বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। চাঁদপুরের মামুন বাহরাইন জেল থেকে মুক্তি । আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ'র রহমতে দীর্ঘ প্রতিক্ষার প্রতিকুলতা...
Wednesday, September 18, 2019
Wednesday, September 11, 2019
★★★ব্রেকিং নিউজ ★★★
সকল অবৈধ প্রবাসীদের জরিমানা ছাড়া বৈধ হওয়ার সুযোগ করে দিলেন বাহরাইন সরকার বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সুখবর জানতে হলে ভিডিওতে ক্লিক করুন। ...
Wednesday, September 4, 2019
ছয়ানী প্রবাসি সামাজ কল্যান পাউন্ডেশন এর ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার একমাত্র ব্যক্তিরা
বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ছয়ানী প্রবাসি সামাজ কল্যান পাউন্ডেশন এর ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার একমাত্র ব্যক্তিরা পাউন্ডেশনের কমিটি।...
Tuesday, September 3, 2019
নোয়াখালী ছয়ানীর শিশু এমরান (৮) হত্যার আসামি গ্রেপ্তার।
নোয়াখালী ছয়ানীর শিশু এমরান (৮) হত্যার আসামি গ্রেপ্তার। ছয়ানী প্রবাসি সমাজ কল্যান পাউন্ডেশন এর পক্ষ হইতে ধন্যবাদ জানাই আমাদের নোয়াখা...
Friday, August 23, 2019
বাহরাইন বাংলাদেশী ঔষুধের ভয়াবহতার শিকার বাংলাদেশি প্রবাসি চাঁদপুরের মামুন। মামুন।
বাহরাইন বাংলাদেশী ঔষুধের ভয়াবহতার শিকার বাংলাদেশি প্রবাসি চাঁদপুরের মামুন। বাহরাইনে অবস্থিত চাঁদপুর জেলা পরিষদের সন্মানিত সদস্য জনাব ম...
Sunday, August 11, 2019
ঈদ মোবারক ও আন্তরিক অভিনন্দন
অথৈ কম্পিউটার অনলাইন নোয়াখালীর পক্ষ হইতে সকল প্রবাসী ও বাংলাদেশীদেরকে জানাই ঈদ মোবারক ও আন্তরিক অভিনন্দন।
Friday, August 9, 2019
কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কারনগুলি জানুন !
কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কারনগুলি জানুন ! Alamgir-Du কম্পিউটার ব্যবহার করতে কে না ভালোবাসে। ছোট-বড় সবাই কম...
Wednesday, August 7, 2019
Poor students for computer training institutes.
Poor students for computer training institutes.
Saturday, August 3, 2019
Request for help for a sick person who is on fire.
Request for help for a sick person who is on fire. <iframe src='https://gogetfunding.com/embed-widget?campaignid=6228389&frame_...
Request for help for a sick person who is on fire. | Medical Expense Fundraising with GoGetFunding
Request for help for a sick person who is on fire. | Medical Expense Fundraising with GoGetFunding
Poor students for computer training institutes. | Education & School Fundraising Page with GoGetFunding
Poor students for computer training institutes. | Education & School Fundraising Page with GoGetFunding <div><iframe src=...
Friday, May 31, 2019
নোয়াখালী ছয়ানী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬ জন প্রেসিডেন্ট স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।
এবারে আমাদের নোয়াখালী ছয়ানী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬ জন প্রেসিডেন্ট স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।
Thursday, May 30, 2019
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে বাহরাইন সালমানিয়া হাসপাতাল অসুস্থ বাংলাদেশী রুগীকে সাহায্য প্রদান
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে বাহরাইন সালমানিয়া হাসপাতাল অসুস্থ বাংলাদেশী রুগীকে সাহায্য প্রদান প্রতিদিনের মতো আজও সালমানিয়া হস...
বাহরাইন বাংলাদেশীদের জন্য জরুরী নেটিশ
বাহরাইন বাংলাদেশীদের জন্য জরুরী নেটিশ বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাহরাইনে অবস্থানরত কোন শ্রমিক, রাস্তায়...
বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা পরিষদ এর পক্ষ থেকে দূতাবাসে চেক প্রধান
বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা পরিষদ , এর পক্ষ থেকে চেক প্রধান করা হলো , বাহরাইন বাংলাদেশ দূতাবাসে , বাহরাইন বসবাসরত বাংলাদেশী রুগিদের জন্য...
Sunday, May 26, 2019
নোয়াখালী বেগমগঞ্জ ছয়ানী ইউনীয়নে দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ
নোয়াখালীতে দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের অভিযোগ www.bushraonlineit.tk নোয়াখালী বেগমগঞ্জ ছয়ানী ইউনীয়নে গণধর্ষণ গৃহবধূ প্রকাশ: ৭২ ঘণ্টা...
Saturday, April 27, 2019
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে চিত্রা ভিজিট chandpur zilla porishod bahrain.
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে চিত্রা ভিজিট chandpur zilla porishod bahrain. 26/04/2019 https://www.youtube.com/watch?v=omgdob90m2k ...
Friday, December 1, 2017
মাসের বিশেষ একটি দিন বা সময় আছে,
মাসের বিশেষ একটি দিন বা সময় আছে, যে সময় মহিলারা সহবাসের প্রতি বেশ আগ্রহী থাকে। মহিলাদের জন্য সময় টি যেমন প্রাণিদের সহবাসের জন্য বছরের ব...
ভালো মানুষ বলেই কষ্ট পাচ্ছেন বারবার?
ভালো মানুষ বলেই কষ্ট পাচ্ছেন বারবার? জেনে রাখুন মুক্তির উপায়! আজকালকার সমাজে যে ভালো মানুষের বিশেষ মূল্য নেই, এ কথা মোটামুটি সর্বজনবি...
খারাপ থেকে ভালো হওয়ার উপায় কি?
খারাপ থেকে ভালো হওয়ার উপায় কি? খারাপ থেকে ভালো হওয়ার জন্য প্রথম দরকার নিজের মনকে বুঝানো, ঠান্ডা মাথায় নিজের কাছে নিজে শপথ করা - যে কাজ...
একজন ভালো মানুষ হওয়ার সহজ সরল পদ্ধতি।
একজন ভালো মানুষ হওয়ার সহজ সরল পদ্ধতি। নিজেদের অবচেতন মনেই হয়তো আমরা এমন কিছু করে ফেলি, যা আদতে আমাদেরই ক্ষতি করে। রোজকার জীবনে বা ভাবনা-চ...
১০ টি প্রয়োজনীয় সুরা
১০ টি প্রয়োজনীয় সুরা ১. ইয়া আল্লাহুঃ-এই পবিত্র নামটি সব সময় পাঠ করলে মৃতুর পর কবরে এ নূর চমকাবে। ২. ইয়া সালামুঃ-...
Tuesday, November 28, 2017
ছয়ানী বাজার নোয়াখালী Bushra Online IT
যে দোয়া পাঠ করলে আল্লাহ পাক কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা করেন (ফজিলতসহ) কোন দোয়াটি পাঠ করলে মহান আল্লাহ পাক কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি দেবেন, আপনি জান...
Wednesday, September 6, 2017
ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা
ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা চারটি অক্ষরের সমন্বয় খুব ছোট একটি শব্দ ভ...
Tuesday, August 22, 2017
Friday, August 18, 2017
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্ল...
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয়
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয় কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয় ১. ইয়া আল্লাহুঃ-এই পবিত্র নামটি সব সময় পাঠ করলে মৃতুর পর কবরে এ নূর চমকাবে। ২. ইয়া স...
Wednesday, August 16, 2017
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায়
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায় ১. পর্যাপ্ত পানি পান দেখুনঃ খালি পেটে পানি পানের সুফল কিডনির সুস্থতায় শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই...
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে ‘‘জেলা তথ্য বাতায়ন‘‘ নামে ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে সরকার । নিচে প্রত...
ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা
Wednesday, September 18, 2019
চাঁদপুরের মামুন বাহরাইন জেল থেকে মুক্তি ।
চাঁদপুরের মামুন বাহরাইন জেল থেকে মুক্তি ।
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ'র রহমতে দীর্ঘ প্রতিক্ষার প্রতিকুলতার অবশান শেষে করে আজ একমাস পর বাহরাইন অবস্থিত চাঁদ পুর জেলা পরিষদের সদস্য জনাব মামুন হোসেন মুক্তি পেল, আল্লাহর দরবারে লক্ষ কুটি শুকরিয়া আদায় করি, সবাই মামুনের জন্য দোয়া করবেন। আসলে মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখন বুঝা যায়, বিপদে পড়া মানুষটি কতো অসোহায়। মামুন বিপদগামী হওয়ার সাথে সাথে
খবরটা যখন চাঁদপুর জেলা পরিষদের কাছে পৌঁছে তখন জেলা পরিষদের সভাপতি জনাব ওমর ফারুক ইমন সহ জনাব বেল্লাল হোসেন, জনাব শামীম, বাংলাদেশ এম্বাসির পাবলিক রিলেশনশিপ অফিসার জনাব তাজ উদ্দিন সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে। তখন তাজ উদ্দিন সাহেবের পরামর্শ হিসাবে উকিলের সাথে কথা বলে সিদ্দান্ত নেয় মামুনকে বিপদ থেকে মুক্ত করে জেলের বাহিরে নিয়ে আসবে। তাদের অক্লান্ত পরিস্রমের ফলাফল আজ ১৭/০৯/২০১৯ইং তারিখে আল্লাহ পাকের রহমতের ঈশারায় মামুনকে বাহরাইন জেল থেকে মুক্তি করে দিয়েছেন। আল্লাহ পাক অনেক দয়ালু। উল্লেখ্য মামুন গত ১৭/৮/২০১৯ তারিখ বাহরাইন এয়ারপোর্টে এরেস্ট হয়, অপরের উপকার করতে গিয়ে তাকে দীর্ঘ এক মাস জেল খাটতে হয়েছে, তার অপরাধ ছিল তার পাসের গ্রামের একজনের ঔষধ নিয়ে আসছে আর ঐ ঔষধের ভিতরে ঘুমের ঔষধ সিডিল টেবলেট ছিল, অতএব বাহরাইন সহ সকল প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশ্য বলছি সবাই সাবধানে ঔষধ নিয়ে আসবেন।
Wednesday, September 11, 2019
★★★ব্রেকিং নিউজ ★★★
সকল অবৈধ প্রবাসীদের জরিমানা ছাড়া বৈধ হওয়ার সুযোগ করে দিলেন বাহরাইন সরকার
বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সুখবর জানতে হলে ভিডিওতে ক্লিক করুন।
পলাতক "ফ্রি ভিসা" প্রবাসী শ্রমিকরা দণ্ডের মুখোমুখি না হয়ে ছাড়ের মেয়াদ অনুমোদিত হয়েছিল
runaway “free visa” expatriate workers a grace period without facing penalties was approved
https://www.facebook.com/chhayaniprobashifundation/videos/554619255160510/
Wednesday, September 4, 2019
ছয়ানী প্রবাসি সামাজ কল্যান পাউন্ডেশন এর ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার একমাত্র ব্যক্তিরা
Tuesday, September 3, 2019
নোয়াখালী ছয়ানীর শিশু এমরান (৮) হত্যার আসামি গ্রেপ্তার।
ছয়ানী প্রবাসি সমাজ কল্যান পাউন্ডেশন এর পক্ষ হইতে ধন্যবাদ জানাই আমাদের নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এবং বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গন ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এই ভাবে অভিযান ছালিয়ে বাকী আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য ইউনিয়নের সকল জনগণ প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্যে অনুরুধ করিতেছি।
Friday, August 23, 2019
বাহরাইন বাংলাদেশী ঔষুধের ভয়াবহতার শিকার বাংলাদেশি প্রবাসি চাঁদপুরের মামুন। মামুন।
বাহরাইনে অবস্থিত চাঁদপুর জেলা পরিষদের সন্মানিত সদস্য জনাব মামুন হোসেন, বিগত একমাস হয় বাংলাদেশে গিয়াছিলেন। উনি গত ১৮/০৮/২০১৯ইং তারিখে বাংলাদেশ থেকে আসার সময় উনার পরিছিত বিল্লাল নামের এক ভদ্রলোক মামুনকে দেশে ফোন করে বলে বিল্লালের বাড়ীতে গিয়ে তার জন্য কিছু ঔষুধ নিয়ে আনার জন্য। সেই নাকি বাহরাইনে অসুস্থ অবস্থায় আছে। মামুন এতো কিছু চিন্তা না করে বিল্লালের উপকারের কথা ভেবে ঔষুধ গুলু নিয়ে আসে। কিন্তু নিয়তির এমন পরিহাস, মামুন বাহরাইন ইয়ার ফোট আসার সাথে সাথে ইয়ার ফোটেরপুলিশ তাহার ব্যাগ চেক করে ঔষুধ গুলু পায়, ঔষুধ গুলুর সাথে ছিলো গুমের ঔষুধ। তখন বাহরাইন পুলিশ মামুনকে জেল হাজতে নিয়ে যায়। খবরটা যখন আমাদের চাঁদপুর জেলা পরিষদের কাছে আসে তখন জিলা পরিষদের সভাপতি জনাব ওমর ফারুক ইমন সাহেব সংগে সংগে বাহরাইন বাংলাদেশ এম্বাসির পাবলিক রিলেশনশিপ অফিসার জনাব তাজ উদ্দিন সাহেবকে অবগত করেন। তখন থেকে এপযন্ত তাজ উদ্দিন সাহেব ব্যপারটা তদারকি করিতেছেন। আমরা আশা ও দোয়া করি মামুন সাহেব অতি দ্রুত আমাদের মাঝে পিরে আসবেন। আমি সকল বাংলাদেশি ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে ছাই আপনারা যারা ছুটিতে বাংলাদেশে যাবেন, আসার সময় দয়া করে কারো জন্য ওষুধের কোনো প্যাকেট নিয়ে আসবেন না। আজ আমাদের জেলা পরিষদের সভাপতি জনাব ওমর ফারুক ইমন ভাই, মামুনদের দেশের বাড়ীতে গিয়াছেন। এবং মামুন সাহেবের বাবা, মা, বোন এবং পরিবারের সকলের সাথে দেখা করেন এবং সান্তনা দেন আমাদের চাঁদপুর জেলা পরিষদ বাহরাইন এর পক্ষ থকে।https://youtu.be/FOeGDT-mHhE
Sunday, August 11, 2019
Friday, August 9, 2019
কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কারনগুলি জানুন !
