পান প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছু দিন এভাবে পানি খেলে বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত হয়ে যায় এবং উপকারিতাও টের পাওয়া যায়। পানি খাওয়ার অল্প কিছুণ অন্য কিছু মুখে না দেয়াই ভালো। এ উপায়ের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি পরিপাক ক্রিয়ার জন্য ভীষণ উপকারী। গবেষকেরা বলেছেন, সকালে খালি পেটে পানি কেবল পাকস্থলী পরিষ্কারই নয় শরীরের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। খালি পেটে পানি পানের সুফল প্রথমত, এ অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সাহায্য করে। পরিপাক ক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে উপকারে আসে। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখে। রক্ত থেকে টক্সিন ও বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এটি। এ ছাড়াও পানি নতুন রক্তকোষ এবং মাসল সেল জন্মানোর প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে। ওজন কমিয়ে রাখতেও উপকারী পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান। জল চিকিৎসা পদ্ধতি: ১. ঘুম থেকে উঠেই ১৬০ মিলি লিটারের গ্লাসের ৪ গ্লাস পানি পান করবেন। ২. পানি পানের ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোন খাবার খাবেন না। ৩. ৪৫ মিনিট পর নাস্তা করবেন এবং পানি পান করবেন। ৪. নাস্তা করার ১৫ মিনিট পর, দুপুরের এবং রাতের খাবারের ২ ঘন্টার ভিতরে কোন খাবার বা পানি পান করবেন না। ৫. যারা বয়ষ্ক বা অসুস্থ এবং ৪ গ্লাস পানি পান করতে অক্ষম প্রথম দিকে অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করে ধীরে ধীরে পরিমান বাড়াতে চেষ্টা করবেন। ৬. উপরের চিকিৎসা পদ্ধতিটি উল্লেখিত রোগ বা অসুখ সমূহের নিরাময় করবে এবং যাদের তা নেই তারও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে। কতদিন এই চিকিৎসা চলবে তা রোগ বা অসুখ ভেদে উল্লেখ করা হলো: ১. উচ্চ রক্তচাপ (৩০ দিন) ২. বুক জ্বালাপোড়া (১০ দিন) ৩. ডায়াবেটিস (৩০ দিন) ৪. কোষ্ঠকাঠিন্য (১০ দিন) ৫. ক্যান্সার (১৮০ দিন) ৬. যক্ষা (৯০ দিন) ৭. বাত ব্যথার রোগিরা উপরে চিকিৎসাটি প্রথম সপ্তাহে ৩ দিন, এবং দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন চালিয়ে যাবেন। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তবে প্রস্রাবের পরিমান পূর্বের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। এটি দৈনন্দিন জীবনের সাথে যোগ করলে অন্যান্য রোগ থেকেও সুস্থ থাকা যাবে। পানি পান করুন এবং সুস্থ ও কর্মঠ থাকুন। পানি পানকে প্রাত্যহিক জীবনযাপনের অংশ করে নিন, আগের থেকে নিজের শরীরকে লাগবে অনেক ফুরফুরে। চীনারা খাবারের সঙ্গে কিন্তু ঠান্ডা পানির বদলে গরম চা পান করে। খাওয়ার পরপরই ঠান্ডা পানি তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে তোলে। পরিপাক ক্রিয়াকেও করে তোলে ধীর। খাওয়ার পর তাই স্যুপ বা হালকা গরম পানি পানই অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিতভাবে খালি পেটে পানি পানের চর্চাটা চালিয়ে যেতে থাকুন। ফলাফল নিজেই অনুভব করতে পারবেন। আরো অনেকে খুজেছে দারিয়ে জল খেলে কি হয় পানি খেযে বুক ভালো পান মৌরির সুবিধা ত্রিফলার জল পানের গুনাবলী ত্রিফলা খাবার নিয়ম তামার গ্লাসে জল খেলে কি হয় ঠান্ডা পানি খাওয়ার উপকারিতা চুন খেযে চিরতা খাওয়ার পর পানি খাওয়া যাবে বীর্য পান এর উপকারিতা
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে ‘‘জেলা তথ্য বাতায়ন‘‘ নামে ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে সরকার । নিচে প্রত্যেকটির জেলার ওয়েব সাইট বিভাগওয়ারী আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম । প্রত্যেকটা সাইট বাংলায় । এই সাইটগুলোর মাধ্যমে জেলাগুলো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে । প্রতিটি ওয়েব সাইটে আছে জেলা, জেলার পটভূমি, ভৌগলিক প্রোফাইল, শিল্প ও বাণিজ্য, পত্র পত্রিকা, খেলাধূলা ও বিনোদন, ভাষা ও সংস্কৃতি, খনিজ সম্পদ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব, জন প্রতিনিধি, উপজেলা ও ইউনিয়ন সম্পর্কিত তথ্য । এছাড়া রয়েছে স্হানীয় স্কুল কলেজের তালিকা ভর্তি ও ফলাফল তথ্য এবং কৃষি বিভাগে রয়েছে সার পরিবেশকের তালিকা, খাদ্য উৎপাদন ই-কৃষি, ব্লক সুপারভাইজারের তালিকা । পর্যটন ও ঐতিহ্য লিংকে আছে হোটেল ও আবাসন দর্শনীয় স্থান, জেলার ঐতিহ্য জেলার মানচিত্র । স্বাস্থ্য বিভাগে রয়েছে হাসপাতাল ও ক্লিনিক, ডাক্তারের ও স্বাস্থ্য কর্মীর তালিকা, স্বাস্থ্য কর্মসূচী । আপনার জেলার স্হানীয় সরকারের, নাগরিক সুবিধার তথ্য ও সরকারী অফিস সূমহের বিশদ বিবরণ আছে । তাছাড়া আপনি আপনার মন্তব্য ও সচরাচর জিজ্ঞাস্যাও করতে পারবেন উত্তর দিবে কিনা আল্লাহ-ই মালুম !! যাই হোক সাইটগুলোর নিরাপত্তা দূর্বল হলেও (কিছুদিন আগে ১৯টি সাইট হ্যাকারের কবলে পড়েছিল) প্রতিটি জেলা তথ্য প্রযূক্তির ছোঁয়ায় আসাতে ভাল লাগল । নিজ নিজ জেলার অজানা তথ্যগুলো জানতে পারবেন । তবে সাইটগুলোকে আপডেট রাখতে হবে আর না হলে প্রযূক্তির ছোঁয়া আশায় গুঁড়েবালিতে পরিণত হবে । একনজরে প্রতিটি জেলার ওয়েব সাইট: ঢাকা বিভাগ ০১. ঢাকা সদর : http://www.dcdhaka.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর এই জেলায় অবস্থিত। ভৌগলিক সীমানা আয়তন : ১৬৮৩.২৭ বর্গ কিঃ মিঃ ইতিহাস : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারণ করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে। ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। নদীপথের পাশে অবস্থানের কারণে ঢাকা প্রাক-মোঘল যুগেই স্থানীয় বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল। এখানে উচ্চমান সম্পন্ন সূতিবস্ত্র উৎপাদিত হত যা মসলিন নামে পরিচিত। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়১৯৫২,১৯৬৬,১৯৭০ সংগ্রামের ফসল হিসেবে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং পরিচিতি লাভ করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক,প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে। ঐতিহাসিক স্থানসমূহঃ ঢাকেশ্বরী মন্দির, লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, হোসেনী দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (লেক,জাবি বোটানিক্যাল গার্ডেন,সংশপ্তক), কার্জন হল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভবন (পুরাতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা ভবন), সাত গম্বুজ মসজিদ, তারা মসজিদ, ঢাকা গেইট, পরীবিবির মাজার পার্কপার্ক , বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থানঃ রমনা পার্ক, সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকা শিশু পার্ক, বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, স্মৃতিসৌধ ও স্মারকঃ জাতীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, (রায়ের বাজার), অপরাজেয় বাংলা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আসাদ গেইট আধুনিক স্থাপত্যঃ জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, ভাসানী নভো থিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি ০২. গাজীপুর : http://www.dcgazipur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোত্তীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভাবনায় ভরপুর গাজীপুর জেলা । ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীন বনাঞ্চল আর গৈরিক মৃত্তিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মোগল-বৃটিশ-পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গাজীপুরের রয়েছে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা পর্বে গাজীপুরেই সংঘটিত হয় প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। গাজীপুরে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরসহ ১৯টি কেপি আই, ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের একমাত্র হাইটেক পার্কসহ বহু সংখ্যক সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র/মাঝারী ও ভারী শিল্প কারখানাসহ দেশের তৈরী পোষাক শিল্পের বিরাট অংশ। ঢাকার সাথে দেশের উত্তর বঙ্গ ও উত্তর পূর্ব অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গাজীপুর গেইটওয়ে হিসেবে বিবেচিত । মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা টংগীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয় । ভৌগলিক সীমানা : গাজীপুর জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা, পূর্বে কিশোরগঞ্জ ওনরসিংদী জেলা এবং পশ্চিমে ঢাকা ও টাংগাইল জেলা অবস্থিত। [১] গাজীপুর জেলার উপজেলাগুলি হল : গাজীপুর সদর উপজেলা, কালিয়াকৈর উপজেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা, কাপাসিয়া উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা ইতিহাস : গাজীপুর জেলার একটি থানা শ্রীপুর।গাজীপুর জেলায় সংসদীয় আসন সংখ্যা ৪টি।তারমধ্যে শ্রীপুর ১নং সংসদীয় আসন।৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে শ্রীপুর থানা গঠিত হয়। দর্শনীয় স্থান : গাজীপুরে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কিছু নাম উল্লেখ করা যেতে পারে- ভাওয়াল রাজবাড়ী, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (National Park), আনসার একাডেমী, সফিপুর, নূহাশপল্লী, জাগ্রত চৌরঙ্গী, বলিয়াদী জমিদার বাড়ী বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : তাজউদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ০৩. ফরিদপুর : http://www.dcfaridpur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : > প্রশাসনিক এলাকাসমূহ: ফরিদপুর সদর উপজেলা, বোয়ালমারী উপজেলা, আলফাডাঙা উপজেলা, মধুখালী উপজেলা, ভাঙ্গা উপজেলা, নগরকান্দা উপজেলা, চর ভদ্রাসন উপজেলা, সদরপুর উপজেলা, সালতা ইতিহাস : ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলা গঠন করা হয়। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গারোদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী *১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ)। এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রিস্টাব্দ), মথুরাপুরের দেয়াল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দ), বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা।[১] ফরিদপুর থেকে হাজি শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। শরীয়তুল্লাহের পুত্র দুদু মিয়ার নেতৃত্বে এখানে নীল কর বিরোধী আন্দোলন হয়। জেলার প্রধান নীল কুঠিটি ছিলো আলফাডাঙা উপজেলার মীরগঞ্জে, যার ম্যানেজার ছিলেন এসি ডানলপ। গড়াই, মধুমতি ও বরশিয়া নদীর তীরে নীল চাষ হতো। অর্থনীতি : এই এলাকার অর্থনীতি মুলত পাট কেন্দ্রিক । ফরিদপুর পাট এর জন্য বিখ্যাত । ফরিদপুর বাংলাদেশ এর অন্যতম বড় নদী বন্দর। এখান থেকে পাট নদী পথে সারা দেশে চলে যেত। চিত্তাকর্ষক স্থান : ফরিদপুর জেলার চিত্তাকর্ষক স্থানগুলার মদ্ধে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে- নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট, সুইচ গেট, ধলার মোড়, রাজেন্দ্র কলেজ (রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ), পদ্মা বাধ, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন এর বাসভবন। জনসংখ্যা : মোট জনসংখ্যা: ১৭,১৪,৪৯৬, পুরুষ: ৫০.৫৫%, মহিলা: ৪৯.৪৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪২৪, এই জেলায় শিক্ষার হার ৩৭.৪৪ % বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ: ৪৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৩৪ মেডিকাল কলেজ : ১ মাদ্রাসা: ১৪১ তারার মেলা ঈশাণ মেমরিয়াল আধুনিক শিশু বিদ্যালয় প্রধান শস্য : ফ্রিদপুর জেলায় প্রধান শস্যর তালিকায় রয়েছে, ধান, পাট, গম ও ডাল। এর মধ্যে রপ্তানী যোগ্য পণ্য পাট, পিয়াজ, ডাল, খেজুরের গুড় ইত্যাদি। কৃতী ব্যক্তিত্ব : মুন্সি আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ, শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পুরোধা এবং বাংলাদেশের জাতির জনক, আলাওল, মধ্যযুগের কবি, কাজী মোতাহার হোসেন, শিক্ষাবিদ, পরিসংখ্যানবিন, সাহিত্যিক, জসীম উদ্দিন, পল্লীকবি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ঔপন্যাসিক, কবি, মীর মশাররফ হোসেন, ঔপন্যাসিক, হাবিবুল বাশার, ক্রিকেটার, হুমায়ুন কবির, শিক্ষাবিদ, মৃণাল সেন, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও লেখক।