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।
- RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
- হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।
- ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।
- বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।
- বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
- বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।
- প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।
Wednesday, August 7, 2019
Saturday, August 3, 2019
Request for help for a sick person who is on fire.
<iframe src='https://gogetfunding.com/embed-widget?campaignid=6228389&frame_type=t2' style='width: 100%; height: 185px; border: none;' scrolling='no'></iframe><div style='padding:0 0 0 188px;font-size:8px;font-family:Arial; color: #6D8191;'>Fundraising with <a style='color: #428BCA;' href='https://gogetfunding.com' target='_blank'>GoGetFunding</a></div>
Poor students for computer training institutes. | Education & School Fundraising Page with GoGetFunding
<div><iframe src='https://gogetfunding.com/embed-widget?campaignid=6225251&frame_type=t4' style='width: 100%; height: 130px; border: none;' scrolling='no'></iframe><div style='padding:2px 0 0 57px;font-size:8px;font-family:Arial; color: #6D8191;'>Powered by <a style='color: #428BCA;' href='https://gogetfunding.com' target='_blank'>GGF</a></div></div>
Friday, May 31, 2019
Thursday, May 30, 2019
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে বাহরাইন সালমানিয়া হাসপাতাল অসুস্থ বাংলাদেশী রুগীকে সাহায্য প্রদান
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে বাহরাইন সালমানিয়া হাসপাতাল অসুস্থ বাংলাদেশী রুগীকে সাহায্য প্রদান
প্রতিদিনের মতো আজও সালমানিয়া হসপিটাল গিয়ে রুগি দেখেন এবং তাদের শারীরিক খোজ খবর নিলেন, আমাদের চাঁদপুর জেলা প্রবাসি একতা সয়বায় সোসাইটির সন্মানিত সভাপতি জনাব ওমর ফারুক (ইমন)। প্রবাসে হাজারো বেস্ততার মাঝে এই ভাবে সময় দেওয়ার জন্য আমরা সকল চাঁদপুর প্রবাসির পক্ষ থেকে এই রমজানের দিনে তাহাকে আন্তরিক মোবারক বাদ জানাই। এবং আমরা সবাই আল্লাহ্র কাছে ফারুক ভাইয়ের মঙ্গল কামনা করি। আমিন।
বাহরাইন বাংলাদেশীদের জন্য জরুরী নেটিশ
বাহরাইন বাংলাদেশীদের জন্য জরুরী নেটিশ
বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা পরিষদ এর পক্ষ থেকে দূতাবাসে চেক প্রধান
বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা পরিষদ , এর পক্ষ থেকে চেক প্রধান করা হলো ,বাহরাইন বাংলাদেশ দূতাবাসে, বাহরাইন বসবাসরত বাংলাদেশী রুগিদের জন্য,
বৃহত্তর নোয়াখালী পরিষদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল আজকে ৩০শে মে ২০১৯ বাংলাদেশ দূতাবাস ভিজিট করেন ও দূতাবাসের প্রধান বাহরাইন এ বাংলাদেশীদের অভিভাবক মান্যবর রাষ্ট্রদূত মহোদয় জনাব, কে. এম. মমিনুর রহমান স্যারকে বৃহত্তর নোয়াখালী পরিষদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং পরিষদের পক্ষ থেকে অসুস্থদের চিকিৎসা সেবা ও বাংলাদেশে প্রেরণের জন্য ফাস্ট লেবার কাউন্সেলর জনাব, তৌহিদুল ইসলাম স্যারকে পরিষদের পক্ষ থেকে চেক প্রদান করা হয়। আপনাদের সবার আন্তরিকতা, প্রেরণা ও সহযোগিতা কামনা করছি।
Sunday, May 26, 2019
নোয়াখালী বেগমগঞ্জ ছয়ানী ইউনীয়নে দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ
নোয়াখালী বেগমগঞ্জ ছয়ানী ইউনীয়নে গণধর্ষণ গৃহবধূ
প্রকাশ: ৭২ ঘণ্টা আগে আপডেট: ৭২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের দোয়ালিয়া গ্রামে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে প্রকাশ্যে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। স্বামীর সঙ্গে পূর্বশত্রুতার জেরে বৃহস্পতিবার রাতে ঘরে ঢুকে তিন যুবক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে জানা যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।
নির্যাতিত গৃহবধূর পরিবার জানায়, একই গ্রামের চৌধুরী আলমের ছেলে হারুন, মোস্তফার ছেলে সাইফুল ও রুদ্রপুর গ্রামের কপিল উদ্দিনের ছেলে বাবুর সঙ্গে ওই গৃহবধূর স্বামীর বাড়ির পাশে পুকুরে মাছ চাষকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকও হয়। কিন্তু বাবু ও তার লোকজন শালিস বৈঠক মানেনি। এ নিয়ে এ গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে একাধিকবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বাবু, সাইফুল ও হারুনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লোক লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই গৃহবধূর বসতঘরে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। আধা ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালিয়ে ঘরের ভিতর ঢুকে গৃহবধূকে একটি কক্ষে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হারুন, সাইফুল ও বাবু তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় গৃহবধূর শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাদের গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেয় দুর্বৃত্তরা। এক পর্যায়ে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ কান্নাজড়িত কণ্ঠে সমকালকে বলেন, হারুন, সাইফুল ও বাবু কক্ষে ঢুকে আমার কাছ থেকে দুই শিশু সন্তানকে খাট থেকে নিচে ছুড়ে মারে এবং আমার শ্লীলতাহানি করে। তাদের পা ধরে ইজ্জত ভিক্ষা চাইলে তারা দুই সন্তানকে গুলি করে হত্যার ভয় দেখায়। যাওয়ার সময় তারা আমার গায়ে থাকা এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও আট আনি ওজনের এক জোড়া কানের দুল নিয়ে যায়।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম বলেন, 'একজন গাইনী চিকিৎসকের অধীনে গৃহবধূর চিকিৎসা চলছে। শনিবার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।'
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্লা সমকালকে বলেন, 'এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত ৬০-৭০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।'
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বাবু এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি ও সন্ত্রাসি কর্মকাণ্ডসহ ৬টি মামলা রয়েছে।
বিষয় : নোয়াখালী বেগমগঞ্জ গণধর্ষণ গৃহবধূ
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
তারিখ সেহরি ইফতার
২৫ মে '১৯ ৩:৪২ ৬:৪২
২৬ মে '১৯ ৩:৪১ ৬:৪৩
<iframe width="560" height="315" src="https://www.youtube.com/embed/_cVe6dudUpo" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
Saturday, April 27, 2019
চাঁদপুর জেলা পরিষদের পক্ষ হইতে চিত্রা ভিজিট chandpur zilla porishod bahrain.
26/04/2019
https://www.youtube.com/watch?v=omgdob90m2k
https://youtu.be/hjYFm6I8AoA
https://www.facebook.com/chandpurprobasisocity/
https://www.facebook.com/groups/1058564194348105/
Friday, December 1, 2017
মাসের বিশেষ একটি দিন বা সময় আছে,
যে সময় মহিলারা সহবাসের প্রতি বেশ আগ্রহী থাকে।
মহিলাদের জন্য সময় টি যেমন প্রাণিদের সহবাসের জন্য বছরের বিশেষ কিছু দিন বা মাস ।
এজন্য মাসের কোন সময় মহিলাদের সহবাসের প্রতি বেশি আগ্রহ জাগে, সে সময়টি মহিলাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে।
এবং সে সময়েই স্বামীর সাথে সহবাস করবে। কিছু কিছু মহিলার সহবাসের প্রতি আগ্রহ দেখা দেয়, মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া পরপরই । আর এর ধারাবাহিকতা এক সপ্তাহ পর্যন্ত বাকি থাকে। আবার কিছু মহিলার যৌনচাহিদা সারা মাসে একই রকম থাকে। এসব মহিলারা বেশি বেশ সন্তান জম্ম দিয়ে থাকে। তাদের সাথে সহবাস করেলেই পেটে সন্তান এসে যায়। আর যেসব মহিলাদের বিশেষ সময় ছাড়া সহবাসের প্রতি তেমন একটা আগ্রহ থাকে না।
তাদের ঐ বিশেষ সময় বাদে অন্য সময়ে সহবাসের দ্বারা যেসব সন্তান জম্ম নেয় না। ঐ বিশেষ সময় বাদে অন্য সময়ে সহবাসের দ্বারা যেসব সন্তান জম্ম নেয়, অধিকাংশ সন্তান হয় মেয়ে। আবার এর উল্টাও হতে পারে।
ঋতুস্রাবের দিন সহবাস করলে ছেলে সন্তান জম্ম নিবে।
আর পরের দিন সহবাস করলে মেয়ে সন্তান জম্ম নিবে।
তদ্রূপ ভাবে তৃতীয় দিন সহবাস করলে ছেলে হবে আর চতুর্থ দিন সহবাস করলে মেয়ে হবে।
এভাবে জোড় বেজোড় অনুযায়ী সহবাস করলেই কাঙ্খিত ছেলে বা মেয়ে হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
কতিপয় হেকিম বলেন, স্বামী স্ত্রীর সহবাসের সময় বীর্য জরায়ুতে প্রথমে পৌঁছবে, সন্তান তাঁর মতোই হবে।
অর্থাৎ স্ত্রীর বীর্য যদি জরায়ুতে প্রথমে প্রবেশ করে, তাহলে মেয়ে হবে।
আর যদি স্বামীর বীর্য প্রথমে জরায়ুতে প্রবেশ করে, তাহলে ছেলে সন্তান জম্ম নিবে।
ভালো মানুষ বলেই কষ্ট পাচ্ছেন বারবার?
১) নিজের সাথে স্বচ্ছ থাকাটা সবচাইতে বেশি জরুরী
"কেউ খারাপ করলে তুমিও খারাপ করো" কিংবা "এত ভালো মানুষ হয়ে কী করবে?" - এই ধরণের পরামর্শ নিশ্চয়ই অনেক শুনেছেন জীবনে? কেউ আপনার সাথে খারাপ করলো বলেই আপনাকেও তার মত হয়ে যেতে হবে, জীবনটা মোটেও এমন কিছু নয়। আসল বিষয়টি হচ্ছে, নিজের সাথে সৎ থাকুন। নিজে যা করবেন, বিবেকের সামনে পরিষ্কার থেকে করবেন। এমন কোন কিছুই করবেন না যা করার ফলে নিজের সামনে ছোট হয়ে যেতে হয়। খুব কাছের কারো জন্য হলেও অন্যায় কিছু করবেন না কিংবা নিজের ইচ্ছা বিরুদ্ধে কারো জন্য কিছু করবেন না। দেখবেন, জীবনে ঝামেলা ও কষ্ট অনেকটাই কমে গিয়েছে।
২) যাচাই করতে শিখে নিন
হ্যাঁ, আপনি হয়তো কাউকে অজথা মিথ্যা বলেন না। কিন্তু এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে এই পৃথিবীর মানুষ মিথ্যা বলে, নিজের স্বার্থে অন্যকে ব্যবহার করে এবং অন্যকে ঠকায়। মানুষকে বিশ্বাস করা খুব ভালো গুণ। কিন্তু কাউকে পুরোপুরি বিশ্বাস করার আগে একটু যাচাই অবশ্যই করে নেবেন। তাতে অন্তত নিজেকে খানিকটা হলেও নিরাপদ রাখতে পারবেন। তবে হ্যাঁ, বহুরুপীদের চেনা আসলেই দায়।৩) কারো জন্য নিজস্বতা ত্যাগ করবেন না
হ্যাঁ, আপনি ভালো মানুষ। কিন্তু কারো কোথায় প্ররোচিত হয়ে কিছু করবেন না। সেটাই করুন, যা করতে আপনার মন সায় দেয় কিংবা যেটা আপনার ব্যক্তিত্বের সাথে মানানসই। কারো জন্য খারাপ লাগছে, করুণা হচ্ছে কিংবা কেউ খুব কাছের মানুষ হলেই তার জন্য নিজের একান্ত বৈশিষ্ট্যগুলো ত্যাগ করবেন না।৪) দুর্বলতাকেই করে তুলুন হাতিয়ার
আপনি একজন দয়ালু মানুষ, সত্যবাদী মানুষ, আবেগী মানুষ। আর এটাই কি আপনার দুর্বলতা? এই ব্যাপারটিকে পুঁজি করেই কি সকলে আপনাকে আঘাত করে? এই ব্যাপারগুলোকেই রূপান্তরিত করে নিন শক্তিকে। মিথ্যার মোকাবেলা করুন সত্য দিয়ে, নির্মমতা কিংবা প্রতারণার জবাব দিন দয়া কিংবা করুণা দিয়ে। নিজেকে কখনো ছোট হতে দেবেন না বা ছোট মনে করবেন না। জেনে রাখুন, আজকালকার পৃথিবীতে এমন নরম মনের মানুষ হতে পারাটা বিশাল একটি মহৎ গুণ। আর এটাই আপনার শক্তি।৫) জেনে রাখুন কখন সরে আসতে হবে
বুঝতে পারেন না কখন কারো সাথে সম্পর্কটা ভেঙে ফেলা জরুরী? এক্ষেত্রে ৩ টি ধাপের একটি পরিকল্পনা করতে পারেন। প্রথমে যখন কেউ আপনার সাথে অন্যায় করবে, বিষয়টি ছোটখাট হলে ক্ষমা করে দিন। কেননা অনেক সময়ই আমরা পরিস্থিতির শিকার হয়ে থাকি বা অনিচ্ছায় ভুল হয়ে যায়। দ্বিতীয়বারও যদি একই মানুষের কাছ থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হন, তাহলে অপেক্ষা করুন। তিনি যদি ক্ষমা চান, তাহলে ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা না চাইলে নিজেকে সরিয়ে নিন। তিনি ক্ষমা চাওয়ার পরও যদি একই মানুষ আপনাকে আবারও আঘাত করেন, তাহলে আর কখনোই তাঁকে ক্ষমা করবেন না। নিজেকে যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে নিন।৬) কিছু ছোট্ট নিয়ম
কে কী করলো সেটা ধরে বসে থাকার চাইতে নিজে মেনে চলুন কিছু নিয়ম। এগুলো আপনাকে ভালো রাখবে, স্বস্তিতে রাখবে। যেমন-* সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। যাকে একান্ত অপছন্দ করেন, তার সাথেও
* শেয়ার করতে শিখুন
* সুবিচার করুন জীবনের সবক্ষেত্রে
* অন্যায় করে ফেললে ক্ষমা চাইতে দ্বিধা করবেন না
* কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করবেন না
* নিজের ঝামেলা নিজেই শুধারতে শিখুন
একটাই জীবন। তাই ভালো থাকুন, ভালো বাসুন। নিজেকে ও প্রিয়জনদের ভালো রাখুন।
খারাপ থেকে ভালো হওয়ার উপায় কি?