, অমল বোস, অভিনেতা, রোজিনা, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, রিয়াজ, চলচ্চিত্র অভিনেতা (তাঁর জন্ম ফরিদপুর হলেও পৈতৃক বাসস্থান যশোর জেলায়), ফজলুর রহমান বাবু , অভিনেতা, গায়ক, তারেক মাসুদ , চলচ্চিত্রকার ০৪. জামালপুর : http://www.dcjamalpur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : জামালপুর জেলার উত্তরে শেরপুর জেলা, দক্ষিণে টাঙ্গাইল জেলা, পূর্বে ময়মনসিংহ জেলা এবং পশ্চিমে বগুড়া জেলা ওযমুনা নদী অবস্থিত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : জামালপুর জেলায় ৭টি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হল- জামালপুর সদর উপজেলা, বক্সীগঞ্জ উপজেলা, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, ইসলামপুর উপজেলা, মাদারগঞ্জ উপজেলা, মেলান্দহ উপজেলা, সরিষাবাড়ি উপজেলা ইতিহাস : সাধক দরবেশ হযরত শাহ্ জামাল (র:) এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমন্ডিত গারো পাহাড়ের পাদদেশে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র বিধৌত বাংলাদেশের ২০তম জেলা জামালপুর। চিত্তাকর্ষক স্থান : গাড় (খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী) পাহাড় এর পাদদেশে বকশীগঞ্জের বালূঝুড়ী ইউনিয়নের প্রাকৃতিক ঝর্ণার কলকালীতে মাতানো অবকাশ কেন্দ্র ঘুরে আসতে বেশ ভালই মনমাতানো পরিবেশ ০৫. গোপালগঞ্জ : http://www.dcgopalganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১৪৯০ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে ফরিদপুর, দক্ষিণে বরিশাল, পূর্বে বরিশাল ওমাদারীপুর এবং পশ্চিমে বাগেরহাট ও নড়াইল জেলা অবস্থিত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : গোপালগঞ্জ জেলা পাঁচটি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা, মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী উপজেলা, কোটালীপাড়া উপজেলা এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ইতিহাস : ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে গোপালগজ্ঞ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারীপুর মহকুমা ও থানাধীন ছিল। ঐ সময়ে মাদারীপুরের সাথে এ এলাকায় জলপথ ছাড়া কোন স্থল পথের সংযোগ ছিল না। কোন স্টীমার বা লঞ্চ চলাচলও ছিল না। কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়া নৌকা, গয়না নৌকা, ইত্যাদি ছিল চলাচলের একমাত্র বাহন। যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন ছিল খুবই দুর্বল। মামলায় আসামীরা গ্রেফতারের ভয়ে দুর্গম বিল অঞ্চলে আত্বগোপন করে থাকত। এ সমস্ত অসুবিধার দরুন ১৮৭০ সালে গোপালগজ্ঞ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতাগেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। ক্রমান্বয়ে এ অঞ্চলের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। বর্তমানে যেখানে থানা অবস্থিত ঐ স্থানে একটি টিনের ঘরে থানা অফিসের কাজকর্ম চালু করা হয়। ১৯০৯ সালে কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, গোপালগজ্ঞ সদর ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। মিশন স্কুলের দক্ষিণ পার্শ্বে দেওয়ানী আদালত ও সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের স্থান নির্দিষ্ট হয়। তার দক্ষিণে মোক্তার লাইব্রেরীসহ ফৌজদারী আদালত ভবন ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্ধারিত হয়। বর্তমানে যেখানে ডিসি অফিস সেখানে বিরাটকায় চারচালা গোলপাতার ঘর বাঁশের বেড়া দিয়ে ফৌজদারী কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্মিত হয়। তার দক্ষিণে বর্তমান জেলখানার স্থানে একটি বিরাটকায় গোলের ঘর তুলে মজবুত বাঁশের বেড়া অস্থায়ী জেলখানা নির্মিত হয়। বর্তমানে যেখানে মোক্তার বার ভবন ঐ স্থানে একটি ছনের ঘরে মোক্তারগণ আইন ব্যবসা শুরু করেন। ঐ সময়ে কোন উকিল এখানে আইন ব্যবসা করতে আসেনি। গোপালগজ্ঞের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন মি: সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগজ্ঞ পৌরসভা গঠিত হয়। পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান পান্না বিশ্বাস। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়। প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন জনাব এইচ নুর মোহাম্মদ। অর্থনীত : গোপালগঞ্জ মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। এখানে ধান, গম, পাট, আখ, নানা ধরনের সব্জি জন্মে। এছাড়া এ জায়গার লোকজন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। চিত্তাকর্ষক স্থান : টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি ধর্মরায়ের বাড়ি দীঘলিয়া দক্ষিণা কালীবাড়ি বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : শেখ মুজিবুর রহমান, রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি। শেখ হাসিনা, রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী ০৬. কিশোরগঞ্জ : http://www.dckishoreganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগোলিক সীমানা : কিশোরগঞ্জের ভৌগলিক আয়তন প্রায় ২,৬৮৮ বর্গ কিলোমিটার। এই আয়তনে১৩টি উপজেলা রয়েছে। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : কিশোরগঞ্জে ১৩টি থানা। যথা- কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা, অষ্টগ্রাম উপজেলা, ইটনা উপজেলা, করিমগঞ্জ উপজেলা, কটিয়াদি উপজেলা, কুলিয়ারচর উপজেলা, তাড়াইল উপজেলা, নিকলী উপজেলা, পাকুন্দিয়া উপজেলা, বাজিতপুর উপজেলা, ভৈরব উপজেলা, মিটামইন উপজেলা, হোসেনপুর উপজেলা ইউনিয়নে সংখ্যা :১০৬টি ইতিহাস : কিশোরগঞ্জের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। এখানে প্রাচীনকাল থেকেই একটি সুগঠিত গোষ্ঠী হয় এবং এখনোও তা বিরাজ আছে। অর্থনীতি : কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির চালিকা শক্তি অনেকটা হাওরের উপর র্নিভর। যেমন: হাওরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় যা দেশের চাহিদার লভ্যাংশ পূরণ করতে সক্ষম। তাছাড়া কিশোরগঞ্জে পাট, ধান এবং অন্যান্য অনেক সবজি হয়ে থাকে যা দেশের বাইরেও রপ্তানি হয়। চিত্তাকর্ষক স্থান : শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, গুরুদয়াল কলেজ, চন্দ্রাবতীর বাড়ী (নীলগঞ্জ), ঈসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী জঙ্গলবাড়ী, এগারোসিন্দুর বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : জিল্লুর রহমান – বাংলাদেশের বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ। আব্দুল হামিদ – বাংলাদেশের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং সংসদের দুইবারের মনোনীত স্পিকার। একজন বিশিষ্ট এডভোকেট ও রাজনীতিবীদ। আইভি রহমান – একজন সংসদ সদস্য ও প্রাক্তন রাজনীতিবীদ। সৈয়দ নজরুল ইসলাম – বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। জয়নুল আবেদীন – একজন বাংলাদেশের খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী। ০৭. মাদারীপুর : http://www.dcmadaripur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। জেলার আয়তন ১,১৪৪.৯৬ বর্গকিলোমিটার। ভৌগোলিক সীমানা : ২৩০‑০০ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০০-৩০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০-৫৬ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯০০-২১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত এই জেলার বিস্তার। জেলার উত্তরে ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলা, পূর্বে শরিয়তপুর জেলা, পশ্চিমে ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা, এবং দক্ষিণে গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জেলা। উপজেলাসমূহ : মাদারীপুর সদর, শিবচর, কালকিনি, রাজৈর চিত্তাকর্ষক স্থান : পর্বতের বাগান-মস্তফাপুর, প্রণবানন্দের মন্দির- বাজিতপুর, গণেশ পাগলেল মন্দির- কদমবাড়ী, রাজারাম রায়ের বাড়ি- খালিয়া, সেনাপতির দিঘি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি- মাইজপাড়া ০৮. মানিকগঞ্জ : http://www.dcmanikganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা গুলি হল – মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, সিঙ্গাইর উপজেলা, শিবালয় উপজেলা, সাটুরিয়া উপজেলা, হরিরামপুর উপজেলা, ঘিওর উপজেলা, দৌলতপুর উপজেলা চিত্তাকর্ষক স্থান : মানিকগঞ্জ জেলার আরিচা ঘাট এই এলাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। যমুনা সেতুর আগে এই ঘাট দিয়েই যানবাহন পারাপার করা হতো। বেউথা ঘাট [কালিগঙ্গা নদীর তির] ০৯. নরায়নগঞ্জ : http://www.dcnarayanganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রাচ্যর ডান্ডী নামে পরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত নদী বন্দর। ভৌগোলিক সীমানা : পূর্বে – ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা, পশ্চিমে – ঢাকা, উত্তরে – নরসিংদী ও গাজীপুর এবং দক্ষিণে – মুন্সিগঞ্জ। ঢাকা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় পাললিক মাটি জাতীয় সমতল ভূমিতে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ শহর। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : নারায়ণগঞ্জ জেলা ৭টি থানায় বিভক্ত। সেগুলো হল – নারায়ণগঞ্জ সদর, ফতুল্লা থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, বন্দর থানা, আড়াইহাজার থানা, রূপগঞ্জ থানা ও সোনারগাঁও থানা। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলায় উপজেলা ৫টি। সেগুলো হল – নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, বন্দর উপজেলা, আড়াইহাজার উপজেলা, রূপগঞ্জ উপজেলা ও সোনারগাঁও উপজেলা। * মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ৬৩টি, * গ্রাম- ১৩৩টি, মহল্লা ৭৪টি। * পৌরসভা – ০১টি- সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা। * ৫টি ইউ,পি নিয়ে ডি.এন.ডি এলাকা গঠিত। এর আয়তন ৮,৫৪০ একর। * সিটি কর্পোরেশন – ০১টি। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, বন্দর থানার কদমরসুল ও সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা নিয়ে এ কর্পোরেশন গঠিত হয়েছে) ইতিহাস : ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর বা লক্ষীনারায়ণ ঠাকুর নামে ও পরিচিত) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করেন। তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের জন্য একটি দলিলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন। তাই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ। ১৮৮২ সালে নারায়ণগঞ্জকে মহকুমা করা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি জেলায় উন্নীত হয়। ২০১১ সালের ৫ই মে নারায়ণগঞ্জকে সিটি কর্পোরেশন করা হয় । বর্তমানে শহরটি গার্মেন্টস নগরী হিসেবে পরিচিত। নিটওয়্যার রপ্তানীকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। ফতুল্লা এনায়েতনগর এলাকায় অবস্থিত বিসিক শিল্পনগরীতে প্রায় ৭০০ গার্মেন্টস আছে। সারা নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রায় ১ হাজার রপ্তানীমুখী গার্মেন্টস আছে। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ গার্মেন্টসই নিট গার্মেন্টস। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ বিখ্যাত পাট শিল্পের জন্য। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আদমজী পাটকল নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। অবশ্য বর্তমানে এই পাটকলটি বন্ধ করে সেখানে আদমজী ইপিজেড গড়ে তোলা হয়েছে। পাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানীকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন বা বিজেএ এর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। দেশের সবচেয়ে বড় সারের ব্যবসাও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। এছাড়া গম, আটা ও ময়দা ব্যবসার ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও অঞ্চলের জামদানিও মসলিনের কাপড় তৈরির ইতিহাস প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছরের পুরোনো। মিশরের মমির শরীরে পেচানো মসলিন এই সোনারগাঁওয়ের তৈরি বলে জানা যায়। বর্তমানে নানা রকম অবহেলার ফলে জামদানি ও মসলিন শিল্প ধ্বংসের পথে। চিত্তাকর্ষক স্থান : পানাম নগর, সোনারগাঁও, (অধুনা লুপ্ত) আদমজী জুট মিল, সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সমাধি (১৩৮৯-১৪১১), বাবা সালেহ মসজিদ (১৪৮১), গোয়ালদী মসজিদ (১৫১৯), সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ (১৪৮৪), হাজীগঞ্জের ঈশা খাঁ কেল্লা, সোনাকান্দা দুর্গ, কাঁচপুর ব্রিজ, কদমরসুল দরগাহ, বন্দর শাহী মসজিদ নির্বাচনী এলাকা : ০৩ (তিন) টি, ২০৬ নারায়ণগঞ্জ-৩ (আংশিক), ২০৭ নারায়ণগঞ্জ-৪, ২০৮ নারায়ণগঞ্জ-৫ (আংশিক)। ১০. মুন্সিগঞ্জ : http://www.dcmunshiganj.gov.bd/ ১১. ময়মনসিংহ : http://www.dcmymensingh.gov.bd/ ১২. নরসিংদী : http://www.dcnarsingdi.gov.bd/ ১৩. রাজবাড়ী : http://www.dcrajbari.gov.bd/ ১৪. শরিয়তপুর : http://www.dcshariatpur.gov.bd/ ১৫. শেরপুর : http://www.dcsherpur.gov.bd/ ১৬. টাঙ্গাইল : http://www.dctangail.gov.bd/ চট্টগ্রাম বিভাগ ০১. চট্টগ্রাম সদর : http://www.dcchittagong.gov.bd/ চট্টগ্রাম (Chittagong) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। বন্দরনগরী নামে পরিচিত শহর, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত পাহাড়, সমুদ্রে এবং উপত্যকায় ঘেরা চট্টগ্রাম শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে প্রাচ্যের রাণী হিসেবে বিখ্যাত। এখানে দেশের সর্ববৃহৎ বন্দর ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি এশিয়ায় ৭ম এবং বিশ্বের ১০ম দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শহর। ০২. বাহ্মনবাড়িয়া : http://www.dcbrahmanbaria.gov.bd/ ০৩. চাঁদপুর : http://www.dcchandpur.gov.bd/ ০৪. লক্ষীপুর : http://www.dclakshmipur.gov.bd/ ০৫. কুমিল্লা : http://www.dccomilla.gov.bd/ ০৬. কক্সবাজার : http://www.dccoxsbazar.gov.bd/ ০৭. ফেনী : http://www.dcfeni.gov.bd/ ০৮. নোয়াখালী : http://www.dcnoakhali.gov.bd/ ০৯. বান্দরবান : http://www.dcbandarban.gov.bd/ ১০. রাঙ্গামাটি : http://www.dcrangamati.gov.bd/ ১১. খাগড়াছড়ি : http://www.dckhagrachhari.gov.bd/ রাজশাহী বিভাগ ০১. রাজশাহী সদর : http://www.dcrajshahi.gov.bd/ ০২. পাবনা : http://www.dcpabna.gov.bd/ ০৩. সিরাজগঞ্জ : http://www.dcsirajganj.gov.bd/ ০৪. চাপাইনবাবগঞ্জ : http://www.dcchapainawabganj.gov.bd/ ০৫. নাওগাঁ : http://www.dcnaogaon.gov.bd/ ০৬. নাটোর : http://www.dcnatore.gov.bd/ ০৭. জয়পুরহাট : http://www.dcjoypurhat.gov.bd/ ০৮. বগুড়া : http://www.dcbogra.gov.bd/ রংপুর বিভাগ ০১. দিনাজপুর : http://www.dcdinajpur.gov.bd/ ০২. কুড়িগ্রাম : http://www.dckurigram.gov.bd/ ০৩. লালমনিরহাট : http://www.dclalmonirhat.gov.bd/ ০৪. নীলফামারী : http://www.dcnilphamari.gov.bd/ ০৫. গায়বান্ধা : http://www.dcgaibandha.gov.bd/ ০৬. পঞ্চগড় : http://www.dcpanchagarh.gov.bd/ ০৭. রংপুর : http://www.dcrangpur.gov.bd/ ০৮. ঠাকুরগাঁও : http://www.dcthakurgaon.gov.bd/ ০৯. নেত্রকোনা : http://www.dcnetrokona.gov.bd/ খুলনা বিভাগ ০১. খুলনা সদর : http://www.dckhulna.gov.bd/ খুলনা দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশ এর একটি শহর। এটি খুলনা জেলাতে অবস্থিত। খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত তৃতীয় বৃহত্তম শহর। প্রশাসনিক অবকাঠামোতে খুলনা একটি জেলা এবং বিভাগ। বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেষে রুপসা নদীর তীরে শিল্পনগরী খুলনার অবস্থান। দেশের দুটি সামুদ্রিক বন্দরের মধ্যে একটি মংলা বন্দর এখানে অবস্থিত। সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খুলনার মধ্যে। খুলনা জেলার উপজেলাগুলি হল – কয়রা, ডুমুরিয়া, তেরখাদা, দাকোপ, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা, রূপসা আয়তন • মেট্রোপলিটন ৫৯.৫৭ শিক্ষা : নব্বই দশকের পূর্বে খুলনাতে তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খাকলেও পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়। ২০০৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা পূর্বে বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা নামে পরিচিত ছিল। তাছাড়া সরকারী বি. এল কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। মাধ্যমিক শিক্ষার পর কারিগরি শিক্ষার জন্য খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে। শিল্প একসময় খুলনা শিল্পশহর হিসাবে বিখ্যাত হলেও বর্তমানে এখানকার বেশিরভাগ শিল্পই রুগ্ন। পূর্বে খুলনাতে দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিল ছিল যা এখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনার বেশির ভাগ পাটকলগুলোও একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে খুলনার উল্লেখযোগ্য শিল্প হল বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা রপ্তানীযোগ্য মাছ শিল্প। খুলনাকে এক সময় বলা হত রুপালি শহর। এর কারন এই এলাকাতে প্রচুর পরিমান চিংড়ী উৎপাদন করা হত। এখনও হয়, যদিও কিছুটা কমে গেছে। আপনি খুলনার দৌলতপুরের মহসিন মোড় থেকে যতই ভিতরের দিকে যেতে থাকবেন ততই দেখতে থাকবেন রাস্তার দূ ধার দিয়ে শুধু বিল আর মাছের ঘের। এসব ঘেরে সাদা মাছের সাথে চাষ হয় প্রচুর চিংড়ী। রাস্তাঘাট খুলনার রাস্তাঘাট মোটামুটি ভাল এবং অনেক প্রসস্থ। এই শহরটি যানজট এর হাতে এখনও পড়েনি। তবে খুলনা থেকে যশোর যেতে আপনাকে একটু সমস্যা পোহাতে হবে। এদিকের রাস্তাঘাট অনেক বেশিই খারাপ। শিল্প কল কারখানা গুলো ফুলতলায় গড়ে ওঠায় এই রাস্তাটি বেশ ভাঙাচোরা। খুলনার দর্শনীয় স্থান সমূহ খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর, খানজাহান আলী সেতু, জাহানাবাদ বনবিলাস চিড়িয়াখানা ও শিশু পার্ক, শহীদ হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ পার্ক, প্রেম কানন, কবি কৃষ্ঞচন্দ্র ইন্সটিটিউট, দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স, গল্লামারী স্মৃতিসৌধ ও বদ্ধভূমি, বীরশ্রষ্ঠ রুহুল আমিনের মাজার, জাতিসংঘ পার্ক ০২. বাগেরহাট : http://www.dcbagerhat.gov.bd/ ০৩. চুয়াডাঙ্গা : http://www.dcchuadanga.gov.bd/ ০৪. কুষ্টিয়া : http://www.dckushtia.gov.bd/ ০৫. যশোর : http://www.dcjessore.gov.bd/ যশোর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল। এর অন্য একটি প্রচলিত বানান যশোহর। ব্রিটিশ আমলে খুলনা ছিল যশোর জেলার অধিভুক্ত একটি মহুকুমা। পরিচ্ছেদসমূহ ১ ভৌগোলিক সীমানা, ২ প্রশাসনিক এলাকাসমূহ, ৩ ইতিহাস, ৪ অর্থনীতি, ৫ বেনাপোল স্থল বন্দর, ৬ চিত্তাকর্ষক স্থান, ৭ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ, ৮ আরও দেখুন, ৯ তথ্যসূত্র, ১০ বহিঃসংযোগ ভৌগোলিক সীমানা উত্তরে ঝিনাইদহ জেলা, দক্ষিণ পূর্বে সাতক্ষীরা, দক্ষিণে খুলনা, পশ্চিমে ভারত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ এ জেলায় ৮টি উপজেলা রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি পুলিশ থানা রয়েছে। যশোর সদর উপজেলা, অভয়নগর উপজেলা, কেশবপুর উপজেলা, চৌগাছা উপজেলা, ঝিকরগাছা উপজেলা, বাঘারপাড়া উপজেলা, মনিরামপুর উপজেলা, শার্শা উপজেলা ইতিহাস যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরীয়রা ভৈরব নদের তীরে এক সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে। আনুমানিক ১৪৫০ খ্রীস্টাব্দের দিকে পীর খান জাহান আলী সহ বারজন আউলিয়া যশোরের মুড়লীতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রধান কেন্দ্র স্থাপন করেন। ক্রমে এ স্থানে মুড়লী কসবা নামে একটি নতুন শহর গড়ে উঠে। ১৫৫৫ খ্রীস্টাব্দের দিকে যশোর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। যশোর-খুলনা-বনগাঁ এবং কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের অংশ বিশেষ যশোর রাজ্যের অন্তভুর্ক্ত ছিলো। ১৭৮১ খৃষ্টাব্দে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এটিই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জেলা। ১৮৬৪ সালে ঘোষিত হয় যশোর পৌরসভা। ১৮৩৮ খৃষ্টাব্দে যশোর জিলা স্কুল, ১৮৫৪ খৃষ্টাব্দে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি, বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে যশোর বিমান বন্দর এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে কলকাতার সাথে যশোরের রেল-যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলাটি যশোর। অর্থনীতি বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে যশোর এমন একটি জেলা যেটি শুধু অর্থনীতিই নয় বরং ২টি জেলার মধ্যে একটি যে সকল দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চিত্তাকর্ষক স্থান সাগরদাড়ী, কবি মধুসুদনের বাড়ি, কেশবপুরের হনুমান গ্রাম, পাঁচ পুকুর বাগআঁচড়া, বিনোদিয়া পার্ক, জেস গার্ডেন পার্ক, রাজগঞ্জ বাওড়, ভবদহ বিল, গাজীর দর গাহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কবি ফররুখ আহমদ, কবি গোলাম মোসতফা, কবি আবুল হোসেন, খান বাহাদুর মওলানা আহমদ আলী, শিল্পপতি আকিজ উদ্দিন, ভারতীয় শিল্পী শান ০৬. ঝিনাইদহ : http://www.dcjhenaidah.gov.bd/ ০৭. মাগুরা : http://www.dcmagura.gov.bd/ ০৮. মেহেরপুর : http://www.dcmeherpur.gov.bd/ ০৯. নড়াইল : http://www.dcnarail.gov.bd/ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : নড়াইল সদর, লোহাগড়া, কালিয়া, নড়াগাতি উপজেলা আয়তন (বর্গ কিমি) ৯৯০ জনসংখ্যা মোট : ৬,৮৯,০২১, পুরুষ:৫৪.২২%, মহিলা: ৪৫.৭৮% ইতিহাস : বর্তমানে নড়াইল একটি জেলা শহর। ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ মাসে তৎকালীন মহকুমা হতে জেলা হিসেবে ¯^xKwZ লাভ করে। এই জেলার উত্তরে মাগুরা জেলার শালিখা ও মহম্মদপুর থানা, দক্ষিণে খুলনা জেলার তেরখাদা, দীঘলিয়া ও মোল্লার হাট, পূর্বে ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং পশ্চিমে যশোর জেলার অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও কোতয়ালী থানা অবস্থিত। নড়াইল জেলার আয়তন ৯৭৬ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৬৫৯৬৮১ এর মধ্যে ৩৩৩৮১৬ জন পুরুষ ও ৩২৫৮৬৫ জন মহিলা। নড়াইলকে মোটামুটি নদী সমৃদ্ধ অঞ্চল বলা যায়। এই জেলার উপর দিয়ে মধুমতি, চিত্রা, কাজলা, নলিয়া, নড়াগাতি, নবগঙ্গা, কালিগঙ্গা ও আঠারবাঁকি ছাড়াও শিরোমনি শাখার গাল ও হ্যালিক্যাকস ক্যানেল প্রবাহিত ছিল। তন্মধ্যে ৩/৪ টি নদী মৃত বলা চলে, অপর ৮/৭টি নদী এখন প্রবাহমান। ভূতাত্বিকদের মতানুসারে আনুমানিক দশ লক্ষ বৎসর পূর্বে গঙ্গা নদীর পলিমাটি দ্বারা যে গঙ্গেয় ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছিলো’ সেই দ্বীপসমূহের অন্তর্গত এক ভূখন্ডই হল বর্তমান নড়াইল জেলা। তৎকালে নড়াইল জেলা সাগর তীরবর্তী বর্তমান সুন্দরবনের অন্তর্ভূক্ত ছিল। ষাট, সত্তর বৎসর পূর্বেও এই জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে পুকুর বা কুয়া খনন করে হরিণ, বাঘ ও অন্যান্য জীবজন্তুর ফসিল পাওয়া যেত এবং তা থেকে প্রমাণিত যে নদীমাতৃক এই জেলার সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনভূমি বিস্তৃত ছিলো। ইতিহাস অনুযায়ী জানা যায় যে গুপ্ত যুগে নড়াইল অঞ্চলের পূর্ব সীমান্ত মধুমতি নদী পর্যন্ত, সমগ্র যশোর সহ গুপ্ত সম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল এবং ইহা ৩৪০ হতে ৩৭৫ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিলো। রাজা শাশাঙ্ক ৬০০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন এবং তার রাজধানী ছিল কর্ণ সুবর্ণ নগর মতান্তরে লক্ষণাবর্তী। অতঃপর সম্রাট হর্ষ বর্ধন শশাঙ্ককে পরাজিত করে এই অঞ্চলকে তারা করায়ত্ত করেন। অতএব বলা যায় যে বৃহত্তর যশোরসহ নড়াইল জেলা শশাঙ্গ ও হর্যবর্ধন রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল। আনুমানিক দেড়শত বৎসর নড়াইল জেলা অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র f~-¯^vgx বাহুবলে শাশিত হয়েছিল বলে জানা যায়। শুধু এই অঞ্চলই নয় সমগ্র বাংলাদেশই এরূপ দু’জন রাজা ছিলেন নয়াবাড়ীর পাতালভেদী রাজা এবং উজিরপুর কশিয়াড়ার রাজা। পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে পাল বংশ দ্বারা শসিত হয়। পাল বংশের পতনের কর্ণাটক হতে আগত সেন রাজাদের রাজত্য কায়েম হয়। ১২০০ খ্রীষ্টাব্দে তুর্কি সেনা নায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজীর বাংলাদেশ অধিকারের ফলে রাজা লক্ষণ সোনের রাজত্বকাল সমাপ্তি ঘটতে থাকে। এরপর আসে মুসলিম শাসনামল। তখন, বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় পর্যায়ক্রমে ৩৭ বৎসর পাঠান আমল এবং অতঃপর প্রায় দুইশত বৎসর ¯^vaxb সুলতানী আমল বিরাজমান ছিল। ইংরেজ আমলে ১৭৮৬ সালে যাশোর একটি জেলা রূপে ¯^xK…wZ পায়। তখন নড়াইলের পূর্বাঞ্চল ব্যতীত সমগ্র বৃহত্তর যশোর সহ বৃহত্তর খুলনা জেলা যশোরের অন্তর্গত ছিল। ১৯৯৩ সালে নলদী পরগণা সহ ভূষণা ফরিদপুর জেলার পশ্চিমাঞ্চল যশোরের অন্তর্ভূক্ত হয়। ১৮৪২ সালে খুলনাকে পৃথক মহকুমায় পরিণত করে নড়াইলের কালিয়া থানার দক্ষিণাঞ্চল তার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮৬১ সালে নীল বিদ্রোহের সময় নড়াইল একটি পৃথক মহকুমা স্থাপিত হয়। মহকুমা সদরের স্থান নির্বাচনের জন্য মহিষখোলা মৌজার নড়াইল মহকুমার সদরকেই বেছে নেয়া হয়। প্রকৃত নড়াইল মৌজা শহর হতে ৩ কিলোমিটার দূরে যেখানে নড়াইলের জমিদারদের প্রসাদ অবস্থিত ছিলো এবং অপরদিকে মহকুমা প্রশাসকের বাসভবনই নীলকরদের কুঠিবাড়ী ছিল। ১৯০১ সালের শুমারী অনুযায়ী নড়াইল মহকুমা-নড়াইল, বড় কালিয়া, লোহাগড়া থানা mgš^‡q গঠিত যার লোক সংখ্যা ছিলো ৩৫২২৮৯ জন। ১৯৩৯ সালের তথ্যে জানা যায় যে, সাবেক যশোরের পাঁচটি মহকুমার পূবাঞ্চলের একটি সমৃদ্ধশালী মহকুমা ছিল নড়াইল। ১৯৩৫ সালে সীমানা পূর্ণগঠনের প্রেক্ষিতে বিদালী, পোড়ালী ও শেখহাটি ইউনিয়নকে নড়াইল থানার সাথে এবং পোড়লী ইউনিয়নকে কালিয়া থানার সাথে সংযুক্ত করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর লোহাগড়া, কালিয়া, আলফাড়াঙ্গা ও নড়াইল এই চারটি থানা mgš^‡q নাড়াইল মহকুমা অবশিষ্ট থাকে। ১৯৬০ সালে আবার আলফাডাঙ্গা নাড়াইল হতে বিছিন্ন করে ফরিদপুরের সঙ্গে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এইভাবে বিভিন্ন সময় নড়াইলের ভৌগোলিক সীমারেখা সংকুচিত করা হয়েছে। বর্তমানে ৪টি থানা mgš^‡q নড়াইল জেলা গঠিত- লোহাগড়া, কালিয়া, নড়াগাতি ও নড়াইল সদর। ১৯৪৮ সালে ১লা মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে নড়াইলকে জেলা হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলেও অনেক সংগ্রাম, হরতাল, সমাবেশ ও অনশন ধর্মঘটের ফলশ্রুতিতে ১৯৮৪ সালের ১লা জুলাই নাড়াইলকে পূণাঙ্গ জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে নড়াইল জেলার বিশেষ বৈশিষ্টের অধিকারী। যেমন জেলার শিক্ষিতের হার ২৯% যেখানে দেশের শিক্ষিতের হার ২৪%। জেলার ১টি সরকারী ও ১টি মাহিলা কলেজ সহ মোট ৬টি কলেজ বিদ্যমান। ৭৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২টি সরকারী, ৯টি বালিকা ও জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭টি। এছাড়াও ১টি মহিলা মাদ্রাসা ও ১টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল প্রায় দেড় ডজন স্থাপনা। তন্মধ্যে, রায়ত্তামের জোড়া বাংলা, নলদী গাজীর দরগাহ, পাতালবেদী রাজার বাড়ী লোহাগড়া প্রাচীন জোড় বাংলা, রাজা কেশব রয়ের বাড়ী, লক্ষ্মীপাশা কালীবাড়ী অন্যতম। এইসঙ্গে ছিলো নড়াইলের কিংবদন্তীসম ফকির দরবেশ ও ধর্মপ্রচারকদের নাম উল্লেখযোগ্য যোমন- ফকির ওসমান, সাধক লেংটা শাহ, বুড়ো দেওয়ান, গঙ্গাধর পাগল অন্যতম। নড়াইলের বিভিন্নস্থনে চারজন জমিদার ছিল, যেমন নড়াইলের জমিদার হাটবাড়ীয়ার জমিদার কালাড়া ও নলদীর জমিদার, এছাড়াও এদের অধীন ৭ জন তালুকদার বা ছোট জমিদার দিন। নীলচাষ আমলে সমস্ত নড়াইলে প্রায় ২০টির মত নীল সাহেবদের কুঠিবাড়ী ছিল। সমস্ত জেলার প্রায় দেড়শত গ্রাম ও জনপদ নিয়ে গঠিত। নড়াইল জেলায় রয়েছে প্রায় দুইশত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, Z‡š^‡a¨ বিশেষ খ্যাতি সম্পন্ন ৭জনের নাম অন্তর্জাতিকভাবে ¯^xK…Z, যেমন – সৈয়দ নওশের আলী- ফজলুল হক মন্ত্রী সভার মন্ত্রী, এস এম সুলতান- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কিংবদন্তীসম শিল্পী, উদয় শঙ্কর- ভূবনখ্যাত শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী, পন্ডিত রবিশঙ্কর- আন্তজর্তিক খ্যাতিসম্পন্ন সেতার শিল্পী, চারণ কবি মোসলেমউদ্দিন – ১৩০০ সালের রচয়িতা, কবিয়াল বিজয় সরকার – শ্রেষ্ঠ কবি গায়ক, ডাঃ নিহার রঞ্জন গুপ্ত- প্রায় ৫০টি উপন্যাসের লেখক, নূর জালাল – তেভাগা আন্দোলনোর মধ্যমনি, কমলদাশগুপ্ত – নজরুল সঙ্গীততের নির্ধারিত সুরকার ও অমলকৃষ্ণ সোম প্রাখ্যাত মঞ্চাভিনেতা ১০০ টির মতো মঞ্চ নাটক করেছেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মুহাম্মদ – ১৯৭১ এর সম্মুখসমরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০, কলেজ : ১৫, মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৯৪, মাদ্রাসা : ৮৫ শিক্ষার হার : ৩৫.৬ % বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব : এস এম সুলতান প্রধান শস্য : ধান, পাট, গম রপ্তানী পণ্য : নারিকেল, পান, চিংড়ি চিত্তাকর্ষক স্থান : নিরিবিলি পিকনিক কর্নার(লোহাগড়া), চিত্রা রিসোর্ট, নড়াইল(চিত্রানদীর পাড়ে), চিত্রশিল্পী এস,এম,সুলতান এর বাড়ী, স্বপ্ন বীথি(পিকনিক কর্নার) কচু বাড়িয়া লোহাগড়া ১০. সাতক্ষীরা : http://www.dcsatkhira.gov.bd/ সিলেট বিভাগ ০১. সিলেট সদর : http://www.dcsylhet.gov.bd/ সিলেট সদর বাংলাদেশের সিলেট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। জনসংখ্যা ৪৯৩৭৮৪; পুরুষ ২৬৬৭০১, মহিলা ২২৭০৮৩। মুসলিম ৪৪১৫৩৯, হিন্দু ৫০৯১৯, বৌদ্ধ ৭১৭, খ্রিস্টান ২৩৯ এবং অন্যান্য ৩৭০। এ উপজেলায় খাসিয়া ও মনিপুরী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। জলাশয় প্রধান নদী: সুরমা, কুশিয়ারা, সিংড়া। ডবু বিল, বাগোলা বিল ও পাতামোড়া বিল উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন সিলেট সদর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৪ সালে। ০২. মৌলভীবাজার : http://www.dcmoulvibazar.gov.bd/ ০৩. হবিগঞ্জ : http://www.dchabiganj.gov.bd/ ০৪. সুনামগঞ্জ : http://www.dcsunamganj.gov.bd/ বরিশাল বিভাগ ০১. বরিশাল সদর : http://www.dcbarisal.gov.bd/ বরিশাল সদর উপজেলা (বরিশাল জেলা) আয়তন: ৩১৭.৬০ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২২°৩৭´ থেকে ২২°৪৩´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°১৬´ থেকে ৯০°৩২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে বাবুগঞ্জ, মুলাদি এবং মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে বাকেরগঞ্জ এবং নলছিটি উপজেলা, পূর্বে মেহেন্দীগঞ্জ এবং ভোলা সদর উপজেলা, পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর এবং নলছিটি উপজেলা। অবস্থান : উত্তরে বাবুগঞ্জ উপজেলা ও মুলাদি উপজেলা, পূর্বে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে নলছিটি উপজেলা ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা এবং পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর উপজেলা। প্রশাসনিক এলাকা এই উপজেলার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে – কাশিপুর ইউনিয়ন, চাঁদপুরা ইউনিয়ন, চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন, চর কাউয়া ইউনিয়ন, চর বাড়ীয়া ইউনিয়ন, চর মোনাই ইউনিয়ন, জাগুয়া ইউনিয়ন, টুঙ্গিবাড়ীয়া ইউনিয়ন, রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন এবং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন জনসংখ্যা ৪৬৩০৩২; পুরুষ ২৪৩২৯০, মহিলা ২১৯৭৪২। মুসলিম ৪২৩৬১৯, হিন্দু ৩৫৮১০, বৌদ্ধ ৩০৪৪, খ্রিস্টান ১৬২ এবং অন্যান্য ৩৯৭। জলাশয় কীর্তনখোলা, কালিজিরা, বরিশাল, নয়াভাঙ্গা, তেঁতুলিয়া নদী উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন ১৯২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি বরিশাল থানা গঠিত হয়। পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৫৭ সালে এবং সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয় ২০০০ সালে। ০২. বরগুনা : http://www.dcbarguna.gov.bd/ ০৩. ভোলা : http://www.dcbhola.gov.bd/ ০৪. ঝালকাঠি : http://www.dcjhalakathi.gov.bd/ ০৫. পটুয়াখালী : http://www.dcpatuakhali.gov.bd/ ০৬. ফিরোজপুর : http://www.dcpirojpur.gov.bd/
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে ‘‘জেলা তথ্য বাতায়ন‘‘ নামে ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে সরকার । নিচে প্রত্যেকটির জেলার ওয়েব সাইট বিভাগওয়ারী আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম । প্রত্যেকটা সাইট বাংলায় । এই সাইটগুলোর মাধ্যমে জেলাগুলো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে । প্রতিটি ওয়েব সাইটে আছে জেলা, জেলার পটভূমি, ভৌগলিক প্রোফাইল, শিল্প ও বাণিজ্য, পত্র পত্রিকা, খেলাধূলা ও বিনোদন, ভাষা ও সংস্কৃতি, খনিজ সম্পদ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব, জন প্রতিনিধি, উপজেলা ও ইউনিয়ন সম্পর্কিত তথ্য । এছাড়া রয়েছে স্হানীয় স্কুল কলেজের তালিকা ভর্তি ও ফলাফল তথ্য এবং কৃষি বিভাগে রয়েছে সার পরিবেশকের তালিকা, খাদ্য উৎপাদন ই-কৃষি, ব্লক সুপারভাইজারের তালিকা । পর্যটন ও ঐতিহ্য লিংকে আছে হোটেল ও আবাসন দর্শনীয় স্থান, জেলার ঐতিহ্য জেলার মানচিত্র । স্বাস্থ্য বিভাগে রয়েছে হাসপাতাল ও ক্লিনিক, ডাক্তারের ও স্বাস্থ্য কর্মীর তালিকা, স্বাস্থ্য কর্মসূচী । আপনার জেলার স্হানীয় সরকারের, নাগরিক সুবিধার তথ্য ও সরকারী অফিস সূমহের বিশদ বিবরণ আছে । তাছাড়া আপনি আপনার মন্তব্য ও সচরাচর জিজ্ঞাস্যাও করতে পারবেন উত্তর দিবে কিনা আল্লাহ-ই মালুম !! যাই হোক সাইটগুলোর নিরাপত্তা দূর্বল হলেও (কিছুদিন আগে ১৯টি সাইট হ্যাকারের কবলে পড়েছিল) প্রতিটি জেলা তথ্য প্রযূক্তির ছোঁয়ায় আসাতে ভাল লাগল । নিজ নিজ জেলার অজানা তথ্যগুলো জানতে পারবেন । তবে সাইটগুলোকে আপডেট রাখতে হবে আর না হলে প্রযূক্তির ছোঁয়া আশায় গুঁড়েবালিতে পরিণত হবে । একনজরে প্রতিটি জেলার ওয়েব সাইট: ঢাকা বিভাগ ০১. ঢাকা সদর : http://www.dcdhaka.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর এই জেলায় অবস্থিত। ভৌগলিক সীমানা আয়তন : ১৬৮৩.২৭ বর্গ কিঃ মিঃ ইতিহাস : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারণ করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে। ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। নদীপথের পাশে অবস্থানের কারণে ঢাকা প্রাক-মোঘল যুগেই স্থানীয় বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল। এখানে উচ্চমান সম্পন্ন সূতিবস্ত্র উৎপাদিত হত যা মসলিন নামে পরিচিত। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়১৯৫২,১৯৬৬,১৯৭০ সংগ্রামের ফসল হিসেবে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং পরিচিতি লাভ করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক,প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে। ঐতিহাসিক স্থানসমূহঃ ঢাকেশ্বরী মন্দির, লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, হোসেনী দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (লেক,জাবি বোটানিক্যাল গার্ডেন,সংশপ্তক), কার্জন হল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভবন (পুরাতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা ভবন), সাত গম্বুজ মসজিদ, তারা মসজিদ, ঢাকা গেইট, পরীবিবির মাজার পার্কপার্ক , বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থানঃ রমনা পার্ক, সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকা শিশু পার্ক, বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, স্মৃতিসৌধ ও স্মারকঃ জাতীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, (রায়ের বাজার), অপরাজেয় বাংলা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আসাদ গেইট আধুনিক স্থাপত্যঃ জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, ভাসানী নভো থিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি ০২. গাজীপুর : http://www.dcgazipur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোত্তীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভাবনায় ভরপুর গাজীপুর জেলা । ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীন বনাঞ্চল আর গৈরিক মৃত্তিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মোগল-বৃটিশ-পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গাজীপুরের রয়েছে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা পর্বে গাজীপুরেই সংঘটিত হয় প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। গাজীপুরে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরসহ ১৯টি কেপি আই, ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের একমাত্র হাইটেক পার্কসহ বহু সংখ্যক সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র/মাঝারী ও ভারী শিল্প কারখানাসহ দেশের তৈরী পোষাক শিল্পের বিরাট অংশ। ঢাকার সাথে দেশের উত্তর বঙ্গ ও উত্তর পূর্ব অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গাজীপুর গেইটওয়ে হিসেবে বিবেচিত । মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা টংগীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয় । ভৌগলিক সীমানা : গাজীপুর জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা, পূর্বে কিশোরগঞ্জ ওনরসিংদী জেলা এবং পশ্চিমে ঢাকা ও টাংগাইল জেলা অবস্থিত। [১] গাজীপুর জেলার উপজেলাগুলি হল : গাজীপুর সদর উপজেলা, কালিয়াকৈর উপজেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা, কাপাসিয়া উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা ইতিহাস : গাজীপুর জেলার একটি থানা শ্রীপুর।