খারাপ থেকে ভালো হওয়ার জন্য প্রথম দরকার নিজের মনকে বুঝানো, ঠান্ডা মাথায় নিজের কাছে নিজে শপথ করা - যে কাজ বা বিষয়গুলিকে আপনি খারাপ জেনেছেন সবগুলি সম্পূর্ণরুপে পরিত্যাগ করবেন, আর কখনো মন্দের মধ্যে ফিরে আসবেন না। সাথেসাথে সকল কুঅভ্যাস, কুশিক্ষা, অসৎ-সংগ, অনৈতিক পরিবেশ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে। আর মন্দের বিপরীতে সুঅভ্যাস, সুশিক্ষা, সৎ-সংগ, সুন্দর-নৈতিক পরিবেশে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে - ধৈর্য ধরে সততার সাথে নিজেকে ভালোবেসে আরো ভালো হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিজে চেষ্টা করার সাথে সাথে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে তিনি আপনাকে সাহায্য করবেন, ইনশাআল্লাহ। শুভেচ্ছান্তে ধন্যবাদ|
একজন ভালো মানুষ হওয়ার সহজ সরল পদ্ধতি।
নিজেদের অবচেতন মনেই হয়তো আমরা এমন কিছু করে ফেলি, যা আদতে আমাদেরই ক্ষতি করে। রোজকার জীবনে বা ভাবনা-চিন্তায় ছোটখাটো বদল আনলেই আরও ভাল মানুষ হওয়া সম্ভব।
১. অন্যের সাফল্য নিয়ে ভাবতে যাবেন না। তাহলে আপনিই পিছিয়ে পড়বেন।
২. রাস্তায় কারও সঙ্গে গন্ডগোল হলে তাঁকে ক্ষমা করে দিন। না হলে আপনারই রক্তচাপ বাড়বে।
৩. নিজের বিয়ে হয়নি বা হচ্ছেনা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুর বিয়ের ছবি দেখে হা-হুতাশ করাটা সবথেকে খারাপ।
৪. মানুষ কত দামি গাড়ি চড়ছে বা কত দামি ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করছে, তাই দিয়ে কাউকে বিচার করতে যাবেন না। মানুষকে বিচার করার অন্য অনেক উপায় আছে।
৫. যাঁকে আপনি পিছনে গালাগাল দেন বা অপছন্দ করেন, তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্বের অভিনয় করবেন না। বন্ধুত্বের এই অভিন
য় সেই ব্যক্তিটিকে যতটা কষ্ট দেবে, সেই তুলনায় আপনার অনেক বেশি অনুশোচনা হবে। ৬. আপনার কাজের জায়গায় আপনার থেকে কেউ ভাল পারফর্ম করলে তাঁকে হিংসা না করে নিজে আরও ভাল পারফর্ম করার চেষ্টা করুন।
৭. আপনার কোনও জুনিয়র কঠোর পরিশ্রম করলে রেগে যাবেন না অথবা হিংসা করবেন না। বরং, তাঁকে দেখে অনুপ্রাণিত হন।
৮. জীবনে পিছিয়ে পড়লে হতাশা থেকে নিজের প্রতি নিষ্ঠুর হবেন না। জানবেন, আগামিকাল আরও ভাল কিছু হতে পারে।
৯. আপনার প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার বর্তমান সঙ্গীটির সম্পর্কে নিন্দা, কুকথা বলতে যাবেন না। কারণ, আপনি হয়ত তাঁকে চেনেনই না।
১০. অন্য কারও সুখ দেখে নিজে বিব্রত হবেন না।
১১. কেউ সমস্যা পড়লে তাঁকে তাঁর সমস্যাগুলো সম্পর্কে আরও ভাবিয়ে না তুলে পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিন।
১২. আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার জন্য নিজের সাফল্যকে কৃতিত্ব দিন। নিজেকে ভালবাসতে শিখুন।
১০ টি প্রয়োজনীয় সুরা
১. ইয়া আল্লাহুঃ-এই পবিত্র নামটি সব সময় পাঠ করলে মৃতুর পর কবরে এ নূর চমকাবে।
২. ইয়া সালামুঃ- অসুস্থ ব্যাক্তি এই পবিত্র নামটি পাঠ করলে রোগ মুক্ত হয়।
৩. ইয়া বারিওঃ- এই পবিত্র নামটি প্রত্যহ ৭ বার করে পড়লে কবর আযাব মাফ হয়।
৪. ইয়া গাফফারুঃ- এই পবিত্র নামটি জুমআর নামাজের পর (১০০) বার পাঠ করলে সকল অভাব দূর হয়ে যাবে এবং গোনাহ মাফ হয়ে যায়।
৫. ইয়া বাসেতুঃ- এই পবিত্র নামটি ফজরের নামাজের পরে পরলে কখনো কারো মুখাপেক্ষী হতে হয় না।
৬. ইয়া রাফেউঃ- এই প্রবিত্র নামটি রাতে ও দিনে শোবার সময় ১০০ বার পাঠ করলে সম্মান বৃদ্ধি পাবে এবং বিপদ থেকে মুক্ত পাবে।
৭. ইয়া ওয়াজেদুঃ- এই পবিত্র নামটি খাওয়ার সময় প্রথম লোকমায় পাঠ করলে আত্মার বল বৃদ্ধি পাবে।
৮. ইয়া মকাদ্দিমুঃ- এই পবিত্র নামটি পড়ে কোন প্রতিযোগিতায় গেলে তাহা সফল কাম হওয়া যায়।
৯. ইয়া মনায়েমুঃ- এই পবিত্র নামটি সর্বদা পাঠ করলে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায় ও সুখে থাকা যায়।
১০. ওয়াল্লাহু আলা কুল্লিশাইয়্যিন কাদির।
Tuesday, November 28, 2017
ছয়ানী বাজার নোয়াখালী Bushra Online IT
Wednesday, September 6, 2017
ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা
ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ ভালবাসা আর অবৈধ ভালবাসা চারটি অক্ষরের সমন্বয় খুব ছোট একটি শব্দ ভালবাসা যাকে আরবী ভাষায় মুহাব্বত ও ইংরেজী ভাষায় Love বলে। যার অর্থ হচ্ছে, অনুভূতি, আকর্ষণ, হৃদয়ের টান; যা মানুষের অন্তরে আল্লাহপাক সৃষ্টিগতভাবে দিয়ে দেন। সাধারণত ভালবাসা দুই ধরনের (১) বৈধ ও পবিত্র (২) অবৈধ ও অপবিত্র । বিবাহের পূর্বে আধুনিক যুবক-যুবতীরা যে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকেই অবৈধ ও অপবিত্র ভালবাসা বলে। আর পবিত্র ভালবাসা বলতে আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ভালবাসা, সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার ভালবাসা,স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা ইত্যাদিকে বুঝায়। আল্লাহপাক আমাদেরকে সৃষ্টির সেরা মাখলুক হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। অন্য কোন জীব জন্তুকে আমাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেননি। এমনকি সর্বশ্রেষ্ঠ আখেরী নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মত আমাদেরকে বানিয়েছেন। তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত সর্বপ্রথম এই নিখিল বিশ্বের স্রষ্টা মহান আল্লাহ তাআলাকে ভালবাসা এবং আমাদের সর্বশেষ নবী ও হাবীবে রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে ভালবাসা। আল্লাহপাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন: وَالَّذِينَ آَمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا لِلَّهِ যারা ঈমানদার মুমিন, তাদের অন্তরে আল্লাহর মহব্বত ভালবাসা হবে সর্বাধিক প্রগাঢ়। সূরা আল বাকারা। (আয়াত সূরা আল বাকারা: ১৬৫) আর নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন: 'কোন লোক পূর্ণ মুমিন হবে না যতক্ষণ না সে নিজের জীবন এবং পরিবার পরিজনের চেয়ে আমাকে বেশী ভালবাসবে।' এর দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ তার রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভালবাসা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য তথা ফরয। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভালবাসার অর্থ হচ্ছে তার সুন্নত ও আদর্শের অনুসরণ করা। আর যে ব্যক্তি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নতের বেশী অনুসরণ করবে তাতে বুঝা যাবে তার অন্তরের মধ্যে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি প্রেম-ভালবাসা অধিক গাঢ় এবং যারা নবীজির সুন্নতের অনুসরণ করেনা, তাঁর শরীয়ত মানে না শুধু লোক সমাজে মুখে আশিকে রাসূল, আশিকে নবী তথা নবী প্রেমিক বলে দাবী করে প্রকৃত পক্ষে তারা আশিকে রাসূল নয়। তারা শয়তান-ধোকাবাজ। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেন, "যে ব্যক্তি আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরায়, সে আমার উম্মত নয়।" অন্যত্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "যে আমার সুন্নাতকে ভালবাসল, সে যেন আমাকে ভালবাসল, আর যে আমাকে ভালবাসল সে আমার সাথে বেহেশতে থাকবে।" আল্লাহ ও রাসূলের পরেই রয়েছে মাতা-পিতার প্রতি মহব্বতের ফযিলত। প্রিয় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "সে ব্যক্তি নিপাত যাক! সে ব্যক্তি নিপাত যাক! সে ব্যক্তি নিপাত যাক! সাহাবারা আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, মাতা-পিতাকে জীবিত পেয়েও তাদের সেবা-যত্ন করে যে জান্নাত খরিদ করেনি।" এ ছাড়া মাতা-পিতার দুআ সন্তানের জন্য অনিবার্যভাবে কবুল হয়। স্বামী-স্ত্রীকে ভালবাসার ফযিলত : হাদীস শরীফে আছে, স্বামী-স্ত্রী মহব্বতের সাথে আলাপ আলোচনা করা, কথা-বার্তা বলা নফল ইবাদতের চেয়ে উত্তম। অন্যত্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে মহিলা (স্ত্রী) তার স্বামীকে সন্তুষ্ট রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় সে অবশ্যই বেহেশতে প্রবেশ করবে। সন্তানকে ভালবাসার ফযিলত : রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ সন্তান ফাতিমাকে অত্যাধিক ভালবাসতেন। তিনি স্বীয় জবানে এরশাদ করেন, "ফাতিমা আমার কলিজার টুকরা, তাকে কেউ কষ্ট দিলে আমাকেই কষ্ট দেয়া হবে।" নবীজির পাক জবানের বর্ণনায় ফুটে উঠে যে সন্তানকে ভালবাসা ছাওয়াবের কাজ। পক্ষান্তরে আমাদের সমাজে বেগানা যুবক-যুবতীর প্রেম-ভালবাসার নামে যে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি উত্তাল সাগরের উর্মিমালার মত বহমান রয়েছে তা সম্পূর্ণ রূপে অবৈধ ও হারাম। বিবাহের পূর্বে এরূপ প্রেম-ভালবাসা শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়, অবৈধ। ইসলামের বিধি-বিধান অনুযায়ী কোন যুবতী কোন অবস্থায় কোন যুবকের সান্নিধ্যে থাকতে পারেনা। হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "কোন পুরুষ যখন কোন নারীর সাথে একান্তে থাকে, তখন তাদের মাঝে তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত হয় স্বয়ং শয়তান, তাদের মাঝে ভাবাবেগকে উৎসাহিত করে এবং উভয়ের মাঝে খারাপ কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং সর্বশেষে লজ্জাকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়।" এতে তারা নিজেরা যেমনি কঠিন গোনাগার হবে, তেমনি তাদেরকে এই মেলামেশার সুযোগ দেয়ার কারণে তাদের পিতা-মাতা ও অভিভাকদেরকে হাদীস শরীফে দাইয়ুস বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে যে, দাইয়ুস জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই এইসব ব্যাপারে সকলের কঠোরভাবে সাবধান হওয়া জরুরী এবং তা ঈমানের দাবী। আর এই অবৈধ ভালবাসার প্রতিরোধের জন্যই আল্লাহ নর-নারীকে দিয়েছেন পর্দার বিধান। এই বিধান নারী-পুরুষ উভয়ে পরিপূর্ণ রূপে পালন করলে সমাজে ঐ রকম অবৈধ ভালবাসার কোন অবকাশই থাকবে না। আমাদের সমাজের অনেকের আবার মন্তব্য যে, প্রেম-ভালবাসা নাকি বৈধ, তাদের উক্তি হল যে, প্রেম পবিত্র, ভালবাসা পবিত্র। তাদের এই সব কথা সম্পূর্ণ ভুল, নাজায়িয, অবৈধ, অপবিত্র এবং ইসলাম বিরোধী। ভালবাসা কখনও বৈধ হতে পারে না। বস্তুত: এ ধরনের প্রেম ভালবাসা সম্পর্ক ইসলাম সাপোর্ট করে না। তবে হ্যা যে কেউ তার মনের মত জীবন সঙ্গীনী পছন্দ করে রাখতে পারে বটে। কিন্তু তাই বলে তার সাথে বিবাহের পূর্বে কোন রকম প্রেম-প্রেম খেলা শুরু করতে পারবে না। কেননা বিবাহের ইচ্ছা থাকলেও বিবাহ না করা পর্যন্ত এভাবে প্রেম-ভালবাসা করা গুনাহে কবিরা ও হারাম। এমন কি বিবাহের কথা পাকাপাকি হয়ে গেলেও আকদ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন প্রেম-ভালবাসা জায়িজ নয়। বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী হওয়ার পরই কেবল প্রেম ভালবাসা করতে পারে এবং তা পবিত্র ও ছাওয়াবের কাজ। কিছুদিন আগে একজন মেয়ে, তার এক ক্লাসমিটের গল্প বললো এভাবে - তার সাথে দেখা হয়। ভাল-মন্দ আলাপের এক পর্যায়ে সে আমাকে এভাবে বলতে শুরু করল- জানিস 'সারিরা' কিছুদিন আগে আমি নানার বাড়িতে গিয়েছিলাম, ওখানে আমার কয়েকজন খালাতো বোনের সাথে দেখা হয়। তাদেরকে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠি। এই সেই অনেক গল্প হয়। তাদের মাঝে একজনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম কিরে মোহনা! বর কি তোকে দেখছে? তখন সে বলল, দেখছে মানে! আমাদের প্রতিদিনই ফোনে কথা হয়। আমি বললাম, এটা ঠিক হয়নি। জাননা- বিবাহের পূর্বে প্রেম করা নাজায়িজ, হারাম। তখন তারা সবাই হেসে উঠল, তাদের এই হাসির কারণ কি আমি বুঝতে পারলাম না। মোহনা বলল, আরে আমাদের বিয়ের সব কিছু ঠিক, এখানে আবার গুনাহের কি আছে। তাছাড়া যদি বিয়ের আগে প্রেম না করি, তাহলে একে অপরকে জানব কেমন করে। হঠাৎ অপরিচিত একজনের সাথে সংসার করব কেমন করে। তাছাড়া প্রেম-ভালবাসা পবিত্র, তখন সবাই এক সাথে বলল হ্যা। প্রেম ভালবাসা পবিত্র তাদের যুক্তি হল- ইউসুফ-জুলাইখা প্রেম করছেন। তিনি নবী হয়ে যখন প্রেম করলেন তাহলে অবশ্যই অবশ্যই প্রেম পবিত্র। আমি তাদেরকে অনেক বুঝালাম, তারা বলল, যদি সঠিক ও স্পষ্ট যুক্তি দেখাতে পারিস তাহলে আমরা তোর কথা মেনে নেব। দেখলেন তো তাদের যুক্তি, তাদের ধর্মীয় জ্ঞান না থাকার কারণে তারা ইউসুফ-জুলাইখাকে দিয়ে যুক্তি ধরেছে। অথচ তারা জানেনা, ইউসুফ (আ:) এই ঘটনায় জড়িত কি না, জুলাইখার এই ভালবাসার রহস্য কি? কত বছর আগে জুলাইখা ইউসুফ (আ:) কে স্বপ্নের মধ্যে সান্নিধ্য লাভ করেছেন? তার ভালবাসা বর্তমান যুগের যুবক-যুবতীর প্রেম ভালবাসার মত কি না। আর এই না জানার জন্যই তারা প্রেম ভালবাসা পবিত্র বলে অবৈধ প্রেম করে বেড়াচ্ছে। এ ধরনের অবৈধ প্রেম-ভালবাসায় জড়িত হয়ে অনেক তরুণ-তরুণীর জীবন অকালে ঝরে পড়ছে। তাদের লেখা-পড়ার ক্ষতি হচ্ছে, সময়ের অপচয় হচ্ছে। সুন্দর জীবন নষ্ট হচ্ছে, সাজানো সংসার ভেঙ্গে চুরমান হচ্ছে, সবচেয়ে বড় কথা হল- ঈমানের জ্যোতি নিভে যাচ্ছে, দীনদারিত্ব নষ্ট হচ্ছে। আসলে ভালবাসা বলতে যা বুঝায়-বর্তমান যুবক-যুবতীর এই ভালবাসা সেই ভালবাসা নয়। তাদের ভালবাসার মূল মিনিং হচ্ছে অনেক সময় দেখা যায় তাদের এই ভালবাসায় অভিভাবকদের সম্মতি থাকে না বিধায় তাদের মুখে চুনকালি দিয়ে পালিয়ে যায়। আবার কিছু দিন পরে যখন প্রেমের আবেগ নিশা টুটে যায়, তখন কালো মেঘের ছায়ার মত নেমে আসে নানাবিধ অস্বস্তি ও যন্ত্রণা। তখন তড়িৎ গতিতে বিচ্ছেদ ঘটে যায়। তারা সর্বনাশা প্রেমে একুল-অকুল সবি হারায়। তারা কি জানেনা! প্রেম কি? ভালবাসা কি? তার প্রতিফল কি? কেন জানবে না, হ্যা তারা জানে, প্রেম এক মরণাত্বক যন্ত্রণার নাম। একটি হৃদয় বিদারক সংক্রামক রোগ, যা অত্যন্ত ছোয়াছে বড়ই মারাত্মক এ প্রেম। যে একবার এ পথে পা বাড়িয়েছে সে কখনও সুখের ছায়া দেখেনি। কেননা তাতে রয়েছে আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নারাজী। প্রেমের প্রধান উৎস হচ্ছে আবেগ, আর প্রচন্ড এই আবেগই হচ্ছে প্রেমের চালিকা শক্তি। কিন্তু গভীর এই আবেগকৃত প্রেমের গভীরতা যখন থেমে যায়, তখন প্রেমের বদলে জন্ম নেয় মোহ। কচুপাতার পানির মত এক সময় এই মোহও ঝরে পড়ে। তখন স্বপ্ন সাধ, আশা, ভালবাসা সবই হয়ে যায় চুর্ণ। কেউ কেউ আবার প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কেউ প্রতিশোধ নেয় (এসিড, খুন বা যুবতীর বিবাহ ভঙ্গন) কেউ চিরকুমার থেকে যায়, কেউ করে আত্মহত্যা। আরে বাবা এত ভয়ক্ষর রাস্তার নামই কি ভালবাসা! তারপরও বুঝে আসে না কি করে যে বিনা বিবেচনায় আজকের তরুণ-তরুণীরা তা বরণ করে নেয়। যারা অবৈধ প্রেমের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে তাদেরকে বলছি এ হারাম পথে কেন নিজের জীবন উৎসর্গ করতে চান? খোদার পথে জীবন পরিচালিত হয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ কর। যেখানে থাকবে না কোন অশান্তি, কোন কষ্ট, শুধু থাকবে সুখ আর সুখ, শান্তি আর শান্তি, বর্তমান আধুনিক বিশ্বে ভালবাসা বলতে যা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে ইসলাম বিরোধী। কিন্তু শত আফসোস হলেও সত্য যে, বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী বিশেষ করে আধুনিক শিক্ষিত ও সচেতন স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা এই ভালবাসা নামক মরণব্যাধিতে আক্রান্ত। যার ফলে অকালে ঝরে যাচ্ছে হাজারো জীবন। প্রতিনিয়ত এসিডে দগ্ধ হচ্ছে হাজারো নারী। আধুনিক বিশ্বে আধুনিক প্রেমের বেলায় এটি কি সত্য। তাই বলতে হয় এটা ভালবাসা নয় এটা মরণ নেশা। ভালবাসার নামে দেশের ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় যুব সমাজকে ধ্বংস ও নিঃশেষ এর দিকে টেলে দিচ্ছে। যার ফলে পরিবার, সমাজ সবই হচ্ছে কলংকিত, অধ:পতিত। যার জলন্ত প্রমাণ প্রতিদিনই পত্রিকার পাতায় চোখ ভুলালেই দেখতে পাই। তারপরও কি আমরা সে পথ থেকে ফিরে আসতে পারি না? সময় থাকতে তা থেকে শিক্ষা নিতে পারি না? হ্যা ভালবাসা বড় মহৎ একটি গুণ। মহান আল্লাহপাক এই ভালবাসাকে একশত ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে রেখে মাত্র একভাগ সারা বিশ্বে সকল প্রাণী জগতে দান করে দিয়েছেন। যার দ্বারা মা সন্তানদেরকে ভালবাসে, স্বামী-স্ত্রীকে ভালবাসে, আত্মীয়স্বজন একে অপরকে ভালবাসে। বাকি নিরানব্বই ভাগ ভালবাসা মহান আল্লাহ নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। কিয়ামতের দিন তা দ্বারা তিনি স্বীয় বান্দাদের প্রতি করুণা প্রদর্শন করবেন। মহান আল্লাহ প্রেম-ভালবাসা নামক ধ্বংসাত্বক রোগের প্রতিরোধের জন্য পর্দাপ্রথা দিয়েছেন। এরই মাধ্যমে বাচানো সম্ভব হবে ব্যক্তি, পরিবার সমাজ এবং দেশকে রক্ষা করা। আল্লাহপাক নারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন- وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى - 'তোমরা জাহেলী যুগের ন্যায় নিজেদের প্রদর্শন করে বাহিরে বের হয়ো না।' (আল-কুরআন) যারা অবৈধ ভালবাসাকে পবিত্র বলতে দুঃসাহস দেখান এবং বলেন প্রেম পবিত্র। শালিনতার সাথে প্রেম করলে তা নাজায়িয হবে কেন? তাদেরকে আবারও বলছি, এটা আপনাদের নিছক মুর্খতা ও সম্পূর্ণ অমূলক ভুল এবং ভুল ধারণা। অবৈধ ভালবাসা কখনো পবিত্র হতে পারে না এবং পবিত্র হবার কোন পথও নেই। যুবক ও যুবতীর ভালবাসা সম্পূর্ণ নাজায়িয ও হারাম। এক মাত্র বৈবাহিক সম্পর্কের পর পরই প্রেম-ভালবাসা পবিত্র হতে পারে। বিয়ের আগে তা পবিত্র নয়, হারাম ও কবিরা গুনাহ। যদি বিয়ের তারিখ ঠিক হয়েও যায় তবুও এ কাজে লিপ্ত হতে পারবে না যতক্ষণ না আকদ হয়েছে। এমন কি আকদের পূর্ব পর্যন্ত প্রেম সংক্রান্ত গোপন চিঠি আদান প্রদান, দেখা-সাক্ষাত, ফোনে কথা-বার্তা বলা সবই নিষিদ্ধ, কবীরা গুনাহ। তাই আমাদেরকে সঠিকভাবে বাচতে হলে দেশ, জাতি ও পরিবারকে বাঁচাতে হলে এই অবৈধ প্রেম ভালবাসার পথ চিরতরে বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে প্রত্যেক মুসলমানদের সতর্ক হওয়া অতীব জরুরী। পরিশেষে বলব, যদি আমরা যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের শরীয়ত সম্মতভাবে বৈবাহিক বন্ধনের ভিত রচনা করি তাহলে ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে সুখী হতে পারব। দেশ ও সমাজকে পাপাচার থেকে মুক্তি দিতে পারব এবং সামনে আগত প্রত্যেক শিশুকে সুন্দর ভবিষ্যত এবং কাঙ্খিত দেশ সমাজ ও পরিবেশ উপহার দিতে পারব। তাই আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং যুবসমাজকে সঠিকভাবে বাঁচার জন্য সুন্দর পথ দেখাই। সমাপ্ত
Tuesday, August 22, 2017
Friday, August 18, 2017
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
দুশ্চিন্তা ও ঋণভার থেকে মুক্তির দোয়া
কিছু দোয়া পাঠ করলে কি হয়
Wednesday, August 16, 2017
জেনে নিন কিডনি ভাল রাখতে গোপন কিছু উপায়
১. পর্যাপ্ত পানি পান দেখুনঃ খালি পেটে পানি পানের সুফল কিডনির সুস্থতায় শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক সাত-আট গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন। আবার যাঁরা বেশি দৈহিক পরিশ্রম করেন, তাঁদের প্রতিদিনের পানির চাহিদা আরো বেশি। ২. সংক্রমণ সাবধান প্রস্রাব কখনোই চেপে রাখবেন না। এতে সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে। যদি প্রস্রাবে সংক্রমণ হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। এ ছাড়া যাদের সংক্রমণের প্রবণতা রয়েছে তাদের প্রচুর পানি পান করা উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ৩. রোগ নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কিডনির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এ দুটি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। কিডনি ভালো আছে কি না তা জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। বিশেষ করে আপনার বয়স ৪০ বছরের বেশি হয়ে গেলে নিয়মিত বছরে অন্তত একবার ডায়াবেটিস ও ব্লাডপ্রেশার চেক করান। ৪. ওষুধ সাবধান বিভিন্ন ওষুধ কিডনির ক্ষতি করে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। ৫. পরীক্ষা কিডনি ভালো আছে কি না তা পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিন। এ জন্য বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে প্রস্রাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান। ৬. খাবার-পানীয় সাবধান দেখে নিনঃ সফট ড্রিংকস খাচ্ছেন? হতে পারে স্ট্রোক অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকেও কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে বাড়িতে রান্না খাবার ও পানীয় সবচেয়ে ভালো। বাইরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর খাবার ও কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন। খালি পেটে পানি পানের সুফল | জল চিকিৎসা জল চিকিৎসা নামে একটি পদ্ধতি চিকিৎসা জাপনী মেডিকেল সোটাইটি খুঁজে বের করেছে যা ১০০% সুস্থতা প্রদানে সক্ষম বলে তারা দাবি করেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চার গ্লাস পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু এই পানি পান করা কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? ভালো হলে কেন ভালো? কীভাবে উপকার পাওয়া যায় সকালে পানি পান করলে? আর কতটুকুই বা পানি পান করতে হবে? চিকিৎসকদের মতে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ভারতে প্রাচীন যোগগুরু বা ঋষিরা তাদের সাধনায় খালি পেটে পানি পানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে স্থান দিয়ে এসেছেন। জাপানেও চিকিৎসা পদ্ধতি খালি পেটে পানি পান। একটু নিয়ম মেনে করলে শরীরের জন্য আরও ভালো হবে। খালি পেটে পানি পান প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছু দিন এভাবে পানি খেলে বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত হয়ে যায় এবং উপকারিতাও টের পাওয়া যায়। পানি খাওয়ার অল্প কিছুণ অন্য কিছু মুখে না দেয়াই ভালো। এ উপায়ের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি পরিপাক ক্রিয়ার জন্য ভীষণ উপকারী। গবেষকেরা বলেছেন, সকালে খালি পেটে পানি কেবল পাকস্থলী পরিষ্কারই নয় শরীরের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। খালি পেটে পানি পানের সুফল প্রথমত, এ অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সাহায্য করে। পরিপাক ক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে উপকারে আসে। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখে। রক্ত থেকে টক্সিন ও বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এটি। এ ছাড়াও পানি নতুন রক্তকোষ এবং মাসল সেল জন্মানোর প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে। ওজন কমিয়ে রাখতেও উপকারী পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান। জল চিকিৎসা পদ্ধতি: ১. ঘুম থেকে উঠেই ১৬০ মিলি লিটারের গ্লাসের ৪ গ্লাস পানি পান করবেন। ২. পানি পানের ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোন খাবার খাবেন না। ৩. ৪৫ মিনিট পর নাস্তা করবেন এবং পানি পান করবেন। ৪. নাস্তা করার ১৫ মিনিট পর, দুপুরের এবং রাতের খাবারের ২ ঘন্টার ভিতরে কোন খাবার বা পানি পান করবেন না। ৫. যারা বয়ষ্ক বা অসুস্থ এবং ৪ গ্লাস পানি পান করতে অক্ষম প্রথম দিকে অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করে ধীরে ধীরে পরিমান বাড়াতে চেষ্টা করবেন। ৬. উপরের চিকিৎসা পদ্ধতিটি উল্লেখিত রোগ বা অসুখ সমূহের নিরাময় করবে এবং যাদের তা নেই তারও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে। কতদিন এই চিকিৎসা চলবে তা রোগ বা অসুখ ভেদে উল্লেখ করা হলো: ১. উচ্চ রক্তচাপ (৩০ দিন) ২. বুক জ্বালাপোড়া (১০ দিন) ৩. ডায়াবেটিস (৩০ দিন) ৪. কোষ্ঠকাঠিন্য (১০ দিন) ৫. ক্যান্সার (১৮০ দিন) ৬. যক্ষা (৯০ দিন) ৭. বাত ব্যথার রোগিরা উপরে চিকিৎসাটি প্রথম সপ্তাহে ৩ দিন, এবং দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন চালিয়ে যাবেন। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তবে প্রস্রাবের পরিমান পূর্বের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। এটি দৈনন্দিন জীবনের সাথে যোগ করলে অন্যান্য রোগ থেকেও সুস্থ থাকা যাবে। পানি পান করুন এবং সুস্থ ও কর্মঠ থাকুন। পানি পানকে প্রাত্যহিক জীবনযাপনের অংশ করে নিন, আগের থেকে নিজের শরীরকে লাগবে অনেক ফুরফুরে। চীনারা খাবারের সঙ্গে কিন্তু ঠান্ডা পানির বদলে গরম চা পান করে। খাওয়ার পরপরই ঠান্ডা পানি তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে তোলে। পরিপাক ক্রিয়াকেও করে তোলে ধীর। খাওয়ার পর তাই স্যুপ বা হালকা গরম পানি পানই অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিতভাবে খালি পেটে পানি পানের চর্চাটা চালিয়ে যেতে থাকুন। ফলাফল নিজেই অনুভব করতে পারবেন। আরো অনেকে খুজেছে দারিয়ে জল খেলে কি হয় পানি খেযে বুক ভালো পান মৌরির সুবিধা ত্রিফলার জল পানের গুনাবলী ত্রিফলা খাবার নিয়ম তামার গ্লাসে জল খেলে কি হয় ঠান্ডা পানি খাওয়ার উপকারিতা চুন খেযে চিরতা খাওয়ার পর পানি খাওয়া যাবে বীর্য পান এর উপকারিতা
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েব সাইট
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে ‘‘জেলা তথ্য বাতায়ন‘‘ নামে ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে সরকার । নিচে প্রত্যেকটির জেলার ওয়েব সাইট বিভাগওয়ারী আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম । প্রত্যেকটা সাইট বাংলায় । এই সাইটগুলোর মাধ্যমে জেলাগুলো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে । প্রতিটি ওয়েব সাইটে আছে জেলা, জেলার পটভূমি, ভৌগলিক প্রোফাইল, শিল্প ও বাণিজ্য, পত্র পত্রিকা, খেলাধূলা ও বিনোদন, ভাষা ও সংস্কৃতি, খনিজ সম্পদ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব, জন প্রতিনিধি, উপজেলা ও ইউনিয়ন সম্পর্কিত তথ্য । এছাড়া রয়েছে স্হানীয় স্কুল কলেজের তালিকা ভর্তি ও ফলাফল তথ্য এবং কৃষি বিভাগে রয়েছে সার পরিবেশকের তালিকা, খাদ্য উৎপাদন ই-কৃষি, ব্লক সুপারভাইজারের তালিকা । পর্যটন ও ঐতিহ্য লিংকে আছে হোটেল ও আবাসন দর্শনীয় স্থান, জেলার ঐতিহ্য জেলার মানচিত্র । স্বাস্থ্য বিভাগে রয়েছে হাসপাতাল ও ক্লিনিক, ডাক্তারের ও স্বাস্থ্য কর্মীর তালিকা, স্বাস্থ্য কর্মসূচী । আপনার জেলার স্হানীয় সরকারের, নাগরিক সুবিধার তথ্য ও সরকারী অফিস সূমহের বিশদ বিবরণ আছে । তাছাড়া আপনি আপনার মন্তব্য ও সচরাচর জিজ্ঞাস্যাও করতে পারবেন উত্তর দিবে কিনা আল্লাহ-ই মালুম !! যাই হোক সাইটগুলোর নিরাপত্তা দূর্বল হলেও (কিছুদিন আগে ১৯টি সাইট হ্যাকারের কবলে পড়েছিল) প্রতিটি জেলা তথ্য প্রযূক্তির ছোঁয়ায় আসাতে ভাল লাগল । নিজ নিজ জেলার অজানা তথ্যগুলো জানতে পারবেন । তবে সাইটগুলোকে আপডেট রাখতে হবে আর না হলে প্রযূক্তির ছোঁয়া আশায় গুঁড়েবালিতে পরিণত হবে । একনজরে প্রতিটি জেলার ওয়েব সাইট: ঢাকা বিভাগ ০১. ঢাকা সদর : http://www.dcdhaka.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর এই জেলায় অবস্থিত। ভৌগলিক সীমানা আয়তন : ১৬৮৩.২৭ বর্গ কিঃ মিঃ ইতিহাস : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারণ করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে। ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। নদীপথের পাশে অবস্থানের কারণে ঢাকা প্রাক-মোঘল যুগেই স্থানীয় বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল। এখানে উচ্চমান সম্পন্ন সূতিবস্ত্র উৎপাদিত হত যা মসলিন নামে পরিচিত। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়১৯৫২,১৯৬৬,১৯৭০ সংগ্রামের ফসল হিসেবে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং পরিচিতি লাভ করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক,প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে। ঐতিহাসিক স্থানসমূহঃ ঢাকেশ্বরী মন্দির, লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, হোসেনী দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (লেক,জাবি বোটানিক্যাল গার্ডেন,সংশপ্তক), কার্জন হল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভবন (পুরাতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা ভবন), সাত গম্বুজ মসজিদ, তারা মসজিদ, ঢাকা গেইট, পরীবিবির মাজার পার্কপার্ক , বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থানঃ রমনা পার্ক, সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকা শিশু পার্ক, বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, স্মৃতিসৌধ ও স্মারকঃ জাতীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, (রায়ের বাজার), অপরাজেয় বাংলা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আসাদ গেইট আধুনিক স্থাপত্যঃ জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, ভাসানী নভো থিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি ০২. গাজীপুর : http://www.dcgazipur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোত্তীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভাবনায় ভরপুর গাজীপুর জেলা । ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীন বনাঞ্চল আর গৈরিক মৃত্তিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মোগল-বৃটিশ-পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গাজীপুরের রয়েছে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা পর্বে গাজীপুরেই সংঘটিত হয় প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ। গাজীপুরে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরসহ ১৯টি কেপি আই, ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের একমাত্র হাইটেক পার্কসহ বহু সংখ্যক সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র/মাঝারী ও ভারী শিল্প কারখানাসহ দেশের তৈরী পোষাক শিল্পের বিরাট অংশ। ঢাকার সাথে দেশের উত্তর বঙ্গ ও উত্তর পূর্ব অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গাজীপুর গেইটওয়ে হিসেবে বিবেচিত । মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা টংগীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয় । ভৌগলিক সীমানা : গাজীপুর জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা, পূর্বে কিশোরগঞ্জ ওনরসিংদী জেলা এবং পশ্চিমে ঢাকা ও টাংগাইল জেলা অবস্থিত। [১] গাজীপুর জেলার উপজেলাগুলি হল : গাজীপুর সদর উপজেলা, কালিয়াকৈর উপজেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা, কাপাসিয়া উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা ইতিহাস : গাজীপুর জেলার একটি থানা শ্রীপুর।গাজীপুর জেলায় সংসদীয় আসন সংখ্যা ৪টি।তারমধ্যে শ্রীপুর ১নং সংসদীয় আসন।৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে শ্রীপুর থানা গঠিত হয়। দর্শনীয় স্থান : গাজীপুরে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কিছু নাম উল্লেখ করা যেতে পারে- ভাওয়াল রাজবাড়ী, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (National Park), আনসার একাডেমী, সফিপুর, নূহাশপল্লী, জাগ্রত চৌরঙ্গী, বলিয়াদী জমিদার বাড়ী বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : তাজউদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ০৩. ফরিদপুর : http://www.dcfaridpur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : > প্রশাসনিক এলাকাসমূহ: ফরিদপুর সদর উপজেলা, বোয়ালমারী উপজেলা, আলফাডাঙা উপজেলা, মধুখালী উপজেলা, ভাঙ্গা উপজেলা, নগরকান্দা উপজেলা, চর ভদ্রাসন উপজেলা, সদরপুর উপজেলা, সালতা ইতিহাস : ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলা গঠন করা হয়। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গারোদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী *১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ)। এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রিস্টাব্দ), মথুরাপুরের দেয়াল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দ), বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা।[১] ফরিদপুর থেকে হাজি শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। শরীয়তুল্লাহের পুত্র দুদু মিয়ার নেতৃত্বে এখানে নীল কর বিরোধী আন্দোলন হয়। জেলার প্রধান নীল কুঠিটি ছিলো আলফাডাঙা উপজেলার মীরগঞ্জে, যার ম্যানেজার ছিলেন এসি ডানলপ। গড়াই, মধুমতি ও বরশিয়া নদীর তীরে নীল চাষ হতো। অর্থনীতি : এই এলাকার অর্থনীতি মুলত পাট কেন্দ্রিক । ফরিদপুর পাট এর জন্য বিখ্যাত । ফরিদপুর বাংলাদেশ এর অন্যতম বড় নদী বন্দর। এখান থেকে পাট নদী পথে সারা দেশে চলে যেত। চিত্তাকর্ষক স্থান : ফরিদপুর জেলার চিত্তাকর্ষক স্থানগুলার মদ্ধে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে- নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট, সুইচ গেট, ধলার মোড়, রাজেন্দ্র কলেজ (রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ), পদ্মা বাধ, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন এর বাসভবন। জনসংখ্যা : মোট জনসংখ্যা: ১৭,১৪,৪৯৬, পুরুষ: ৫০.৫৫%, মহিলা: ৪৯.৪৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪২৪, এই জেলায় শিক্ষার হার ৩৭.