গাজীপুর জেলায় সংসদীয় আসন সংখ্যা ৪টি।তারমধ্যে শ্রীপুর ১নং সংসদীয় আসন।৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে শ্রীপুর থানা গঠিত হয়। দর্শনীয় স্থান : গাজীপুরে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কিছু নাম উল্লেখ করা যেতে পারে- ভাওয়াল রাজবাড়ী, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (National Park), আনসার একাডেমী, সফিপুর, নূহাশপল্লী, জাগ্রত চৌরঙ্গী, বলিয়াদী জমিদার বাড়ী বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : তাজউদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ০৩. ফরিদপুর : http://www.dcfaridpur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : > প্রশাসনিক এলাকাসমূহ: ফরিদপুর সদর উপজেলা, বোয়ালমারী উপজেলা, আলফাডাঙা উপজেলা, মধুখালী উপজেলা, ভাঙ্গা উপজেলা, নগরকান্দা উপজেলা, চর ভদ্রাসন উপজেলা, সদরপুর উপজেলা, সালতা ইতিহাস : ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলা গঠন করা হয়। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গারোদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী *১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ)। এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রিস্টাব্দ), মথুরাপুরের দেয়াল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দ), বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা।[১] ফরিদপুর থেকে হাজি শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। শরীয়তুল্লাহের পুত্র দুদু মিয়ার নেতৃত্বে এখানে নীল কর বিরোধী আন্দোলন হয়। জেলার প্রধান নীল কুঠিটি ছিলো আলফাডাঙা উপজেলার মীরগঞ্জে, যার ম্যানেজার ছিলেন এসি ডানলপ। গড়াই, মধুমতি ও বরশিয়া নদীর তীরে নীল চাষ হতো। অর্থনীতি : এই এলাকার অর্থনীতি মুলত পাট কেন্দ্রিক । ফরিদপুর পাট এর জন্য বিখ্যাত । ফরিদপুর বাংলাদেশ এর অন্যতম বড় নদী বন্দর। এখান থেকে পাট নদী পথে সারা দেশে চলে যেত। চিত্তাকর্ষক স্থান : ফরিদপুর জেলার চিত্তাকর্ষক স্থানগুলার মদ্ধে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে- নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট, সুইচ গেট, ধলার মোড়, রাজেন্দ্র কলেজ (রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ), পদ্মা বাধ, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন এর বাসভবন। জনসংখ্যা : মোট জনসংখ্যা: ১৭,১৪,৪৯৬, পুরুষ: ৫০.৫৫%, মহিলা: ৪৯.৪৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪২৪, এই জেলায় শিক্ষার হার ৩৭.৪৪ % বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ: ৪৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৩৪ মেডিকাল কলেজ : ১ মাদ্রাসা: ১৪১ তারার মেলা ঈশাণ মেমরিয়াল আধুনিক শিশু বিদ্যালয় প্রধান শস্য : ফ্রিদপুর জেলায় প্রধান শস্যর তালিকায় রয়েছে, ধান, পাট, গম ও ডাল। এর মধ্যে রপ্তানী যোগ্য পণ্য পাট, পিয়াজ, ডাল, খেজুরের গুড় ইত্যাদি। কৃতী ব্যক্তিত্ব : মুন্সি আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ, শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পুরোধা এবং বাংলাদেশের জাতির জনক, আলাওল, মধ্যযুগের কবি, কাজী মোতাহার হোসেন, শিক্ষাবিদ, পরিসংখ্যানবিন, সাহিত্যিক, জসীম উদ্দিন, পল্লীকবি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ঔপন্যাসিক, কবি, মীর মশাররফ হোসেন, ঔপন্যাসিক, হাবিবুল বাশার, ক্রিকেটার, হুমায়ুন কবির, শিক্ষাবিদ, মৃণাল সেন, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও লেখক।, অমল বোস, অভিনেতা, রোজিনা, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, রিয়াজ, চলচ্চিত্র অভিনেতা (তাঁর জন্ম ফরিদপুর হলেও পৈতৃক বাসস্থান যশোর জেলায়), ফজলুর রহমান বাবু , অভিনেতা, গায়ক, তারেক মাসুদ , চলচ্চিত্রকার ০৪. জামালপুর : http://www.dcjamalpur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : জামালপুর জেলার উত্তরে শেরপুর জেলা, দক্ষিণে টাঙ্গাইল জেলা, পূর্বে ময়মনসিংহ জেলা এবং পশ্চিমে বগুড়া জেলা ওযমুনা নদী অবস্থিত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : জামালপুর জেলায় ৭টি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হল- জামালপুর সদর উপজেলা, বক্সীগঞ্জ উপজেলা, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, ইসলামপুর উপজেলা, মাদারগঞ্জ উপজেলা, মেলান্দহ উপজেলা, সরিষাবাড়ি উপজেলা ইতিহাস : সাধক দরবেশ হযরত শাহ্ জামাল (র:) এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমন্ডিত গারো পাহাড়ের পাদদেশে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র বিধৌত বাংলাদেশের ২০তম জেলা জামালপুর। চিত্তাকর্ষক স্থান : গাড় (খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী) পাহাড় এর পাদদেশে বকশীগঞ্জের বালূঝুড়ী ইউনিয়নের প্রাকৃতিক ঝর্ণার কলকালীতে মাতানো অবকাশ কেন্দ্র ঘুরে আসতে বেশ ভালই মনমাতানো পরিবেশ ০৫. গোপালগঞ্জ : http://www.dcgopalganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১৪৯০ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে ফরিদপুর, দক্ষিণে বরিশাল, পূর্বে বরিশাল ওমাদারীপুর এবং পশ্চিমে বাগেরহাট ও নড়াইল জেলা অবস্থিত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : গোপালগঞ্জ জেলা পাঁচটি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা, মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী উপজেলা, কোটালীপাড়া উপজেলা এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ইতিহাস : ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে গোপালগজ্ঞ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারীপুর মহকুমা ও থানাধীন ছিল। ঐ সময়ে মাদারীপুরের সাথে এ এলাকায় জলপথ ছাড়া কোন স্থল পথের সংযোগ ছিল না। কোন স্টীমার বা লঞ্চ চলাচলও ছিল না। কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়া নৌকা, গয়না নৌকা, ইত্যাদি ছিল চলাচলের একমাত্র বাহন। যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন ছিল খুবই দুর্বল। মামলায় আসামীরা গ্রেফতারের ভয়ে দুর্গম বিল অঞ্চলে আত্বগোপন করে থাকত। এ সমস্ত অসুবিধার দরুন ১৮৭০ সালে গোপালগজ্ঞ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতাগেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। ক্রমান্বয়ে এ অঞ্চলের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। বর্তমানে যেখানে থানা অবস্থিত ঐ স্থানে একটি টিনের ঘরে থানা অফিসের কাজকর্ম চালু করা হয়। ১৯০৯ সালে কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, গোপালগজ্ঞ সদর ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। মিশন স্কুলের দক্ষিণ পার্শ্বে দেওয়ানী আদালত ও সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের স্থান নির্দিষ্ট হয়। তার দক্ষিণে মোক্তার লাইব্রেরীসহ ফৌজদারী আদালত ভবন ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্ধারিত হয়। বর্তমানে যেখানে ডিসি অফিস সেখানে বিরাটকায় চারচালা গোলপাতার ঘর বাঁশের বেড়া দিয়ে ফৌজদারী কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্মিত হয়। তার দক্ষিণে বর্তমান জেলখানার স্থানে একটি বিরাটকায় গোলের ঘর তুলে মজবুত বাঁশের বেড়া অস্থায়ী জেলখানা নির্মিত হয়। বর্তমানে যেখানে মোক্তার বার ভবন ঐ স্থানে একটি ছনের ঘরে মোক্তারগণ আইন ব্যবসা শুরু করেন। ঐ সময়ে কোন উকিল এখানে আইন ব্যবসা করতে আসেনি। গোপালগজ্ঞের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন মি: সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগজ্ঞ পৌরসভা গঠিত হয়। পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান পান্না বিশ্বাস। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়। প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন জনাব এইচ নুর মোহাম্মদ। অর্থনীত : গোপালগঞ্জ মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। এখানে ধান, গম, পাট, আখ, নানা ধরনের সব্জি জন্মে। এছাড়া এ জায়গার লোকজন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। চিত্তাকর্ষক স্থান : টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি ধর্মরায়ের বাড়ি দীঘলিয়া দক্ষিণা কালীবাড়ি বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : শেখ মুজিবুর রহমান, রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি। শেখ হাসিনা, রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী ০৬. কিশোরগঞ্জ : http://www.dckishoreganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগোলিক সীমানা : কিশোরগঞ্জের ভৌগলিক আয়তন প্রায় ২,৬৮৮ বর্গ কিলোমিটার। এই আয়তনে১৩টি উপজেলা রয়েছে। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : কিশোরগঞ্জে ১৩টি থানা। যথা- কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা, অষ্টগ্রাম উপজেলা, ইটনা উপজেলা, করিমগঞ্জ উপজেলা, কটিয়াদি উপজেলা, কুলিয়ারচর উপজেলা, তাড়াইল উপজেলা, নিকলী উপজেলা, পাকুন্দিয়া উপজেলা, বাজিতপুর উপজেলা, ভৈরব উপজেলা, মিটামইন উপজেলা, হোসেনপুর উপজেলা ইউনিয়নে সংখ্যা :১০৬টি ইতিহাস : কিশোরগঞ্জের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। এখানে প্রাচীনকাল থেকেই একটি সুগঠিত গোষ্ঠী হয় এবং এখনোও তা বিরাজ আছে। অর্থনীতি : কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির চালিকা শক্তি অনেকটা হাওরের উপর র্নিভর। যেমন: হাওরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় যা দেশের চাহিদার লভ্যাংশ পূরণ করতে সক্ষম। তাছাড়া কিশোরগঞ্জে পাট, ধান এবং অন্যান্য অনেক সবজি হয়ে থাকে যা দেশের বাইরেও রপ্তানি হয়। চিত্তাকর্ষক স্থান : শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, গুরুদয়াল কলেজ, চন্দ্রাবতীর বাড়ী (নীলগঞ্জ), ঈসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী জঙ্গলবাড়ী, এগারোসিন্দুর বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : জিল্লুর রহমান – বাংলাদেশের বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ। আব্দুল হামিদ – বাংলাদেশের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং সংসদের দুইবারের মনোনীত স্পিকার। একজন বিশিষ্ট এডভোকেট ও রাজনীতিবীদ। আইভি রহমান – একজন সংসদ সদস্য ও প্রাক্তন রাজনীতিবীদ। সৈয়দ নজরুল ইসলাম – বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। জয়নুল আবেদীন – একজন বাংলাদেশের খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী। ০৭. মাদারীপুর : http://www.dcmadaripur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। জেলার আয়তন ১,১৪৪.৯৬ বর্গকিলোমিটার। ভৌগোলিক সীমানা : ২৩০‑০০ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০০-৩০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০-৫৬ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯০০-২১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত এই জেলার বিস্তার। জেলার উত্তরে ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলা, পূর্বে শরিয়তপুর জেলা, পশ্চিমে ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা, এবং দক্ষিণে গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জেলা। উপজেলাসমূহ : মাদারীপুর সদর, শিবচর, কালকিনি, রাজৈর চিত্তাকর্ষক স্থান : পর্বতের বাগান-মস্তফাপুর, প্রণবানন্দের মন্দির- বাজিতপুর, গণেশ পাগলেল মন্দির- কদমবাড়ী, রাজারাম রায়ের বাড়ি- খালিয়া, সেনাপতির দিঘি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি- মাইজপাড়া ০৮. মানিকগঞ্জ : http://www.dcmanikganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা গুলি হল – মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, সিঙ্গাইর উপজেলা, শিবালয় উপজেলা, সাটুরিয়া উপজেলা, হরিরামপুর উপজেলা, ঘিওর উপজেলা, দৌলতপুর উপজেলা চিত্তাকর্ষক স্থান : মানিকগঞ্জ জেলার আরিচা ঘাট এই এলাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। যমুনা সেতুর আগে এই ঘাট দিয়েই যানবাহন পারাপার করা হতো। বেউথা ঘাট [কালিগঙ্গা নদীর তির] ০৯. নরায়নগঞ্জ : http://www.dcnarayanganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রাচ্যর ডান্ডী নামে পরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত নদী বন্দর। ভৌগোলিক সীমানা : পূর্বে – ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা, পশ্চিমে – ঢাকা, উত্তরে – নরসিংদী ও গাজীপুর এবং দক্ষিণে – মুন্সিগঞ্জ। ঢাকা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় পাললিক মাটি জাতীয় সমতল ভূমিতে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ শহর। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : নারায়ণগঞ্জ জেলা ৭টি থানায় বিভক্ত। সেগুলো হল – নারায়ণগঞ্জ সদর, ফতুল্লা থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, বন্দর থানা, আড়াইহাজার থানা, রূপগঞ্জ থানা ও সোনারগাঁও থানা। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলায় উপজেলা ৫টি। সেগুলো হল – নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, বন্দর উপজেলা, আড়াইহাজার উপজেলা, রূপগঞ্জ উপজেলা ও সোনারগাঁও উপজেলা। * মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ৬৩টি, * গ্রাম- ১৩৩টি, মহল্লা ৭৪টি। * পৌরসভা – ০১টি- সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা। * ৫টি ইউ,পি নিয়ে ডি.এন.ডি এলাকা গঠিত। এর আয়তন ৮,৫৪০ একর। * সিটি কর্পোরেশন – ০১টি। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, বন্দর থানার কদমরসুল ও সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা নিয়ে এ কর্পোরেশন গঠিত হয়েছে) ইতিহাস : ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর বা লক্ষীনারায়ণ ঠাকুর নামে ও পরিচিত) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করেন। তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের জন্য একটি দলিলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন। তাই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ। ১৮৮২ সালে নারায়ণগঞ্জকে মহকুমা করা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি জেলায় উন্নীত হয়। ২০১১ সালের ৫ই মে নারায়ণগঞ্জকে সিটি কর্পোরেশন করা হয় । বর্তমানে শহরটি গার্মেন্টস নগরী হিসেবে পরিচিত। নিটওয়্যার রপ্তানীকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। ফতুল্লা এনায়েতনগর এলাকায় অবস্থিত বিসিক শিল্পনগরীতে প্রায় ৭০০ গার্মেন্টস আছে। সারা নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রায় ১ হাজার রপ্তানীমুখী গার্মেন্টস আছে। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ গার্মেন্টসই নিট গার্মেন্টস। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ বিখ্যাত পাট শিল্পের জন্য। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আদমজী পাটকল নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। অবশ্য বর্তমানে এই পাটকলটি বন্ধ করে সেখানে আদমজী ইপিজেড গড়ে তোলা হয়েছে। পাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানীকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন বা বিজেএ এর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। দেশের সবচেয়ে বড় সারের ব্যবসাও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। এছাড়া গম, আটা ও ময়দা ব্যবসার ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও অঞ্চলের জামদানিও মসলিনের কাপড় তৈরির ইতিহাস প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছরের পুরোনো। মিশরের মমির শরীরে পেচানো মসলিন এই সোনারগাঁওয়ের তৈরি বলে জানা যায়। বর্তমানে নানা রকম অবহেলার ফলে জামদানি ও মসলিন শিল্প ধ্বংসের পথে। চিত্তাকর্ষক স্থান : পানাম নগর, সোনারগাঁও, (অধুনা লুপ্ত) আদমজী জুট মিল, সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সমাধি (১৩৮৯-১৪১১), বাবা সালেহ মসজিদ (১৪৮১), গোয়ালদী মসজিদ (১৫১৯), সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ (১৪৮৪), হাজীগঞ্জের ঈশা খাঁ কেল্লা, সোনাকান্দা দুর্গ, কাঁচপুর ব্রিজ, কদমরসুল দরগাহ, বন্দর শাহী মসজিদ নির্বাচনী এলাকা : ০৩ (তিন) টি, ২০৬ নারায়ণগঞ্জ-৩ (আংশিক), ২০৭ নারায়ণগঞ্জ-৪, ২০৮ নারায়ণগঞ্জ-৫ (আংশিক)। ১০. মুন্সিগঞ্জ : http://www.dcmunshiganj.gov.bd/ ১১. ময়মনসিংহ : http://www.dcmymensingh.gov.bd/ ১২. নরসিংদী : http://www.dcnarsingdi.gov.bd/ ১৩. রাজবাড়ী : http://www.dcrajbari.gov.bd/ ১৪. শরিয়তপুর : http://www.dcshariatpur.gov.bd/ ১৫. শেরপুর : http://www.dcsherpur.gov.bd/ ১৬. টাঙ্গাইল : http://www.dctangail.gov.bd/ চট্টগ্রাম বিভাগ ০১. চট্টগ্রাম সদর : http://www.dcchittagong.gov.bd/ চট্টগ্রাম (Chittagong) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। বন্দরনগরী নামে পরিচিত শহর, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত পাহাড়, সমুদ্রে এবং উপত্যকায় ঘেরা চট্টগ্রাম শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে প্রাচ্যের রাণী হিসেবে বিখ্যাত। এখানে দেশের সর্ববৃহৎ বন্দর ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি এশিয়ায় ৭ম এবং বিশ্বের ১০ম দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শহর। ০২. বাহ্মনবাড়িয়া : http://www.dcbrahmanbaria.gov.bd/ ০৩. চাঁদপুর : http://www.dcchandpur.gov.bd/ ০৪. লক্ষীপুর : http://www.dclakshmipur.gov.bd/ ০৫. কুমিল্লা : http://www.dccomilla.gov.bd/ ০৬. কক্সবাজার : http://www.dccoxsbazar.gov.bd/ ০৭. ফেনী : http://www.dcfeni.gov.bd/ ০৮. নোয়াখালী : http://www.dcnoakhali.gov.bd/ ০৯. বান্দরবান : http://www.dcbandarban.gov.bd/ ১০. রাঙ্গামাটি : http://www.dcrangamati.gov.bd/ ১১. খাগড়াছড়ি : http://www.dckhagrachhari.gov.bd/ রাজশাহী বিভাগ ০১. রাজশাহী সদর : http://www.dcrajshahi.gov.bd/ ০২. পাবনা : http://www.dcpabna.gov.bd/ ০৩. সিরাজগঞ্জ : http://www.dcsirajganj.gov.bd/ ০৪. চাপাইনবাবগঞ্জ : http://www.dcchapainawabganj.gov.bd/ ০৫. নাওগাঁ : http://www.dcnaogaon.gov.bd/ ০৬. নাটোর : http://www.dcnatore.gov.bd/ ০৭. জয়পুরহাট : http://www.dcjoypurhat.gov.bd/ ০৮. বগুড়া : http://www.dcbogra.gov.bd/ রংপুর বিভাগ ০১. দিনাজপুর : http://www.dcdinajpur.gov.bd/ ০২. কুড়িগ্রাম : http://www.dckurigram.gov.bd/ ০৩. লালমনিরহাট : http://www.dclalmonirhat.gov.bd/ ০৪. নীলফামারী : http://www.dcnilphamari.gov.bd/ ০৫. গায়বান্ধা : http://www.dcgaibandha.gov.bd/ ০৬. পঞ্চগড় : http://www.dcpanchagarh.gov.bd/ ০৭. রংপুর : http://www.dcrangpur.gov.bd/ ০৮. ঠাকুরগাঁও : http://www.dcthakurgaon.gov.bd/ ০৯. নেত্রকোনা : http://www.dcnetrokona.gov.bd/ খুলনা বিভাগ ০১. খুলনা সদর : http://www.dckhulna.gov.bd/ খুলনা দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশ এর একটি শহর। এটি খুলনা জেলাতে অবস্থিত। খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত তৃতীয় বৃহত্তম শহর। প্রশাসনিক অবকাঠামোতে খুলনা একটি জেলা এবং বিভাগ। বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেষে রুপসা নদীর তীরে শিল্পনগরী খুলনার অবস্থান। দেশের দুটি সামুদ্রিক বন্দরের মধ্যে একটি মংলা বন্দর এখানে অবস্থিত। সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খুলনার মধ্যে। খুলনা জেলার উপজেলাগুলি হল – কয়রা, ডুমুরিয়া, তেরখাদা, দাকোপ, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা, রূপসা আয়তন • মেট্রোপলিটন ৫৯.৫৭ শিক্ষা : নব্বই দশকের পূর্বে খুলনাতে তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খাকলেও পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়। ২০০৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা পূর্বে বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা নামে পরিচিত ছিল। তাছাড়া সরকারী বি. এল কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। মাধ্যমিক শিক্ষার পর কারিগরি শিক্ষার জন্য খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে। শিল্প একসময় খুলনা শিল্পশহর হিসাবে বিখ্যাত হলেও বর্তমানে এখানকার বেশিরভাগ শিল্পই রুগ্ন। পূর্বে খুলনাতে দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিল ছিল যা এখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনার বেশির ভাগ পাটকলগুলোও একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে খুলনার উল্লেখযোগ্য শিল্প হল বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা রপ্তানীযোগ্য মাছ শিল্প। খুলনাকে এক সময় বলা হত রুপালি শহর। এর কারন এই এলাকাতে প্রচুর পরিমান চিংড়ী উৎপাদন করা হত। এখনও হয়, যদিও কিছুটা কমে গেছে। আপনি খুলনার দৌলতপুরের মহসিন মোড় থেকে যতই ভিতরের দিকে যেতে থাকবেন ততই দেখতে থাকবেন রাস্তার দূ ধার দিয়ে শুধু বিল আর মাছের ঘের। এসব ঘেরে সাদা মাছের সাথে চাষ হয় প্রচুর চিংড়ী। রাস্তাঘাট খুলনার রাস্তাঘাট মোটামুটি ভাল এবং অনেক প্রসস্থ। এই শহরটি যানজট এর হাতে এখনও পড়েনি। তবে খুলনা থেকে যশোর যেতে আপনাকে একটু সমস্যা পোহাতে হবে। এদিকের রাস্তাঘাট অনেক বেশিই খারাপ। শিল্প কল কারখানা গুলো ফুলতলায় গড়ে ওঠায় এই রাস্তাটি বেশ ভাঙাচোরা। খুলনার দর্শনীয় স্থান সমূহ খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর, খানজাহান আলী সেতু, জাহানাবাদ বনবিলাস চিড়িয়াখানা ও শিশু পার্ক, শহীদ হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ পার্ক, প্রেম কানন, কবি কৃষ্ঞচন্দ্র ইন্সটিটিউট, দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স, গল্লামারী স্মৃতিসৌধ ও বদ্ধভূমি, বীরশ্রষ্ঠ রুহুল আমিনের মাজার, জাতিসংঘ পার্ক ০২. বাগেরহাট : http://www.dcbagerhat.gov.bd/ ০৩. চুয়াডাঙ্গা : http://www.dcchuadanga.gov.bd/ ০৪. কুষ্টিয়া : http://www.dckushtia.gov.bd/ ০৫. যশোর : http://www.dcjessore.gov.bd/ যশোর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল। এর অন্য একটি প্রচলিত বানান যশোহর। ব্রিটিশ আমলে খুলনা ছিল যশোর জেলার অধিভুক্ত একটি মহুকুমা। পরিচ্ছেদসমূহ ১ ভৌগোলিক সীমানা, ২ প্রশাসনিক এলাকাসমূহ, ৩ ইতিহাস, ৪ অর্থনীতি, ৫ বেনাপোল স্থল বন্দর, ৬ চিত্তাকর্ষক স্থান, ৭ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ, ৮ আরও দেখুন, ৯ তথ্যসূত্র, ১০ বহিঃসংযোগ ভৌগোলিক সীমানা উত্তরে ঝিনাইদহ জেলা, দক্ষিণ পূর্বে সাতক্ষীরা, দক্ষিণে খুলনা, পশ্চিমে ভারত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ এ জেলায় ৮টি উপজেলা রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি পুলিশ থানা রয়েছে। যশোর সদর উপজেলা, অভয়নগর উপজেলা, কেশবপুর উপজেলা, চৌগাছা উপজেলা, ঝিকরগাছা উপজেলা, বাঘারপাড়া উপজেলা, মনিরামপুর উপজেলা, শার্শা উপজেলা ইতিহাস যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরীয়রা ভৈরব নদের তীরে এক সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে। আনুমানিক ১৪৫০ খ্রীস্টাব্দের দিকে পীর খান জাহান আলী সহ বারজন আউলিয়া যশোরের মুড়লীতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রধান কেন্দ্র স্থাপন করেন। ক্রমে এ স্থানে মুড়লী কসবা নামে একটি নতুন শহর গড়ে উঠে। ১৫৫৫ খ্রীস্টাব্দের দিকে যশোর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। যশোর-খুলনা-বনগাঁ এবং কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের অংশ বিশেষ যশোর রাজ্যের অন্তভুর্ক্ত ছিলো। ১৭৮১ খৃষ্টাব্দে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এটিই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জেলা। ১৮৬৪ সালে ঘোষিত হয় যশোর পৌরসভা। ১৮৩৮ খৃষ্টাব্দে যশোর জিলা স্কুল, ১৮৫৪ খৃষ্টাব্দে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি, বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে যশোর বিমান বন্দর এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে কলকাতার সাথে যশোরের রেল-যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলাটি যশোর। অর্থনীতি বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে যশোর এমন একটি জেলা যেটি শুধু অর্থনীতিই নয় বরং ২টি জেলার মধ্যে একটি যে সকল দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চিত্তাকর্ষক স্থান সাগরদাড়ী, কবি মধুসুদনের বাড়ি, কেশবপুরের হনুমান গ্রাম, পাঁচ পুকুর বাগআঁচড়া, বিনোদিয়া পার্ক, জেস গার্ডেন পার্ক, রাজগঞ্জ বাওড়, ভবদহ বিল, গাজীর দর গাহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কবি ফররুখ আহমদ, কবি গোলাম মোসতফা, কবি আবুল হোসেন, খান বাহাদুর মওলানা আহমদ আলী, শিল্পপতি আকিজ উদ্দিন, ভারতীয় শিল্পী শান ০৬. ঝিনাইদহ : http://www.dcjhenaidah.gov.bd/ ০৭. মাগুরা : http://www.dcmagura.gov.bd/ ০৮. মেহেরপুর : http://www.dcmeherpur.gov.bd/ ০৯. নড়াইল : http://www.dcnarail.gov.bd/ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : নড়াইল সদর, লোহাগড়া, কালিয়া, নড়াগাতি উপজেলা আয়তন (বর্গ কিমি) ৯৯০ জনসংখ্যা মোট : ৬,৮৯,০২১, পুরুষ:৫৪.