৪৪ % বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ: ৪৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৩৪ মেডিকাল কলেজ : ১ মাদ্রাসা: ১৪১ তারার মেলা ঈশাণ মেমরিয়াল আধুনিক শিশু বিদ্যালয় প্রধান শস্য : ফ্রিদপুর জেলায় প্রধান শস্যর তালিকায় রয়েছে, ধান, পাট, গম ও ডাল। এর মধ্যে রপ্তানী যোগ্য পণ্য পাট, পিয়াজ, ডাল, খেজুরের গুড় ইত্যাদি। কৃতী ব্যক্তিত্ব : মুন্সি আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ, শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পুরোধা এবং বাংলাদেশের জাতির জনক, আলাওল, মধ্যযুগের কবি, কাজী মোতাহার হোসেন, শিক্ষাবিদ, পরিসংখ্যানবিন, সাহিত্যিক, জসীম উদ্দিন, পল্লীকবি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ঔপন্যাসিক, কবি, মীর মশাররফ হোসেন, ঔপন্যাসিক, হাবিবুল বাশার, ক্রিকেটার, হুমায়ুন কবির, শিক্ষাবিদ, মৃণাল সেন, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও লেখক।, অমল বোস, অভিনেতা, রোজিনা, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, রিয়াজ, চলচ্চিত্র অভিনেতা (তাঁর জন্ম ফরিদপুর হলেও পৈতৃক বাসস্থান যশোর জেলায়), ফজলুর রহমান বাবু , অভিনেতা, গায়ক, তারেক মাসুদ , চলচ্চিত্রকার ০৪. জামালপুর : http://www.dcjamalpur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : জামালপুর জেলার উত্তরে শেরপুর জেলা, দক্ষিণে টাঙ্গাইল জেলা, পূর্বে ময়মনসিংহ জেলা এবং পশ্চিমে বগুড়া জেলা ওযমুনা নদী অবস্থিত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : জামালপুর জেলায় ৭টি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হল- জামালপুর সদর উপজেলা, বক্সীগঞ্জ উপজেলা, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, ইসলামপুর উপজেলা, মাদারগঞ্জ উপজেলা, মেলান্দহ উপজেলা, সরিষাবাড়ি উপজেলা ইতিহাস : সাধক দরবেশ হযরত শাহ্ জামাল (র:) এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমন্ডিত গারো পাহাড়ের পাদদেশে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র বিধৌত বাংলাদেশের ২০তম জেলা জামালপুর। চিত্তাকর্ষক স্থান : গাড় (খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী) পাহাড় এর পাদদেশে বকশীগঞ্জের বালূঝুড়ী ইউনিয়নের প্রাকৃতিক ঝর্ণার কলকালীতে মাতানো অবকাশ কেন্দ্র ঘুরে আসতে বেশ ভালই মনমাতানো পরিবেশ ০৫. গোপালগঞ্জ : http://www.dcgopalganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগলিক সীমানা : গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১৪৯০ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে ফরিদপুর, দক্ষিণে বরিশাল, পূর্বে বরিশাল ওমাদারীপুর এবং পশ্চিমে বাগেরহাট ও নড়াইল জেলা অবস্থিত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : গোপালগঞ্জ জেলা পাঁচটি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা, মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী উপজেলা, কোটালীপাড়া উপজেলা এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ইতিহাস : ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে গোপালগজ্ঞ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারীপুর মহকুমা ও থানাধীন ছিল। ঐ সময়ে মাদারীপুরের সাথে এ এলাকায় জলপথ ছাড়া কোন স্থল পথের সংযোগ ছিল না। কোন স্টীমার বা লঞ্চ চলাচলও ছিল না। কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়া নৌকা, গয়না নৌকা, ইত্যাদি ছিল চলাচলের একমাত্র বাহন। যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন ছিল খুবই দুর্বল। মামলায় আসামীরা গ্রেফতারের ভয়ে দুর্গম বিল অঞ্চলে আত্বগোপন করে থাকত। এ সমস্ত অসুবিধার দরুন ১৮৭০ সালে গোপালগজ্ঞ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতাগেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। ক্রমান্বয়ে এ অঞ্চলের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। বর্তমানে যেখানে থানা অবস্থিত ঐ স্থানে একটি টিনের ঘরে থানা অফিসের কাজকর্ম চালু করা হয়। ১৯০৯ সালে কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, গোপালগজ্ঞ সদর ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। মিশন স্কুলের দক্ষিণ পার্শ্বে দেওয়ানী আদালত ও সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের স্থান নির্দিষ্ট হয়। তার দক্ষিণে মোক্তার লাইব্রেরীসহ ফৌজদারী আদালত ভবন ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্ধারিত হয়। বর্তমানে যেখানে ডিসি অফিস সেখানে বিরাটকায় চারচালা গোলপাতার ঘর বাঁশের বেড়া দিয়ে ফৌজদারী কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্মিত হয়। তার দক্ষিণে বর্তমান জেলখানার স্থানে একটি বিরাটকায় গোলের ঘর তুলে মজবুত বাঁশের বেড়া অস্থায়ী জেলখানা নির্মিত হয়। বর্তমানে যেখানে মোক্তার বার ভবন ঐ স্থানে একটি ছনের ঘরে মোক্তারগণ আইন ব্যবসা শুরু করেন। ঐ সময়ে কোন উকিল এখানে আইন ব্যবসা করতে আসেনি। গোপালগজ্ঞের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন মি: সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগজ্ঞ পৌরসভা গঠিত হয়। পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান পান্না বিশ্বাস। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়। প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন জনাব এইচ নুর মোহাম্মদ। অর্থনীত : গোপালগঞ্জ মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। এখানে ধান, গম, পাট, আখ, নানা ধরনের সব্জি জন্মে। এছাড়া এ জায়গার লোকজন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। চিত্তাকর্ষক স্থান : টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি ধর্মরায়ের বাড়ি দীঘলিয়া দক্ষিণা কালীবাড়ি বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : শেখ মুজিবুর রহমান, রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি। শেখ হাসিনা, রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী ০৬. কিশোরগঞ্জ : http://www.dckishoreganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগোলিক সীমানা : কিশোরগঞ্জের ভৌগলিক আয়তন প্রায় ২,৬৮৮ বর্গ কিলোমিটার। এই আয়তনে১৩টি উপজেলা রয়েছে। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : কিশোরগঞ্জে ১৩টি থানা। যথা- কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা, অষ্টগ্রাম উপজেলা, ইটনা উপজেলা, করিমগঞ্জ উপজেলা, কটিয়াদি উপজেলা, কুলিয়ারচর উপজেলা, তাড়াইল উপজেলা, নিকলী উপজেলা, পাকুন্দিয়া উপজেলা, বাজিতপুর উপজেলা, ভৈরব উপজেলা, মিটামইন উপজেলা, হোসেনপুর উপজেলা ইউনিয়নে সংখ্যা :১০৬টি ইতিহাস : কিশোরগঞ্জের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। এখানে প্রাচীনকাল থেকেই একটি সুগঠিত গোষ্ঠী হয় এবং এখনোও তা বিরাজ আছে। অর্থনীতি : কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির চালিকা শক্তি অনেকটা হাওরের উপর র্নিভর। যেমন: হাওরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় যা দেশের চাহিদার লভ্যাংশ পূরণ করতে সক্ষম। তাছাড়া কিশোরগঞ্জে পাট, ধান এবং অন্যান্য অনেক সবজি হয়ে থাকে যা দেশের বাইরেও রপ্তানি হয়। চিত্তাকর্ষক স্থান : শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, গুরুদয়াল কলেজ, চন্দ্রাবতীর বাড়ী (নীলগঞ্জ), ঈসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী জঙ্গলবাড়ী, এগারোসিন্দুর বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ : জিল্লুর রহমান – বাংলাদেশের বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ। আব্দুল হামিদ – বাংলাদেশের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং সংসদের দুইবারের মনোনীত স্পিকার। একজন বিশিষ্ট এডভোকেট ও রাজনীতিবীদ। আইভি রহমান – একজন সংসদ সদস্য ও প্রাক্তন রাজনীতিবীদ। সৈয়দ নজরুল ইসলাম – বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। জয়নুল আবেদীন – একজন বাংলাদেশের খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী। ০৭. মাদারীপুর : http://www.dcmadaripur.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। জেলার আয়তন ১,১৪৪.৯৬ বর্গকিলোমিটার। ভৌগোলিক সীমানা : ২৩০‑০০ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০০-৩০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০-৫৬ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯০০-২১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত এই জেলার বিস্তার। জেলার উত্তরে ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলা, পূর্বে শরিয়তপুর জেলা, পশ্চিমে ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা, এবং দক্ষিণে গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জেলা। উপজেলাসমূহ : মাদারীপুর সদর, শিবচর, কালকিনি, রাজৈর চিত্তাকর্ষক স্থান : পর্বতের বাগান-মস্তফাপুর, প্রণবানন্দের মন্দির- বাজিতপুর, গণেশ পাগলেল মন্দির- কদমবাড়ী, রাজারাম রায়ের বাড়ি- খালিয়া, সেনাপতির দিঘি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি- মাইজপাড়া ০৮. মানিকগঞ্জ : http://www.dcmanikganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা গুলি হল – মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, সিঙ্গাইর উপজেলা, শিবালয় উপজেলা, সাটুরিয়া উপজেলা, হরিরামপুর উপজেলা, ঘিওর উপজেলা, দৌলতপুর উপজেলা চিত্তাকর্ষক স্থান : মানিকগঞ্জ জেলার আরিচা ঘাট এই এলাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। যমুনা সেতুর আগে এই ঘাট দিয়েই যানবাহন পারাপার করা হতো। বেউথা ঘাট [কালিগঙ্গা নদীর তির] ০৯. নরায়নগঞ্জ : http://www.dcnarayanganj.gov.bd/ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রাচ্যর ডান্ডী নামে পরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত নদী বন্দর। ভৌগোলিক সীমানা : পূর্বে – ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা, পশ্চিমে – ঢাকা, উত্তরে – নরসিংদী ও গাজীপুর এবং দক্ষিণে – মুন্সিগঞ্জ। ঢাকা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় পাললিক মাটি জাতীয় সমতল ভূমিতে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ শহর। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : নারায়ণগঞ্জ জেলা ৭টি থানায় বিভক্ত। সেগুলো হল – নারায়ণগঞ্জ সদর, ফতুল্লা থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, বন্দর থানা, আড়াইহাজার থানা, রূপগঞ্জ থানা ও সোনারগাঁও থানা। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলায় উপজেলা ৫টি। সেগুলো হল – নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, বন্দর উপজেলা, আড়াইহাজার উপজেলা, রূপগঞ্জ উপজেলা ও সোনারগাঁও উপজেলা। * মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ৬৩টি, * গ্রাম- ১৩৩টি, মহল্লা ৭৪টি। * পৌরসভা – ০১টি- সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা। * ৫টি ইউ,পি নিয়ে ডি.এন.ডি এলাকা গঠিত। এর আয়তন ৮,৫৪০ একর। * সিটি কর্পোরেশন – ০১টি। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, বন্দর থানার কদমরসুল ও সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা নিয়ে এ কর্পোরেশন গঠিত হয়েছে) ইতিহাস : ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর বা লক্ষীনারায়ণ ঠাকুর নামে ও পরিচিত) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করেন। তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের জন্য একটি দলিলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন। তাই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ। ১৮৮২ সালে নারায়ণগঞ্জকে মহকুমা করা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি জেলায় উন্নীত হয়। ২০১১ সালের ৫ই মে নারায়ণগঞ্জকে সিটি কর্পোরেশন করা হয় । বর্তমানে শহরটি গার্মেন্টস নগরী হিসেবে পরিচিত। নিটওয়্যার রপ্তানীকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। ফতুল্লা এনায়েতনগর এলাকায় অবস্থিত বিসিক শিল্পনগরীতে প্রায় ৭০০ গার্মেন্টস আছে। সারা নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রায় ১ হাজার রপ্তানীমুখী গার্মেন্টস আছে। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ গার্মেন্টসই নিট গার্মেন্টস। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ বিখ্যাত পাট শিল্পের জন্য। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আদমজী পাটকল নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। অবশ্য বর্তমানে এই পাটকলটি বন্ধ করে সেখানে আদমজী ইপিজেড গড়ে তোলা হয়েছে। পাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানীকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন বা বিজেএ এর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। দেশের সবচেয়ে বড় সারের ব্যবসাও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। এছাড়া গম, আটা ও ময়দা ব্যবসার ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও অঞ্চলের জামদানিও মসলিনের কাপড় তৈরির ইতিহাস প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছরের পুরোনো। মিশরের মমির শরীরে পেচানো মসলিন এই সোনারগাঁওয়ের তৈরি বলে জানা যায়। বর্তমানে নানা রকম অবহেলার ফলে জামদানি ও মসলিন শিল্প ধ্বংসের পথে। চিত্তাকর্ষক স্থান : পানাম নগর, সোনারগাঁও, (অধুনা লুপ্ত) আদমজী জুট মিল, সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সমাধি (১৩৮৯-১৪১১), বাবা সালেহ মসজিদ (১৪৮১), গোয়ালদী মসজিদ (১৫১৯), সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ (১৪৮৪), হাজীগঞ্জের ঈশা খাঁ কেল্লা, সোনাকান্দা দুর্গ, কাঁচপুর ব্রিজ, কদমরসুল দরগাহ, বন্দর শাহী মসজিদ নির্বাচনী এলাকা : ০৩ (তিন) টি, ২০৬ নারায়ণগঞ্জ-৩ (আংশিক), ২০৭ নারায়ণগঞ্জ-৪, ২০৮ নারায়ণগঞ্জ-৫ (আংশিক)। ১০. মুন্সিগঞ্জ : http://www.dcmunshiganj.gov.bd/ ১১. ময়মনসিংহ : http://www.dcmymensingh.gov.bd/ ১২. নরসিংদী : http://www.dcnarsingdi.gov.bd/ ১৩. রাজবাড়ী : http://www.dcrajbari.gov.bd/ ১৪. শরিয়তপুর : http://www.dcshariatpur.gov.bd/ ১৫. শেরপুর : http://www.dcsherpur.gov.bd/ ১৬. টাঙ্গাইল : http://www.dctangail.gov.bd/ চট্টগ্রাম বিভাগ ০১. চট্টগ্রাম সদর : http://www.dcchittagong.gov.bd/ চট্টগ্রাম (Chittagong) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। বন্দরনগরী নামে পরিচিত শহর, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত পাহাড়, সমুদ্রে এবং উপত্যকায় ঘেরা চট্টগ্রাম শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে প্রাচ্যের রাণী হিসেবে বিখ্যাত। এখানে দেশের সর্ববৃহৎ বন্দর ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি এশিয়ায় ৭ম এবং বিশ্বের ১০ম দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শহর। ০২. বাহ্মনবাড়িয়া : http://www.dcbrahmanbaria.gov.bd/ ০৩. চাঁদপুর : http://www.dcchandpur.gov.bd/ ০৪. লক্ষীপুর : http://www.dclakshmipur.gov.bd/ ০৫. কুমিল্লা : http://www.dccomilla.gov.bd/ ০৬. কক্সবাজার : http://www.dccoxsbazar.gov.bd/ ০৭. ফেনী : http://www.dcfeni.gov.bd/ ০৮. নোয়াখালী : http://www.dcnoakhali.gov.bd/ ০৯. বান্দরবান : http://www.dcbandarban.gov.bd/ ১০. রাঙ্গামাটি : http://www.dcrangamati.gov.bd/ ১১. খাগড়াছড়ি : http://www.dckhagrachhari.gov.bd/ রাজশাহী বিভাগ ০১. রাজশাহী সদর : http://www.dcrajshahi.gov.bd/ ০২. পাবনা : http://www.dcpabna.gov.bd/ ০৩. সিরাজগঞ্জ : http://www.dcsirajganj.gov.bd/ ০৪. চাপাইনবাবগঞ্জ : http://www.dcchapainawabganj.gov.bd/ ০৫. নাওগাঁ : http://www.dcnaogaon.gov.bd/ ০৬. নাটোর : http://www.dcnatore.gov.bd/ ০৭. জয়পুরহাট : http://www.dcjoypurhat.gov.bd/ ০৮. বগুড়া : http://www.dcbogra.gov.bd/ রংপুর বিভাগ ০১. দিনাজপুর : http://www.dcdinajpur.gov.bd/ ০২. কুড়িগ্রাম : http://www.dckurigram.gov.bd/ ০৩. লালমনিরহাট : http://www.dclalmonirhat.gov.bd/ ০৪. নীলফামারী : http://www.dcnilphamari.gov.bd/ ০৫. গায়বান্ধা : http://www.dcgaibandha.gov.bd/ ০৬. পঞ্চগড় : http://www.dcpanchagarh.gov.bd/ ০৭. রংপুর : http://www.dcrangpur.gov.bd/ ০৮. ঠাকুরগাঁও : http://www.dcthakurgaon.gov.bd/ ০৯. নেত্রকোনা : http://www.dcnetrokona.gov.bd/ খুলনা বিভাগ ০১. খুলনা সদর : http://www.dckhulna.gov.bd/ খুলনা দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশ এর একটি শহর। এটি খুলনা জেলাতে অবস্থিত। খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত তৃতীয় বৃহত্তম শহর। প্রশাসনিক অবকাঠামোতে খুলনা একটি জেলা এবং বিভাগ। বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেষে রুপসা নদীর তীরে শিল্পনগরী খুলনার অবস্থান। দেশের দুটি সামুদ্রিক বন্দরের মধ্যে একটি মংলা বন্দর এখানে অবস্থিত। সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খুলনার মধ্যে। খুলনা জেলার উপজেলাগুলি হল – কয়রা, ডুমুরিয়া, তেরখাদা, দাকোপ, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা, রূপসা আয়তন • মেট্রোপলিটন ৫৯.৫৭ শিক্ষা : নব্বই দশকের পূর্বে খুলনাতে তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খাকলেও পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়। ২০০৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা পূর্বে বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা নামে পরিচিত ছিল। তাছাড়া সরকারী বি. এল কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। মাধ্যমিক শিক্ষার পর কারিগরি শিক্ষার জন্য খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে। শিল্প একসময় খুলনা শিল্পশহর হিসাবে বিখ্যাত হলেও বর্তমানে এখানকার বেশিরভাগ শিল্পই রুগ্ন। পূর্বে খুলনাতে দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিল ছিল যা এখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনার বেশির ভাগ পাটকলগুলোও একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে খুলনার উল্লেখযোগ্য শিল্প হল বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা রপ্তানীযোগ্য মাছ শিল্প। খুলনাকে এক সময় বলা হত রুপালি শহর। এর কারন এই এলাকাতে প্রচুর পরিমান চিংড়ী উৎপাদন করা হত। এখনও হয়, যদিও কিছুটা কমে গেছে। আপনি খুলনার দৌলতপুরের মহসিন মোড় থেকে যতই ভিতরের দিকে যেতে থাকবেন ততই দেখতে থাকবেন রাস্তার দূ ধার দিয়ে শুধু বিল আর মাছের ঘের। এসব ঘেরে সাদা মাছের সাথে চাষ হয় প্রচুর চিংড়ী। রাস্তাঘাট খুলনার রাস্তাঘাট মোটামুটি ভাল এবং অনেক প্রসস্থ। এই শহরটি যানজট এর হাতে এখনও পড়েনি। তবে খুলনা থেকে যশোর যেতে আপনাকে একটু সমস্যা পোহাতে হবে। এদিকের রাস্তাঘাট অনেক বেশিই খারাপ। শিল্প কল কারখানা গুলো ফুলতলায় গড়ে ওঠায় এই রাস্তাটি বেশ ভাঙাচোরা। খুলনার দর্শনীয় স্থান সমূহ খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর, খানজাহান আলী সেতু, জাহানাবাদ বনবিলাস চিড়িয়াখানা ও শিশু পার্ক, শহীদ হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ পার্ক, প্রেম কানন, কবি কৃষ্ঞচন্দ্র ইন্সটিটিউট, দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স, গল্লামারী স্মৃতিসৌধ ও বদ্ধভূমি, বীরশ্রষ্ঠ রুহুল আমিনের মাজার, জাতিসংঘ পার্ক ০২. বাগেরহাট : http://www.dcbagerhat.gov.bd/ ০৩. চুয়াডাঙ্গা : http://www.dcchuadanga.gov.bd/ ০৪. কুষ্টিয়া : http://www.dckushtia.gov.bd/ ০৫. যশোর : http://www.dcjessore.gov.bd/ যশোর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল। এর অন্য একটি প্রচলিত বানান যশোহর। ব্রিটিশ আমলে খুলনা ছিল যশোর জেলার অধিভুক্ত একটি মহুকুমা। পরিচ্ছেদসমূহ ১ ভৌগোলিক সীমানা, ২ প্রশাসনিক এলাকাসমূহ, ৩ ইতিহাস, ৪ অর্থনীতি, ৫ বেনাপোল স্থল বন্দর, ৬ চিত্তাকর্ষক স্থান, ৭ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ, ৮ আরও দেখুন, ৯ তথ্যসূত্র, ১০ বহিঃসংযোগ ভৌগোলিক সীমানা উত্তরে ঝিনাইদহ জেলা, দক্ষিণ পূর্বে সাতক্ষীরা, দক্ষিণে খুলনা, পশ্চিমে ভারত। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ এ জেলায় ৮টি উপজেলা রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি পুলিশ থানা রয়েছে। যশোর সদর উপজেলা, অভয়নগর উপজেলা, কেশবপুর উপজেলা, চৌগাছা উপজেলা, ঝিকরগাছা উপজেলা, বাঘারপাড়া উপজেলা, মনিরামপুর উপজেলা, শার্শা উপজেলা ইতিহাস যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরীয়রা ভৈরব নদের তীরে এক সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে। আনুমানিক ১৪৫০ খ্রীস্টাব্দের দিকে পীর খান জাহান আলী সহ বারজন আউলিয়া যশোরের মুড়লীতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রধান কেন্দ্র স্থাপন করেন। ক্রমে এ স্থানে মুড়লী কসবা নামে একটি নতুন শহর গড়ে উঠে। ১৫৫৫ খ্রীস্টাব্দের দিকে যশোর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। যশোর-খুলনা-বনগাঁ এবং কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের অংশ বিশেষ যশোর রাজ্যের অন্তভুর্ক্ত ছিলো। ১৭৮১ খৃষ্টাব্দে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এটিই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জেলা। ১৮৬৪ সালে ঘোষিত হয় যশোর পৌরসভা। ১৮৩৮ খৃষ্টাব্দে যশোর জিলা স্কুল, ১৮৫৪ খৃষ্টাব্দে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি, বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে যশোর বিমান বন্দর এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে কলকাতার সাথে যশোরের রেল-যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলাটি যশোর। অর্থনীতি বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে যশোর এমন একটি জেলা যেটি শুধু অর্থনীতিই নয় বরং ২টি জেলার মধ্যে একটি যে সকল দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চিত্তাকর্ষক স্থান সাগরদাড়ী, কবি মধুসুদনের বাড়ি, কেশবপুরের হনুমান গ্রাম, পাঁচ পুকুর বাগআঁচড়া, বিনোদিয়া পার্ক, জেস গার্ডেন পার্ক, রাজগঞ্জ বাওড়, ভবদহ বিল, গাজীর দর গাহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কবি ফররুখ আহমদ, কবি গোলাম মোসতফা, কবি আবুল হোসেন, খান বাহাদুর মওলানা আহমদ আলী, শিল্পপতি আকিজ উদ্দিন, ভারতীয় শিল্পী শান ০৬. ঝিনাইদহ : http://www.dcjhenaidah.gov.bd/ ০৭. মাগুরা : http://www.dcmagura.gov.bd/ ০৮. মেহেরপুর : http://www.dcmeherpur.gov.bd/ ০৯. নড়াইল : http://www.dcnarail.gov.bd/ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ : নড়াইল সদর, লোহাগড়া, কালিয়া, নড়াগাতি উপজেলা আয়তন (বর্গ কিমি) ৯৯০ জনসংখ্যা মোট : ৬,৮৯,০২১, পুরুষ:৫৪.২২%, মহিলা: ৪৫.৭৮% ইতিহাস : বর্তমানে নড়াইল একটি জেলা শহর। ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ মাসে তৎকালীন মহকুমা হতে জেলা হিসেবে ¯^xKwZ লাভ করে। এই জেলার উত্তরে মাগুরা জেলার শালিখা ও মহম্মদপুর থানা, দক্ষিণে খুলনা জেলার তেরখাদা, দীঘলিয়া ও মোল্লার হাট, পূর্বে ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং পশ্চিমে যশোর জেলার অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও কোতয়ালী থানা অবস্থিত। নড়াইল জেলার আয়তন ৯৭৬ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৬৫৯৬৮১ এর মধ্যে ৩৩৩৮১৬ জন পুরুষ ও ৩২৫৮৬৫ জন মহিলা। নড়াইলকে মোটামুটি নদী সমৃদ্ধ অঞ্চল বলা যায়। এই জেলার উপর দিয়ে মধুমতি, চিত্রা, কাজলা, নলিয়া, নড়াগাতি, নবগঙ্গা, কালিগঙ্গা ও আঠারবাঁকি ছাড়াও শিরোমনি শাখার গাল ও হ্যালিক্যাকস ক্যানেল প্রবাহিত ছিল। তন্মধ্যে ৩/৪ টি নদী মৃত বলা চলে, অপর ৮/৭টি নদী এখন প্রবাহমান। ভূতাত্বিকদের মতানুসারে আনুমানিক দশ লক্ষ বৎসর পূর্বে গঙ্গা নদীর পলিমাটি দ্বারা যে গঙ্গেয় ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছিলো’ সেই দ্বীপসমূহের অন্তর্গত এক ভূখন্ডই হল বর্তমান নড়াইল জেলা। তৎকালে নড়াইল জেলা সাগর তীরবর্তী বর্তমান সুন্দরবনের অন্তর্ভূক্ত ছিল। ষাট, সত্তর বৎসর পূর্বেও এই জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে পুকুর বা কুয়া খনন করে হরিণ, বাঘ ও অন্যান্য জীবজন্তুর ফসিল পাওয়া যেত এবং তা থেকে প্রমাণিত যে নদীমাতৃক এই জেলার সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনভূমি বিস্তৃত ছিলো। ইতিহাস অনুযায়ী জানা যায় যে গুপ্ত যুগে নড়াইল অঞ্চলের পূর্ব সীমান্ত মধুমতি নদী পর্যন্ত, সমগ্র যশোর সহ গুপ্ত সম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল এবং ইহা ৩৪০ হতে ৩৭৫ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিলো। রাজা শাশাঙ্ক ৬০০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন এবং তার রাজধানী ছিল কর্ণ সুবর্ণ নগর মতান্তরে লক্ষণাবর্তী। অতঃপর সম্রাট হর্ষ বর্ধন শশাঙ্ককে পরাজিত করে এই অঞ্চলকে তারা করায়ত্ত করেন। অতএব বলা যায় যে বৃহত্তর যশোরসহ নড়াইল জেলা শশাঙ্গ ও হর্যবর্ধন রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল। আনুমানিক দেড়শত বৎসর নড়াইল জেলা অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র f~-¯^vgx বাহুবলে শাশিত হয়েছিল বলে জানা যায়। শুধু এই অঞ্চলই নয় সমগ্র বাংলাদেশই এরূপ দু’জন রাজা ছিলেন নয়াবাড়ীর পাতালভেদী রাজা এবং উজিরপুর কশিয়াড়ার রাজা। পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে পাল বংশ দ্বারা শসিত হয়। পাল বংশের পতনের কর্ণাটক হতে আগত সেন রাজাদের রাজত্য কায়েম হয়। ১২০০ খ্রীষ্টাব্দে তুর্কি সেনা নায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজীর বাংলাদেশ অধিকারের ফলে রাজা লক্ষণ সোনের রাজত্বকাল সমাপ্তি ঘটতে থাকে। এরপর আসে মুসলিম শাসনামল। তখন, বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় পর্যায়ক্রমে ৩৭ বৎসর পাঠান আমল এবং অতঃপর প্রায় দুইশত বৎসর ¯^vaxb সুলতানী আমল বিরাজমান ছিল। ইংরেজ আমলে ১৭৮৬ সালে যাশোর একটি জেলা রূপে ¯^xK…wZ পায়। তখন নড়াইলের পূর্বাঞ্চল ব্যতীত সমগ্র বৃহত্তর যশোর সহ বৃহত্তর খুলনা জেলা যশোরের অন্তর্গত ছিল। ১৯৯৩ সালে নলদী পরগণা সহ ভূষণা ফরিদপুর জেলার পশ্চিমাঞ্চল যশোরের অন্তর্ভূক্ত হয়। ১৮৪২ সালে খুলনাকে পৃথক মহকুমায় পরিণত করে নড়াইলের কালিয়া থানার দক্ষিণাঞ্চল তার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮৬১ সালে নীল বিদ্রোহের সময় নড়াইল একটি পৃথক মহকুমা স্থাপিত হয়। মহকুমা সদরের স্থান নির্বাচনের জন্য মহিষখোলা মৌজার নড়াইল মহকুমার সদরকেই বেছে নেয়া হয়। প্রকৃত নড়াইল মৌজা শহর হতে ৩ কিলোমিটার দূরে যেখানে নড়াইলের জমিদারদের প্রসাদ অবস্থিত ছিলো এবং অপরদিকে মহকুমা প্রশাসকের বাসভবনই নীলকরদের কুঠিবাড়ী ছিল। ১৯০১ সালের শুমারী অনুযায়ী নড়াইল মহকুমা-নড়াইল, বড় কালিয়া, লোহাগড়া থানা mgš^‡q গঠিত যার লোক সংখ্যা ছিলো ৩৫২২৮৯ জন। ১৯৩৯ সালের তথ্যে জানা যায় যে, সাবেক যশোরের পাঁচটি মহকুমার পূবাঞ্চলের একটি সমৃদ্ধশালী মহকুমা ছিল নড়াইল। ১৯৩৫ সালে সীমানা পূর্ণগঠনের প্রেক্ষিতে বিদালী, পোড়ালী ও শেখহাটি ইউনিয়নকে নড়াইল থানার সাথে এবং পোড়লী ইউনিয়নকে কালিয়া থানার সাথে সংযুক্ত করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর লোহাগড়া, কালিয়া, আলফাড়াঙ্গা ও নড়াইল এই চারটি থানা mgš^‡q নাড়াইল মহকুমা অবশিষ্ট থাকে। ১৯৬০ সালে আবার আলফাডাঙ্গা নাড়াইল হতে বিছিন্ন করে ফরিদপুরের সঙ্গে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এইভাবে বিভিন্ন সময় নড়াইলের ভৌগোলিক সীমারেখা সংকুচিত করা হয়েছে। বর্তমানে ৪টি থানা mgš^‡q নড়াইল জেলা গঠিত- লোহাগড়া, কালিয়া, নড়াগাতি ও নড়াইল সদর। ১৯৪৮ সালে ১লা মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে নড়াইলকে জেলা হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলেও অনেক সংগ্রাম, হরতাল, সমাবেশ ও অনশন ধর্মঘটের ফলশ্রুতিতে ১৯৮৪ সালের ১লা জুলাই নাড়াইলকে পূণাঙ্গ জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে নড়াইল জেলার বিশেষ বৈশিষ্টের অধিকারী। যেমন জেলার শিক্ষিতের হার ২৯% যেখানে দেশের শিক্ষিতের হার ২৪%। জেলার ১টি সরকারী ও ১টি মাহিলা কলেজ সহ মোট ৬টি কলেজ বিদ্যমান। ৭৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২টি সরকারী, ৯টি বালিকা ও জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭টি। এছাড়াও ১টি মহিলা মাদ্রাসা ও ১টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল প্রায় দেড় ডজন স্থাপনা। তন্মধ্যে, রায়ত্তামের জোড়া বাংলা, নলদী গাজীর দরগাহ, পাতালবেদী রাজার বাড়ী লোহাগড়া প্রাচীন জোড় বাংলা, রাজা কেশব রয়ের বাড়ী, লক্ষ্মীপাশা কালীবাড়ী অন্যতম। এইসঙ্গে ছিলো নড়াইলের কিংবদন্তীসম ফকির দরবেশ ও ধর্মপ্রচারকদের নাম উল্লেখযোগ্য যোমন- ফকির ওসমান, সাধক লেংটা শাহ, বুড়ো দেওয়ান, গঙ্গাধর পাগল অন্যতম। নড়াইলের বিভিন্নস্থনে চারজন জমিদার ছিল, যেমন নড়াইলের জমিদার হাটবাড়ীয়ার জমিদার কালাড়া ও নলদীর জমিদার, এছাড়াও এদের অধীন ৭ জন তালুকদার বা ছোট জমিদার দিন। নীলচাষ আমলে সমস্ত নড়াইলে প্রায় ২০টির মত নীল সাহেবদের কুঠিবাড়ী ছিল। সমস্ত জেলার প্রায় দেড়শত গ্রাম ও জনপদ নিয়ে গঠিত। নড়াইল জেলায় রয়েছে প্রায় দুইশত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, Z‡š^‡a¨ বিশেষ খ্যাতি সম্পন্ন ৭জনের নাম অন্তর্জাতিকভাবে ¯^xK…Z, যেমন – সৈয়দ নওশের আলী- ফজলুল হক মন্ত্রী সভার মন্ত্রী, এস এম সুলতান- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কিংবদন্তীসম শিল্পী, উদয় শঙ্কর- ভূবনখ্যাত শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী, পন্ডিত রবিশঙ্কর- আন্তজর্তিক খ্যাতিসম্পন্ন সেতার শিল্পী, চারণ কবি মোসলেমউদ্দিন – ১৩০০ সালের রচয়িতা, কবিয়াল বিজয় সরকার – শ্রেষ্ঠ কবি গায়ক, ডাঃ নিহার রঞ্জন গুপ্ত- প্রায় ৫০টি উপন্যাসের লেখক, নূর জালাল – তেভাগা আন্দোলনোর মধ্যমনি, কমলদাশগুপ্ত – নজরুল সঙ্গীততের নির্ধারিত সুরকার ও অমলকৃষ্ণ সোম প্রাখ্যাত মঞ্চাভিনেতা ১০০ টির মতো মঞ্চ নাটক করেছেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মুহাম্মদ – ১৯৭১ এর সম্মুখসমরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০, কলেজ : ১৫, মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৯৪, মাদ্রাসা : ৮৫ শিক্ষার হার : ৩৫.৬ % বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব : এস এম সুলতান প্রধান শস্য : ধান, পাট, গম রপ্তানী পণ্য : নারিকেল, পান, চিংড়ি চিত্তাকর্ষক স্থান : নিরিবিলি পিকনিক কর্নার(লোহাগড়া), চিত্রা রিসোর্ট, নড়াইল(চিত্রানদীর পাড়ে), চিত্রশিল্পী এস,এম,সুলতান এর বাড়ী, স্বপ্ন বীথি(পিকনিক কর্নার) কচু বাড়িয়া লোহাগড়া ১০. সাতক্ষীরা : http://www.dcsatkhira.gov.bd/ সিলেট বিভাগ ০১. সিলেট সদর : http://www.dcsylhet.gov.bd/ সিলেট সদর বাংলাদেশের সিলেট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। জনসংখ্যা ৪৯৩৭৮৪; পুরুষ ২৬৬৭০১, মহিলা ২২৭০৮৩। মুসলিম ৪৪১৫৩৯, হিন্দু ৫০৯১৯, বৌদ্ধ ৭১৭, খ্রিস্টান ২৩৯ এবং অন্যান্য ৩৭০। এ উপজেলায় খাসিয়া ও মনিপুরী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। জলাশয় প্রধান নদী: সুরমা, কুশিয়ারা, সিংড়া। ডবু বিল, বাগোলা বিল ও পাতামোড়া বিল উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন সিলেট সদর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৪ সালে। ০২. মৌলভীবাজার : http://www.dcmoulvibazar.gov.bd/ ০৩. হবিগঞ্জ : http://www.dchabiganj.gov.bd/ ০৪. সুনামগঞ্জ : http://www.dcsunamganj.gov.bd/ বরিশাল বিভাগ ০১. বরিশাল সদর : http://www.dcbarisal.gov.bd/ বরিশাল সদর উপজেলা (বরিশাল জেলা) আয়তন: ৩১৭.৬০ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২২°৩৭´ থেকে ২২°৪৩´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°১৬´ থেকে ৯০°৩২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে বাবুগঞ্জ, মুলাদি এবং মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে বাকেরগঞ্জ এবং নলছিটি উপজেলা, পূর্বে মেহেন্দীগঞ্জ এবং ভোলা সদর উপজেলা, পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর এবং নলছিটি উপজেলা। অবস্থান : উত্তরে বাবুগঞ্জ উপজেলা ও মুলাদি উপজেলা, পূর্বে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে নলছিটি উপজেলা ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা এবং পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর উপজেলা। প্রশাসনিক এলাকা এই উপজেলার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে – কাশিপুর ইউনিয়ন, চাঁদপুরা ইউনিয়ন, চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন, চর কাউয়া ইউনিয়ন, চর বাড়ীয়া ইউনিয়ন, চর মোনাই ইউনিয়ন, জাগুয়া ইউনিয়ন, টুঙ্গিবাড়ীয়া ইউনিয়ন, রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন এবং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন জনসংখ্যা ৪৬৩০৩২; পুরুষ ২৪৩২৯০, মহিলা ২১৯৭৪২। মুসলিম ৪২৩৬১৯, হিন্দু ৩৫৮১০, বৌদ্ধ ৩০৪৪, খ্রিস্টান ১৬২ এবং অন্যান্য ৩৯৭। জলাশয় কীর্তনখোলা, কালিজিরা, বরিশাল, নয়াভাঙ্গা, তেঁতুলিয়া নদী উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন ১৯২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি বরিশাল থানা গঠিত হয়। পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৫৭ সালে এবং সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয় ২০০০ সালে। ০২. বরগুনা : http://www.dcbarguna.gov.bd/ ০৩. ভোলা : http://www.dcbhola.gov.bd/ ০৪. ঝালকাঠি : http://www.dcjhalakathi.gov.bd/ ০৫. পটুয়াখালী : http://www.dcpatuakhali.gov.bd/ ০৬. ফিরোজপুর : http://www.dcpirojpur.gov.bd/

