২২%, মহিলা: ৪৫.৭৮% ইতিহাস : বর্তমানে নড়াইল একটি জেলা শহর। ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ মাসে তৎকালীন মহকুমা হতে জেলা হিসেবে ¯^xKwZ লাভ করে। এই জেলার উত্তরে মাগুরা জেলার শালিখা ও মহম্মদপুর থানা, দক্ষিণে খুলনা জেলার তেরখাদা, দীঘলিয়া ও মোল্লার হাট, পূর্বে ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং পশ্চিমে যশোর জেলার অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও কোতয়ালী থানা অবস্থিত। নড়াইল জেলার আয়তন ৯৭৬ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৬৫৯৬৮১ এর মধ্যে ৩৩৩৮১৬ জন পুরুষ ও ৩২৫৮৬৫ জন মহিলা। নড়াইলকে মোটামুটি নদী সমৃদ্ধ অঞ্চল বলা যায়। এই জেলার উপর দিয়ে মধুমতি, চিত্রা, কাজলা, নলিয়া, নড়াগাতি, নবগঙ্গা, কালিগঙ্গা ও আঠারবাঁকি ছাড়াও শিরোমনি শাখার গাল ও হ্যালিক্যাকস ক্যানেল প্রবাহিত ছিল। তন্মধ্যে ৩/৪ টি নদী মৃত বলা চলে, অপর ৮/৭টি নদী এখন প্রবাহমান। ভূতাত্বিকদের মতানুসারে আনুমানিক দশ লক্ষ বৎসর পূর্বে গঙ্গা নদীর পলিমাটি দ্বারা যে গঙ্গেয় ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছিলো’ সেই দ্বীপসমূহের অন্তর্গত এক ভূখন্ডই হল বর্তমান নড়াইল জেলা। তৎকালে নড়াইল জেলা সাগর তীরবর্তী বর্তমান সুন্দরবনের অন্তর্ভূক্ত ছিল। ষাট, সত্তর বৎসর পূর্বেও এই জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে পুকুর বা কুয়া খনন করে হরিণ, বাঘ ও অন্যান্য জীবজন্তুর ফসিল পাওয়া যেত এবং তা থেকে প্রমাণিত যে নদীমাতৃক এই জেলার সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনভূমি বিস্তৃত ছিলো। ইতিহাস অনুযায়ী জানা যায় যে গুপ্ত যুগে নড়াইল অঞ্চলের পূর্ব সীমান্ত মধুমতি নদী পর্যন্ত, সমগ্র যশোর সহ গুপ্ত সম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল এবং ইহা ৩৪০ হতে ৩৭৫ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিলো। রাজা শাশাঙ্ক ৬০০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন এবং তার রাজধানী ছিল কর্ণ সুবর্ণ নগর মতান্তরে লক্ষণাবর্তী। অতঃপর সম্রাট হর্ষ বর্ধন শশাঙ্ককে পরাজিত করে এই অঞ্চলকে তারা করায়ত্ত করেন। অতএব বলা যায় যে বৃহত্তর যশোরসহ নড়াইল জেলা শশাঙ্গ ও হর্যবর্ধন রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল। আনুমানিক দেড়শত বৎসর নড়াইল জেলা অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র f~-¯^vgx বাহুবলে শাশিত হয়েছিল বলে জানা যায়। শুধু এই অঞ্চলই নয় সমগ্র বাংলাদেশই এরূপ দু’জন রাজা ছিলেন নয়াবাড়ীর পাতালভেদী রাজা এবং উজিরপুর কশিয়াড়ার রাজা। পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে পাল বংশ দ্বারা শসিত হয়। পাল বংশের পতনের কর্ণাটক হতে আগত সেন রাজাদের রাজত্য কায়েম হয়। ১২০০ খ্রীষ্টাব্দে তুর্কি সেনা নায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজীর বাংলাদেশ অধিকারের ফলে রাজা লক্ষণ সোনের রাজত্বকাল সমাপ্তি ঘটতে থাকে। এরপর আসে মুসলিম শাসনামল। তখন, বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় পর্যায়ক্রমে ৩৭ বৎসর পাঠান আমল এবং অতঃপর প্রায় দুইশত বৎসর ¯^vaxb সুলতানী আমল বিরাজমান ছিল। ইংরেজ আমলে ১৭৮৬ সালে যাশোর একটি জেলা রূপে ¯^xK…wZ পায়। তখন নড়াইলের পূর্বাঞ্চল ব্যতীত সমগ্র বৃহত্তর যশোর সহ বৃহত্তর খুলনা জেলা যশোরের অন্তর্গত ছিল। ১৯৯৩ সালে নলদী পরগণা সহ ভূষণা ফরিদপুর জেলার পশ্চিমাঞ্চল যশোরের অন্তর্ভূক্ত হয়। ১৮৪২ সালে খুলনাকে পৃথক মহকুমায় পরিণত করে নড়াইলের কালিয়া থানার দক্ষিণাঞ্চল তার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮৬১ সালে নীল বিদ্রোহের সময় নড়াইল একটি পৃথক মহকুমা স্থাপিত হয়। মহকুমা সদরের স্থান নির্বাচনের জন্য মহিষখোলা মৌজার নড়াইল মহকুমার সদরকেই বেছে নেয়া হয়। প্রকৃত নড়াইল মৌজা শহর হতে ৩ কিলোমিটার দূরে যেখানে নড়াইলের জমিদারদের প্রসাদ অবস্থিত ছিলো এবং অপরদিকে মহকুমা প্রশাসকের বাসভবনই নীলকরদের কুঠিবাড়ী ছিল। ১৯০১ সালের শুমারী অনুযায়ী নড়াইল মহকুমা-নড়াইল, বড় কালিয়া, লোহাগড়া থানা mgš^‡q গঠিত যার লোক সংখ্যা ছিলো ৩৫২২৮৯ জন। ১৯৩৯ সালের তথ্যে জানা যায় যে, সাবেক যশোরের পাঁচটি মহকুমার পূবাঞ্চলের একটি সমৃদ্ধশালী মহকুমা ছিল নড়াইল। ১৯৩৫ সালে সীমানা পূর্ণগঠনের প্রেক্ষিতে বিদালী, পোড়ালী ও শেখহাটি ইউনিয়নকে নড়াইল থানার সাথে এবং পোড়লী ইউনিয়নকে কালিয়া থানার সাথে সংযুক্ত করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর লোহাগড়া, কালিয়া, আলফাড়াঙ্গা ও নড়াইল এই চারটি থানা mgš^‡q নাড়াইল মহকুমা অবশিষ্ট থাকে। ১৯৬০ সালে আবার আলফাডাঙ্গা নাড়াইল হতে বিছিন্ন করে ফরিদপুরের সঙ্গে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এইভাবে বিভিন্ন সময় নড়াইলের ভৌগোলিক সীমারেখা সংকুচিত করা হয়েছে। বর্তমানে ৪টি থানা mgš^‡q নড়াইল জেলা গঠিত- লোহাগড়া, কালিয়া, নড়াগাতি ও নড়াইল সদর। ১৯৪৮ সালে ১লা মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে নড়াইলকে জেলা হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলেও অনেক সংগ্রাম, হরতাল, সমাবেশ ও অনশন ধর্মঘটের ফলশ্রুতিতে ১৯৮৪ সালের ১লা জুলাই নাড়াইলকে পূণাঙ্গ জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে নড়াইল জেলার বিশেষ বৈশিষ্টের অধিকারী। যেমন জেলার শিক্ষিতের হার ২৯% যেখানে দেশের শিক্ষিতের হার ২৪%। জেলার ১টি সরকারী ও ১টি মাহিলা কলেজ সহ মোট ৬টি কলেজ বিদ্যমান। ৭৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২টি সরকারী, ৯টি বালিকা ও জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭টি। এছাড়াও ১টি মহিলা মাদ্রাসা ও ১টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল প্রায় দেড় ডজন স্থাপনা। তন্মধ্যে, রায়ত্তামের জোড়া বাংলা, নলদী গাজীর দরগাহ, পাতালবেদী রাজার বাড়ী লোহাগড়া প্রাচীন জোড় বাংলা, রাজা কেশব রয়ের বাড়ী, লক্ষ্মীপাশা কালীবাড়ী অন্যতম। এইসঙ্গে ছিলো নড়াইলের কিংবদন্তীসম ফকির দরবেশ ও ধর্মপ্রচারকদের নাম উল্লেখযোগ্য যোমন- ফকির ওসমান, সাধক লেংটা শাহ, বুড়ো দেওয়ান, গঙ্গাধর পাগল অন্যতম। নড়াইলের বিভিন্নস্থনে চারজন জমিদার ছিল, যেমন নড়াইলের জমিদার হাটবাড়ীয়ার জমিদার কালাড়া ও নলদীর জমিদার, এছাড়াও এদের অধীন ৭ জন তালুকদার বা ছোট জমিদার দিন। নীলচাষ আমলে সমস্ত নড়াইলে প্রায় ২০টির মত নীল সাহেবদের কুঠিবাড়ী ছিল। সমস্ত জেলার প্রায় দেড়শত গ্রাম ও জনপদ নিয়ে গঠিত। নড়াইল জেলায় রয়েছে প্রায় দুইশত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, Z‡š^‡a¨ বিশেষ খ্যাতি সম্পন্ন ৭জনের নাম অন্তর্জাতিকভাবে ¯^xK…Z, যেমন – সৈয়দ নওশের আলী- ফজলুল হক মন্ত্রী সভার মন্ত্রী, এস এম সুলতান- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কিংবদন্তীসম শিল্পী, উদয় শঙ্কর- ভূবনখ্যাত শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী, পন্ডিত রবিশঙ্কর- আন্তজর্তিক খ্যাতিসম্পন্ন সেতার শিল্পী, চারণ কবি মোসলেমউদ্দিন – ১৩০০ সালের রচয়িতা, কবিয়াল বিজয় সরকার – শ্রেষ্ঠ কবি গায়ক, ডাঃ নিহার রঞ্জন গুপ্ত- প্রায় ৫০টি উপন্যাসের লেখক, নূর জালাল – তেভাগা আন্দোলনোর মধ্যমনি, কমলদাশগুপ্ত – নজরুল সঙ্গীততের নির্ধারিত সুরকার ও অমলকৃষ্ণ সোম প্রাখ্যাত মঞ্চাভিনেতা ১০০ টির মতো মঞ্চ নাটক করেছেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মুহাম্মদ – ১৯৭১ এর সম্মুখসমরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০, কলেজ : ১৫, মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৯৪, মাদ্রাসা : ৮৫ শিক্ষার হার : ৩৫.৬ % বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব : এস এম সুলতান প্রধান শস্য : ধান, পাট, গম রপ্তানী পণ্য : নারিকেল, পান, চিংড়ি চিত্তাকর্ষক স্থান : নিরিবিলি পিকনিক কর্নার(লোহাগড়া), চিত্রা রিসোর্ট, নড়াইল(চিত্রানদীর পাড়ে), চিত্রশিল্পী এস,এম,সুলতান এর বাড়ী, স্বপ্ন বীথি(পিকনিক কর্নার) কচু বাড়িয়া লোহাগড়া ১০. সাতক্ষীরা : http://www.dcsatkhira.gov.bd/ সিলেট বিভাগ ০১. সিলেট সদর : http://www.dcsylhet.gov.bd/ সিলেট সদর বাংলাদেশের সিলেট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। জনসংখ্যা ৪৯৩৭৮৪; পুরুষ ২৬৬৭০১, মহিলা ২২৭০৮৩। মুসলিম ৪৪১৫৩৯, হিন্দু ৫০৯১৯, বৌদ্ধ ৭১৭, খ্রিস্টান ২৩৯ এবং অন্যান্য ৩৭০। এ উপজেলায় খাসিয়া ও মনিপুরী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। জলাশয় প্রধান নদী: সুরমা, কুশিয়ারা, সিংড়া। ডবু বিল, বাগোলা বিল ও পাতামোড়া বিল উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন সিলেট সদর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৪ সালে। ০২. মৌলভীবাজার : http://www.dcmoulvibazar.gov.bd/ ০৩. হবিগঞ্জ : http://www.dchabiganj.gov.bd/ ০৪. সুনামগঞ্জ : http://www.dcsunamganj.gov.bd/ বরিশাল বিভাগ ০১. বরিশাল সদর : http://www.dcbarisal.gov.bd/ বরিশাল সদর উপজেলা (বরিশাল জেলা) আয়তন: ৩১৭.৬০ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২২°৩৭´ থেকে ২২°৪৩´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°১৬´ থেকে ৯০°৩২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে বাবুগঞ্জ, মুলাদি এবং মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে বাকেরগঞ্জ এবং নলছিটি উপজেলা, পূর্বে মেহেন্দীগঞ্জ এবং ভোলা সদর উপজেলা, পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর এবং নলছিটি উপজেলা। অবস্থান : উত্তরে বাবুগঞ্জ উপজেলা ও মুলাদি উপজেলা, পূর্বে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে নলছিটি উপজেলা ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা এবং পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর উপজেলা। প্রশাসনিক এলাকা এই উপজেলার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে – কাশিপুর ইউনিয়ন, চাঁদপুরা ইউনিয়ন, চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন, চর কাউয়া ইউনিয়ন, চর বাড়ীয়া ইউনিয়ন, চর মোনাই ইউনিয়ন, জাগুয়া ইউনিয়ন, টুঙ্গিবাড়ীয়া ইউনিয়ন, রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন এবং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন জনসংখ্যা ৪৬৩০৩২; পুরুষ ২৪৩২৯০, মহিলা ২১৯৭৪২। মুসলিম ৪২৩৬১৯, হিন্দু ৩৫৮১০, বৌদ্ধ ৩০৪৪, খ্রিস্টান ১৬২ এবং অন্যান্য ৩৯৭। জলাশয় কীর্তনখোলা, কালিজিরা, বরিশাল, নয়াভাঙ্গা, তেঁতুলিয়া নদী উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন ১৯২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি বরিশাল থানা গঠিত হয়। পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৫৭ সালে এবং সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয় ২০০০ সালে। ০২. বরগুনা : http://www.dcbarguna.gov.bd/ ০৩. ভোলা : http://www.dcbhola.gov.bd/ ০৪. ঝালকাঠি : http://www.dcjhalakathi.gov.bd/ ০৫. পটুয়াখালী : http://www.dcpatuakhali.gov.bd/ ০৬. ফিরোজপুর : http://www.dcpirojpur.gov.bd/
নোয়াখালী জেলা প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব
শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনবীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৩৪ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলাধীন বাগপাচরা গ্রামে (বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলা) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ আযহার মিয়া এবং মাতার নাম মোসাম্মৎ জুলেখা খাতুন।শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৫১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান নৌ-বাহিনীতে একজন নাবিক হিসেবে যোগদান করেন। ২৫ মার্চের বর্বরোচিত হামলার পর তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানির নির্দেশে ভারত থেকে প্রাপ্ত নৌ জাহাজ বি.এন.এস পলাশে যোগ দেন। পরবর্তীতে বি.এন.এস পদ্মা নৌ-জাহারের ইঞ্জিন রুম আর্টি ফিশার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। এ জাহাজেই দায়িত্ব পালন কালে ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর বিমান হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে শাহাদাৎ বরণ করেন।তাঁর অসম সাহসিকতা, দক্ষতা, রণচাতুর্য সর্বোপরি স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার ওবায়েদ উল্যাইংরেজ শাসিত ভারতবর্ষে অবিভক্ত বাংলার প্রথম মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার ওবায়েদ উল্যা ১৮৭৬ সনে নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন সল্লাঘটিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুন্সি রমজান আলী এবং মাতার নাম জামিলা খাতুন। তিনি ১৯১০ সালে বরিশলাল জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, শিবপুর মাইনিং কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বি.এসসি ডিগ্রী লাভ করেন।শিক্ষা জীবন শেষে প্রথমে তিনি ভূপালে ভারতের সুপ্রসিদ্ধ শাতয়ালেস কোম্পানীতে চাকুরী নিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। একজন খনিজ প্রকৌশলী হিসেবে সমগ্র ভারতবর্ষে তার সাফল্যের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। আল্লাহ পাক তার এমন প্রতিভা দিয়েছিলেন যে, তিনি মাটি পরীক্ষা করে বলে দিতে পারতেন কোথায় আছে কিসের খনি। তাঁর সাফল্যের সংবাদ শুনে ১৯১৯ সালের দিকে আফগান বাদশাহ আমানুল্লাহ তাঁকে উচ্চতর বেতন দিয়ে তার দেশে নিয়ে যান। সে সেদেশে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বাদশাহ আমানুল্লাহ সিংহাসন ত্যাগ করলে ১৯২৯ সালে ওবায়েদ উল্যাহ নোয়াখালী চলে আসেন।নোয়াখালী ফিরে তিনি মেঘনার করাল গ্রাস থেকে মোঘল আমলের তৈরি নোয়াখালী পুরাতন শহরের স্থাপত্য নিদর্শন ও সরকারী বাস ভবন ইত্যাদি রক্ষার জন্য তৎকালীন বৃটিশ শাসিত কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট একটি পরিকল্পনা দাখিল করেন। কিন্তূ ভারতের কেন্দ্রীয় প্রধান প্রকৌশলী স্যার এডওয়েস তাঁর প্রস্তাব বিবেচনা না করায় তিনি শূন্য হাতে শিমলা থেকে দেশে ফিরে আসেন। স্বীয় কর্ম পরিকল্পনার উপর পরিপূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রেখে প্রায় ৫ সহশ্রাধিক শ্রমিককে মাটি ভরাটের কাজে লাগিয়ে ১৯৩০ সালের ৩০শে জানুয়ারি নদীতে বাঁধ দিয়ে এক অবিশ্বাস্য ঘটনার অবতারণা করেন, যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। মানুষের ইচ্ছে এবং ত্যাগের দ্বারা যে অসাধ্যকে সাধন করা সম্ভব তা দেখালেন মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার ওবায়েদ উল্যা। অবশ্য পরবর্তিতে তাঁর সেই বাঁধ প্রভাবশালী কুচক্রী মহল কেটে ফেললে নদীর উত্তাল স্রোতে শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী শহর নদী ভাঙ্গনের স্বীকার হয়ে ১৯৪৯ সালে মাইজদীতে স্থানান্তরিত হয়। তবুও জেলার উপকূলীয় অঞ্চলের চতুর্দিকে নির্মিত বর্তমান যে বেড়ি বাঁধের উপকারিতা পাওয়া যাচ্ছে তা মরহুম ওবায়েদ উল্যা ইঞ্জিনিয়ার সাহেবেরই অবদান।বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার আশীর্বাদ ক্ষণজন্মা এ মহাপুরতষ নোয়াখালী পৌর সভার চেয়ারম্যান এবং জিলা বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৬০ বৎসর বয়সে ইন্তেকাল করেন। আবদুল মালেক উকিলনোয়াখালী জেলার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞ আইনজীবী মরহুম আবদুল মালেক উকিল নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম মাওলানা মোহাম্মদ মুন্সী চান্দ মিয়া ও মায়ের নাম মরহুমা নুরুননেছা।১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে বিএ ও এম এ ডিগ্রী লাভ করেন এবং ১৯৫২ সালে এল এল বি ডিগ্রী লাভ করেন। কর্ম জীবনের শুরুতেই তিনি ১৯৫২ সালে নোয়াখালী বারে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন এবং পরে ১৯৬৪ সালে ঢাকা হাইকোর্টে যোগ দেন। তিনি ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে বাংলা, বিহার ও আসামে প্রচারকার্যে অংশ নেন। তিনি মহান ভাষা আন্দোলনের সাথে ছিলেন ঘনিষ্ঠ। আন্দোলনের কারণে তাঁকে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ এবং ১৯৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি কারা জীবন যাপন করতে হয়। তিনি ১৯৫৩ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৫৬ সালে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের নোয়াখালী উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে পূনরায় প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে সর্বসম্মতিত্রুমে গণপরিষদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৃতীয়বারের মত প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন। পকিস্তানের লাহোর শহরে গুলবার্গে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলনে জনাব মালেক উকিল সভাপতিত্ব করেন। উক্ত সম্মেলনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলার মানুষের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা কর্মসূচি প্রথম উপস্থাপন করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে মরহুম আবদুল মালেক উকিল সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য আওয়ামী সংসদীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বের অনেক দেশ সফর করেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জনাব মালেক উকিল ১৯৭৩ ও ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত সদস্য হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীন দেশের প্রথম মন্ত্রীসভায় তিনি স্বাস্থ্য্ ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীএবং পরবর্তীতে জাতীয় সংসদের স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের পর আওয়ামী লীগের দুর্দিনে তিনি দলের কান্ডারী হয়ে দলকে সুগঠিত করেন এবং ১৯৭৮ সালে তিনি দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালের ১৮ অক্টোবর তিনি ইন্তেকাল করেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি ব্যারিস্টার বদরুল হায়দার চৌধুরীঃবাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি ব্যারিস্টার বদরুল হায়দার চৌধুরী নোয়াখালী সুধারাম থানাধীন নুরসোনাপুর গ্রামে ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মরহুম খান বাহাদুর মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী। তিনি ১৯৪৯ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ.পাশ করার পর ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি ডিগ্রী নেন।১৯৫৫ সালে লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারী পাশ করে ঢাকা হাইকোর্টের বারে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে তিনি হাইকোর্টের বিচারক হন এবং ১৯৭৮ সালে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক পদে পদোন্নতি পান। ১৯৯০ সালে তিনি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।দেশের কৃতি সন্তান সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ সালে ৭৪ বৎসর বয়সে ইন্তেকাল করেন। রফিক উল্যা চৌধুরীরফিক উল্যা চৌধুরী ১৯৩৭ সালের ৮ মে নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন পাঁচগাও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম হাজী ফজলুর রহমান এবং মাতার নাম জাহিদা খাতুন। ১৯৫৮ সালে অনার্সসহ ইতিহাস বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এম.এ. পাশ করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য হতে উচ্চতর প্রশাসন বিভাগে এম.এস ডিগ্রী লাভ করেন।শিক্ষা জীবন শেষে একজন সরকারী কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৬০ সালে নেত্রকোনার মহকুমা হাকিম, ঢাকার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এবং অতিরিক্ত জেলা জজ এর দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর সচিব, পর্যটন সংস্থার চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ স্টাফ কলেজের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৫৪-১৯৫৯ পর্যমত তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে এক অনন্য ভূমিকা পালন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর একজন ঘনিষ্ঠ ভক্ত হওয়ার কারণে তিনি তাঁর একান্ত সচিব হওয়ার বিরল সুযোগ লাভ করেছিলেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী এ.এন.এম. মুনীর চৌধুরী শহীদ বুদ্ধিজীবী এ.এন.এম.মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিধর ভাস্কর এবং দক্ষ কারুকার। তিনি ১৯২৫ সালের ২৭শে নভেম্বর ঢাকা জিলার মানিকগঞ্জে পিতার কর্মস্থলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে।তিনি ১৯৪৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে বি.এ অনার্স এবং ১৯৪৭ সালে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫০ সালে তিনি প্রথমে জগন্নাথ কলেজে এবং পরে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ইংরেজী বিভাগে অধ্যাপনার দায়িত্বে যোগদান করেন। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য আমেরিকায় যান এবং সেখানকার হাভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৫৮ সাথে ভাষাতত্ত্বে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি ইংরেজী ও বাংলা সাহিত্যের জন্য বিশেষ অবদান রাখেন। ১৯৬২ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে "রিডার'' পদে অধিষ্ঠিত করেন।বাংলা সাহিত্যে তাঁর বহু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২), চিঠি (১৯৬৬) দন্ড কারণ্য (১৯৫৬), পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য (১৯৬৯), অনুবাদ নাটকঃ কেউ কিছু বলতে পারে না (১৯৬৭), রূপার কৌটা (১৬৯), মুখরা রমণী বশীকরণ (১৯৭০)। প্রবন্ধ গ্রন্থঃ ড্রাইডেন ও ডি এল রায় (১৯৬৩), মীর মানস (১৯৬৫) তুলনামূলক সমালোচনা (১৯৬৯), বাংলা গদ্যরীতি (১৯৭০) অন্যতম। তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং ১৯৬৫ সালে দাউদ পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ছিলেন বাংলা মুদ্রাক্ষর লিপির উদ্ভাবক। বাংলা একাডেমী এ টাইপ রাইটারের নামকরণ করেছেন অপটিমা মুনীর।১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে মুনীর চৌধুরীকে ঘাতক বাহিনী ধরে নিয়ে যায় এবং তিনি তাদের হাতে শহীদ হন। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকঃযে বীর বাঙ্গালির মহান আত্মত্যাগের ফলে ঊনসত্তরের গণআন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে এবং যা শেষ পর্যন্ত মহা মুক্তিযুদ্ধের রূপ নেয় তাদের মধ্যে সার্জেন্ট জহুরুল হক অন্যতম। সার্জেন্ট জহুরুল হক বাঙ্গালির স্বাধীনতার প্রতীক, বীরত্বের প্রতীক, মহান ত্যাগের প্রতীক।পাকিস্তানী শাসকচক্ষু এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার চিরতরে নস্যাৎ করার জন্য বাঙ্গালির নিজস্ব সত্ত্বাকে ধ্বংস করার জন্য কতিপয় নেতৃসহানীয় বাঙ্গালির বিরুদ্ধে এনেছিল একটি যড়যন্ত্র মামলা -ইতিহাসে তা কুখ্যাত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে ৬ দফা এবং ১১ দফা আদায়ের মাধ্যমে বাংলার বুকে শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত প্রতিটি বাঙ্গালি যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছিল এবং প্রস্তুতি নিচ্ছিল ঠিক তখনই জাতীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আনা হয় এ মামলা। এ মামলা ছিল তখন বাঙ্গালি জাতি সত্ত্বার প্রতি এক বিরাট চ্যালেঞ্জ স্বরূপ। এ ষড়যন্ত্র মামলা যদি পাকিস্তানীদের অনুকূলে যেত তাহলে আজ বাঙ্গালি জাতির জীবন প্রবাহ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতো। বিশ্বের মানচিত্রে হয়তো বাংলাদেশ নামে কোন দেশের অস্তিত্ব থাকতো না। কিন্তু বাংলার মানুষ সেটি হতে দেয়নি। পাকিস্তানী কারাগারে আটক থেকেও সার্জেন্ট জহুরুল হক আপোষ করেননি, বরং পাক বাহিনীর রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে বুক পেতে বুলেট বরণ করেছেন। ১৯৬৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসে পাকিস্তানী সৈন্যের গুলিতে শহীদ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন সার্জেন্ট জহুরুল হক।সার্জেন্ট জহুরুল হক ১৯৩৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারী নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন সোনাপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন। ছাত্রাবস্থাতেই তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ছিলেন একজন কৃতি ক্রীড়াবিদ ও চিত্র শিল্পী। তাঁর অঙ্কিত অনেক শিল্পকর্ম ঢাকায় জাতীয় যাদুঘরে মর্যাদার সাথে সংরক্ষিত আছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ইকবাল হলের নাম পরিবর্তন করে "সার্জেন্ট জহুরুল হক হল" রাখা হয়েছে।
Sunday, August 13, 2017
Subscribe to:
Posts (Atom)













